সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে যেকোন আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে তার আইনজীবীরা প্রস্তুত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে টিউলিপ এ কথা বলেন।
টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি। শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
চলতি বছর জানুয়ারিতে টিউলিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক দুর্নীতিতে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয়। পরে বিরোধীদের ব্যাপক চাপের মুখে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেট আসনের এমপি টিউলিপ জানুয়ারিতেই ট্রেজারি মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগের পর দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে এই প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুললেন টিউলিপ সিদ্দিক।
স্কাই নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরেই একাধিক অভিযোগ আনা হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে
আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হয়নি।’ বাংলাদেশে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পর্কে যেকোন আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের জবাব দিতে তার আইনজীবীরা প্রস্তুত বলে জানান তিনি।
ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপাতত সম্পর্কের বিষয়ে কোনো অনুশোচনা আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ‘আপনারা আমার আইনি চিঠিটি দেখুন এবং দেখুন আমার কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আছে কিনা...(বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ) কেউ একবারের জন্যও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি, কিন্তু তাদের কাছ থেকে শোনার অপেক্ষায় রয়েছি।’
স্কাই নিউজকে গত মাসে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশে টিউলিপের বিপুল সম্পদ রয়েছে, যার উৎস নিয়ে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।’
এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর একটি চিঠি লিখেছিলেন টিউলিপের আইনজীবীরা। সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেন তারা।
কয়েক সপ্তাহ আগে লেখা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘টিউলিপের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ-সংক্রান্ত সব জিজ্ঞাসা যেন ২৫ মার্চের মধ্যে প্রেরণ করা হয়। অন্যথায় ধরে নেয়া হবে, কর্তৃপক্ষের কাছে আইনসঙ্গত কোনও প্রশ্ন নেই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে টিউলিপ সিদ্দিক লেখেন, ‘সময়সীমা অতিক্রম হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।’
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে যেকোন আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে তার আইনজীবীরা প্রস্তুত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে টিউলিপ এ কথা বলেন।
টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি। শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
চলতি বছর জানুয়ারিতে টিউলিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক দুর্নীতিতে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয়। পরে বিরোধীদের ব্যাপক চাপের মুখে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেট আসনের এমপি টিউলিপ জানুয়ারিতেই ট্রেজারি মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগের পর দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে এই প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুললেন টিউলিপ সিদ্দিক।
স্কাই নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরেই একাধিক অভিযোগ আনা হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে
আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হয়নি।’ বাংলাদেশে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পর্কে যেকোন আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের জবাব দিতে তার আইনজীবীরা প্রস্তুত বলে জানান তিনি।
ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপাতত সম্পর্কের বিষয়ে কোনো অনুশোচনা আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ‘আপনারা আমার আইনি চিঠিটি দেখুন এবং দেখুন আমার কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আছে কিনা...(বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ) কেউ একবারের জন্যও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি, কিন্তু তাদের কাছ থেকে শোনার অপেক্ষায় রয়েছি।’
স্কাই নিউজকে গত মাসে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ‘বাংলাদেশে টিউলিপের বিপুল সম্পদ রয়েছে, যার উৎস নিয়ে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।’
এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর একটি চিঠি লিখেছিলেন টিউলিপের আইনজীবীরা। সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেন তারা।
কয়েক সপ্তাহ আগে লেখা ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘টিউলিপের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ-সংক্রান্ত সব জিজ্ঞাসা যেন ২৫ মার্চের মধ্যে প্রেরণ করা হয়। অন্যথায় ধরে নেয়া হবে, কর্তৃপক্ষের কাছে আইনসঙ্গত কোনও প্রশ্ন নেই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে টিউলিপ সিদ্দিক লেখেন, ‘সময়সীমা অতিক্রম হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।’