চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে, প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হবে।
চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আহতদের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সরকার উদ্যোগ নেবে এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় তিনটি দুর্ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।
ঈদের এক দিন পর বুধবার সকালে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের ১০ আরোহী মারা যান। দুর্ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৩০-৩৫ গজ দূরে ঈদের দিন সকালে বাস ও মিনিবাসের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হন। পরদিন কাছাকাছি এলাকায় দুটি মাইক্রোবাস উল্টে পাশের খাদে পড়ে ১২ জন আহত হন।
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মেয়র সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনায় নিহত দিলীপ বিশ্বাস ও সাধনা মণ্ডল দম্পতির মেয়ে ছয় বছর বয়সী আরাধ্যা বিশ্বাস চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা কিছুটা উন্নতি করলেও এখনও ঝুঁকিমুক্ত নয়।
এছাড়া নিহত সাধনা মণ্ডলের ভাতিজা দুর্জয় মণ্ডল (১৮) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত রফিকুল ইসলাম ও লুৎফুন নাহার সুমি দম্পতির মেয়ে প্রেমা (২০) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।
আহতদের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে উপদেষ্টা ও মেয়রকে অবহিত করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন এবং উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে, প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হবে।
চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আহতদের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সরকার উদ্যোগ নেবে এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় তিনটি দুর্ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।
ঈদের এক দিন পর বুধবার সকালে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের ১০ আরোহী মারা যান। দুর্ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৩০-৩৫ গজ দূরে ঈদের দিন সকালে বাস ও মিনিবাসের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হন। পরদিন কাছাকাছি এলাকায় দুটি মাইক্রোবাস উল্টে পাশের খাদে পড়ে ১২ জন আহত হন।
উপদেষ্টা ফারুক ই আজম দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মেয়র সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনায় নিহত দিলীপ বিশ্বাস ও সাধনা মণ্ডল দম্পতির মেয়ে ছয় বছর বয়সী আরাধ্যা বিশ্বাস চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা কিছুটা উন্নতি করলেও এখনও ঝুঁকিমুক্ত নয়।
এছাড়া নিহত সাধনা মণ্ডলের ভাতিজা দুর্জয় মণ্ডল (১৮) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত রফিকুল ইসলাম ও লুৎফুন নাহার সুমি দম্পতির মেয়ে প্রেমা (২০) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।
আহতদের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে উপদেষ্টা ও মেয়রকে অবহিত করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন এবং উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী।