বঙ্গোপসাগরে বাণিজ্য ও ভ্রমণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিমসটেক সদস্য দেশগুলো সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে।
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেকের মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের আগে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে এতে সই করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। পরে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বও দেন তিনি।
বিমসটেক সচিবালয় জানিয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য হলো পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ত্বরান্বিত করা এবং বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক পরিবহনকে বিস্তৃত করা। বর্তমানে বিমসটেকের সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
বর্তমানে বিমসটেক সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে থাইল্যান্ড, তবে শুক্রবার ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই দায়িত্ব নেবে। ঢাকায় অবস্থিত বিমসটেক সচিবালয়ের অধীনে পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশকে সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সামষ্টিক শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিমসটেকের অভিন্ন উদ্দেশ্যের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাস্তবিক ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার ওপর জোর দেন। এ ছাড়া, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১২ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরির বিষয়টিও তিনি বৈঠকে উত্থাপন করেন।
বৈঠকে শুক্রবার অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের প্রাথমিক এজেন্ডা এবং ঘোষণাপত্রের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের ২১তম বৈঠক ঢাকায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েও বৈঠকে সম্মতি হয়েছে। মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের প্রতিবেদন অনুমোদনের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
বঙ্গোপসাগরে বাণিজ্য ও ভ্রমণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিমসটেক সদস্য দেশগুলো সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে।
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেকের মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের আগে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে এতে সই করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। পরে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বও দেন তিনি।
বিমসটেক সচিবালয় জানিয়েছে, চুক্তির লক্ষ্য হলো পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল ত্বরান্বিত করা এবং বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক পরিবহনকে বিস্তৃত করা। বর্তমানে বিমসটেকের সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
বর্তমানে বিমসটেক সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে থাইল্যান্ড, তবে শুক্রবার ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই দায়িত্ব নেবে। ঢাকায় অবস্থিত বিমসটেক সচিবালয়ের অধীনে পরবর্তী সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশকে সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সামষ্টিক শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিমসটেকের অভিন্ন উদ্দেশ্যের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাস্তবিক ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার ওপর জোর দেন। এ ছাড়া, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১২ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরির বিষয়টিও তিনি বৈঠকে উত্থাপন করেন।
বৈঠকে শুক্রবার অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের প্রাথমিক এজেন্ডা এবং ঘোষণাপত্রের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের ২১তম বৈঠক ঢাকায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েও বৈঠকে সম্মতি হয়েছে। মন্ত্রী পর্যায়ের ২০তম বৈঠকের প্রতিবেদন অনুমোদনের মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হয়।