ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সাংগ্রিলা হোটেলে এ বৈঠক হয়।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এটি।
এর আগে ব্যাংককে বৃহস্পতিবার বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন।
নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতেও দেখা গেছে।
প্রতিবেশী দুই দেশ- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নানা ইস্যুতে টানাপড়েনের মধ্যে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগেই চিঠি দিয়ে বৈঠকটির আয়োজন করা হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের এক সপ্তাহের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এই বৈঠক হচ্ছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে ইউনূস এবং মোদির মধ্যে বৈঠক হওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু তাদের সফরসূচির মধ্যে ভিন্নতা থাকার কারণে বৈঠকটি তখন হয়নি। পরবর্তীতে ডিসেম্বরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশ সফর করেন এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন একাধিকবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তবে ভারতের আশ্রয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য এবং বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতীয় উদ্বেগের কারণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে কিছু অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এসব বিষয় সামনে রেখে ব্যাংককে এই বৈঠকটি নতুন একটি যুগের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সাংগ্রিলা হোটেলে এ বৈঠক হয়।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এটি।
এর আগে ব্যাংককে বৃহস্পতিবার বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন।
নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতেও দেখা গেছে।
প্রতিবেশী দুই দেশ- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নানা ইস্যুতে টানাপড়েনের মধ্যে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগেই চিঠি দিয়ে বৈঠকটির আয়োজন করা হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের এক সপ্তাহের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এই বৈঠক হচ্ছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে ইউনূস এবং মোদির মধ্যে বৈঠক হওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু তাদের সফরসূচির মধ্যে ভিন্নতা থাকার কারণে বৈঠকটি তখন হয়নি। পরবর্তীতে ডিসেম্বরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশ সফর করেন এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন একাধিকবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তবে ভারতের আশ্রয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য এবং বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতীয় উদ্বেগের কারণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে কিছু অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এসব বিষয় সামনে রেখে ব্যাংককে এই বৈঠকটি নতুন একটি যুগের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।