বাংলাদেশের প্রকল্পে দুর্নীতি ও সম্পদ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে নাম আসার পর ব্রিটিশ এমপি ও শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক আবারও বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া পোস্টে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে এবং সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি জানান, তার আইনজীবীরা দুই সপ্তাহ আগে এসব অভিযোগ নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
টিউলিপ বলেন, “জবাব দেওয়ার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও তারা কোনো প্রশ্ন পাঠায়নি, বরং সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।”
এর আগে গত ২০ মার্চও তিনি একই ধরনের অভিযোগ তুলে বলেন, সরকার তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, টিউলিপের আইনজীবীরা দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ২৫ মার্চের মধ্যে প্রশ্ন পাঠানোর আহ্বান জানান।
দুদক জানিয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে টিউলিপের ঘনিষ্ঠতা ও সংশ্লিষ্টতা তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, যথাসময়ে তার আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।
লন্ডনে একটি বিতর্কিত ফ্ল্যাট পাওয়া ও বাংলাদেশে বড় অঙ্কের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গত ১৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন টিউলিপ।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে তার কোনো সম্পত্তি নেই এবং তাকে নোংরা রাজনীতির শিকার করা হচ্ছে। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ বলছে, ঢাকার অভিজাত এলাকায় তার সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ, গাজীপুরে অবকাশযাপন কেন্দ্র এবং গুলশানে নতুন সম্পত্তি নিয়েও তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশের প্রকল্পে দুর্নীতি ও সম্পদ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে নাম আসার পর ব্রিটিশ এমপি ও শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক আবারও বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া পোস্টে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে এবং সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি জানান, তার আইনজীবীরা দুই সপ্তাহ আগে এসব অভিযোগ নিয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
টিউলিপ বলেন, “জবাব দেওয়ার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও তারা কোনো প্রশ্ন পাঠায়নি, বরং সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।”
এর আগে গত ২০ মার্চও তিনি একই ধরনের অভিযোগ তুলে বলেন, সরকার তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, টিউলিপের আইনজীবীরা দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ২৫ মার্চের মধ্যে প্রশ্ন পাঠানোর আহ্বান জানান।
দুদক জানিয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে টিউলিপের ঘনিষ্ঠতা ও সংশ্লিষ্টতা তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, যথাসময়ে তার আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।
লন্ডনে একটি বিতর্কিত ফ্ল্যাট পাওয়া ও বাংলাদেশে বড় অঙ্কের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর গত ১৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন টিউলিপ।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে তার কোনো সম্পত্তি নেই এবং তাকে নোংরা রাজনীতির শিকার করা হচ্ছে। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ বলছে, ঢাকার অভিজাত এলাকায় তার সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ, গাজীপুরে অবকাশযাপন কেন্দ্র এবং গুলশানে নতুন সম্পত্তি নিয়েও তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।