ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদিও মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারতে আশ্রয় নেয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ব্যাংককে সাংগ্রিলা হোটেলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব সফিকুল আলম সাংবাদিকদেও এ তথ্য জানান।
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সাংগ্রিলা হোটেলে এ বৈঠক হয়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এটি।
ইউনূস-মোদি বৈঠকের বিষয় নিয়ে প্রেস সচিব সাংবাদিকদের বলেন, মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদিও মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসু হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয় বৈঠকে নরেন্দ্র মোদিও কাছে তুলে ধরেছেন।
প্রেস সচিব বলেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পন ছাড়াও তিনি (শেখ হাসিনা) যে ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর বক্তব্য দিচ্ছেন তা মোদিও কাছে উত্থাপন করেছেন।
সফিকুল আলম বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত পানি বন্টনচুক্তি নিয়ে কথা হয়েছে। এ চুক্তির মেয়াদ আগামী বছর (২০২৬ সালে) শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এছাড়াও দুই দেশের মধ্যকার বহুল আলোচিত ইস্যু তিস্তা প্রকল্প নিয়েও নরেন্দ্র মোদিও সঙ্গে বৈঠকে তুলেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইবনূস।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত হত্যা নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তবে বৈঠকে এসব আলোচনার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি মন্তব্য করেছেন বা কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তা জানাননি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদিও মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারতে আশ্রয় নেয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ব্যাংককে সাংগ্রিলা হোটেলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব সফিকুল আলম সাংবাদিকদেও এ তথ্য জানান।
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সাংগ্রিলা হোটেলে এ বৈঠক হয়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এটি।
ইউনূস-মোদি বৈঠকের বিষয় নিয়ে প্রেস সচিব সাংবাদিকদের বলেন, মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদিও মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসু হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয় বৈঠকে নরেন্দ্র মোদিও কাছে তুলে ধরেছেন।
প্রেস সচিব বলেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পন ছাড়াও তিনি (শেখ হাসিনা) যে ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর বক্তব্য দিচ্ছেন তা মোদিও কাছে উত্থাপন করেছেন।
সফিকুল আলম বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত পানি বন্টনচুক্তি নিয়ে কথা হয়েছে। এ চুক্তির মেয়াদ আগামী বছর (২০২৬ সালে) শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এছাড়াও দুই দেশের মধ্যকার বহুল আলোচিত ইস্যু তিস্তা প্রকল্প নিয়েও নরেন্দ্র মোদিও সঙ্গে বৈঠকে তুলেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইবনূস।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত হত্যা নিয়ে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তবে বৈঠকে এসব আলোচনার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি মন্তব্য করেছেন বা কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তা জানাননি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।