রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এতে তাপপ্রবাহের বিস্তার কিছুটা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানিয়েছেন, "দুয়েক জায়গায় ভালো বৃষ্টি হতে পারে, এতে দাবদাহের বিস্তার আরও কমবে। ১০ থেকে ১২ তারিখের দিকে দেশব্যাপী ভালো বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তাপপ্রবাহ না থাকার সম্ভাবনা আছে।"
আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বুধবার রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফামারী, মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।
সেদিন রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, ঢাকায় ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বাতাসে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি হলে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে সেটিকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এতে তাপপ্রবাহের বিস্তার কিছুটা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানিয়েছেন, "দুয়েক জায়গায় ভালো বৃষ্টি হতে পারে, এতে দাবদাহের বিস্তার আরও কমবে। ১০ থেকে ১২ তারিখের দিকে দেশব্যাপী ভালো বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তাপপ্রবাহ না থাকার সম্ভাবনা আছে।"
আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বুধবার রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফামারী, মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়।
সেদিন রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, ঢাকায় ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বাতাসে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি হলে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে সেটিকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।