বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা তাঁর সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
আজ শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত ও স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন দেখেছিল। তবে গত পনেরো বছরে বিশেষ করে যুবসমাজ তাদের অধিকার সংকুচিত হতে দেখেছে। জনগণ রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অবক্ষয় ও নাগরিক অধিকারের অবমাননা প্রত্যক্ষ করেছে।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ জনগণ স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে, তবে এতে প্রায় ২ হাজার নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই গণজাগরণে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতারা অধ্যাপক ইউনূসকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস জানান, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সুশাসন, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সরকার সুদূরপ্রসারী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। ইতিমধ্যে বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়েছে। এসব কমিশনের সুপারিশগুলো সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি বলেন, একটি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি নিজে। এতে ছয়টি কমিশনের প্রধানেরা রয়েছেন। কমিশনগুলোর সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য এ কমিশন গঠন করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অবিচলভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা, বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে এবং বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা তাঁর সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
আজ শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত ও স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন দেখেছিল। তবে গত পনেরো বছরে বিশেষ করে যুবসমাজ তাদের অধিকার সংকুচিত হতে দেখেছে। জনগণ রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অবক্ষয় ও নাগরিক অধিকারের অবমাননা প্রত্যক্ষ করেছে।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সাধারণ জনগণ স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে, তবে এতে প্রায় ২ হাজার নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই গণজাগরণে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতারা অধ্যাপক ইউনূসকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস জানান, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সুশাসন, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সরকার সুদূরপ্রসারী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। ইতিমধ্যে বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়েছে। এসব কমিশনের সুপারিশগুলো সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি বলেন, একটি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি নিজে। এতে ছয়টি কমিশনের প্রধানেরা রয়েছেন। কমিশনগুলোর সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য এ কমিশন গঠন করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অবিচলভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা, বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে এবং বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।