দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর
দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এপ্রিলজুড়ে মৃদু মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। এর আগে রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির আভাস দিয়ে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমার কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি। উষ্ণতম মাস হিসেবে এ বছর এপ্রিলের শুরুর দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গত বছর এপ্রিলে তাপমাত্রা ছিল ৭৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
তবে তাপপ্রবাহের পাশাপাশি এবার এপ্রিল ও মে মাসে মেঘ সৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বেশি থাকতে পারে এবং কালবৈশাখীর সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে গত বছরের মতো এবছর একটানা দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ না-ও থাকতে পারে বলে আভাস এসেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ ১৫ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
এপ্রিল মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাপপ্রবাহ নিয়ে শুরু হওয়া এপ্রিলজুড়ে মৃদু, মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। পাশাপশি বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা করা হয়েছে পূর্বাভাসে। এছাড়া চলতি সপ্তাহের শেষ দিন পর্যন্ত গরমের তেজ থাকবে, এরপর আগামী সপ্তাহে বৃষ্টি ঝরার পর চলমান তাপপ্রবাহ কমে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘তাপমাত্রা বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। ৫ এপ্রিল কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে এবং ৬ এপ্রিল দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টি থাকতে পারে। বৃষ্টির পর তাপপ্রবাহ কমে আসবে। এরপর আবার বাড়বে তাপমাত্রা। এ মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু মাঝারি এবং ১ থেকে ২টি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া এ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হতে পারে।’
এপ্রিলের মাঝামাঝি একটি নিম্নচাপের আশঙ্কা আছে জানিয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘তবে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কিনা, তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’ তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরসংলগ্ন এলাকা এবং এর কাছাকাছি উজানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে এপ্রিলের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিপাতে হাওর অঞ্চলের নদ-নদীর পানি বেড়ে যেতে পারে। তবে এতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে কিনা, তা এখনও বলা যাচ্ছে না।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, গত বছর এপ্রিল ও মে মাসে টানা তাপপ্রবাহের কারণে কালবৈশাখীর সংখ্যা কম ছিল। গত বছর এপ্রিলে মাত্র দুই এবং মে মাসে চারটি কালবৈশাখী হয়েছিল বলে জানান তিনি। আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘এবার এপ্রিল ও মে মাসে মেঘ সৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কালবৈশাখীর সংখ্যাও বাড়তে পারে। আর তাতে গত বছর যেভাবে একটানা দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলেছে, তা না-ও থাকতে পারে।’
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে তাপমাত্রা আগের বছরগুলোর তুলনায় কিছুটা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এর প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তন।’
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায়
অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
সোমবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১ম দিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে আর ২য় দিন সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এপ্রিলজুড়ে মৃদু মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। এর আগে রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির আভাস দিয়ে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমার কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি। উষ্ণতম মাস হিসেবে এ বছর এপ্রিলের শুরুর দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গত বছর এপ্রিলে তাপমাত্রা ছিল ৭৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
তবে তাপপ্রবাহের পাশাপাশি এবার এপ্রিল ও মে মাসে মেঘ সৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বেশি থাকতে পারে এবং কালবৈশাখীর সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে গত বছরের মতো এবছর একটানা দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ না-ও থাকতে পারে বলে আভাস এসেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ ১৫ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
এপ্রিল মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাপপ্রবাহ নিয়ে শুরু হওয়া এপ্রিলজুড়ে মৃদু, মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। পাশাপশি বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা করা হয়েছে পূর্বাভাসে। এছাড়া চলতি সপ্তাহের শেষ দিন পর্যন্ত গরমের তেজ থাকবে, এরপর আগামী সপ্তাহে বৃষ্টি ঝরার পর চলমান তাপপ্রবাহ কমে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘তাপমাত্রা বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। ৫ এপ্রিল কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে এবং ৬ এপ্রিল দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টি থাকতে পারে। বৃষ্টির পর তাপপ্রবাহ কমে আসবে। এরপর আবার বাড়বে তাপমাত্রা। এ মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু মাঝারি এবং ১ থেকে ২টি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া এ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হতে পারে।’
এপ্রিলের মাঝামাঝি একটি নিম্নচাপের আশঙ্কা আছে জানিয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘তবে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কিনা, তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’ তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরসংলগ্ন এলাকা এবং এর কাছাকাছি উজানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে এপ্রিলের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিপাতে হাওর অঞ্চলের নদ-নদীর পানি বেড়ে যেতে পারে। তবে এতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে কিনা, তা এখনও বলা যাচ্ছে না।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, গত বছর এপ্রিল ও মে মাসে টানা তাপপ্রবাহের কারণে কালবৈশাখীর সংখ্যা কম ছিল। গত বছর এপ্রিলে মাত্র দুই এবং মে মাসে চারটি কালবৈশাখী হয়েছিল বলে জানান তিনি। আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘এবার এপ্রিল ও মে মাসে মেঘ সৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কালবৈশাখীর সংখ্যাও বাড়তে পারে। আর তাতে গত বছর যেভাবে একটানা দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলেছে, তা না-ও থাকতে পারে।’
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে তাপমাত্রা আগের বছরগুলোর তুলনায় কিছুটা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এর প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তন।’
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায়
অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
সোমবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১ম দিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে আর ২য় দিন সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।