তরুণ ভোটারদের নিয়ে সানেমের জরিপ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তরুণ ভোটারদের মধ্যে বেশিরভাগ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে বলে এক নতুন জরিপে দেখা গেছে। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনোমিক মডেলিং (সানেম) ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথভাবে পরিচালিত ‘ইউথ ইন ট্রানজিশন’ শীর্ষক জরিপে এমন তথ্য দেখা গেছে।
নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পেলে আ’ লীগ পাবে ১৫.০২% ভোট
‘মব দৈনন্দিন
জীবনের অংশ’: শঙ্কিত ৭১% তরুণ
ভোট দিতে আগ্রহী, তবে রাজনীতিতে অনাগ্রহী ৭৬% তরুণ
এটি পুরো জনসংখ্যার বা অন্যান্য বয়সের নাগরিকদের চিত্র নয়: সানেমের নির্বাহী পরিচালক
সোমবার,(০৭ জুলাই ২০২৫) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টার ইনে ‘ক্রান্তিকালে তারুণ্য: জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে চাকরি, শিক্ষা এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপে দেশের ৮ বিভাগের গ্রাম ও শহরের ১৫-৩৫ বছর বয়সী প্রায় ২ হাজার তরুণ-তরুণীর মতামত নেয়া হয়েছে।
আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৩৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ তরুণ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। ২১ দশমিক ৪৫ শতাংশ ভোটারের পছন্দের দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। এছাড়া, সদ্যগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ১৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোটার।
জরিপে অংশ নেয়া তরুণরা মনে করেন, অন্যান্য ধর্মীয় দলগুলো পাবে ৪.৫৯ শতাংশ ভোট। জাতীয় পার্টি পাবে ৩.৭৭ শতংশ এবং অন্যান্য দল পাবে শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ ভোট।
সানেমের জরিপে আরও উঠে এসেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি পেলে আওয়ামী লীগ পাবে ১৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ ভোট।
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে এক করার চেষ্টা করছে। গত বছর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয়ার পর এই সরকার দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংবিধান সংস্কারে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে; যা চলমান।
শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) সরকারের পতন হয়। এ বছর ১০ মে এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অনলাইন ও অফলাইন রাজনৈতিক কর্মকা- নিষিদ্ধ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ‘প্রকাশনা, গণমাধ্যম সামগ্রী, প্রচারাভিযান, সভা বা মিছিল’ নিষিদ্ধ থাকবে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ
ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ১২ মে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটে হ্যাঁ, রাজনীতি না
সানেম ও একশন এইডের জরিপে অংশ নেয়া তরুণ ভোটারদের ৭৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে চান। তবে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে হতাশা ও অনাগ্রহ আছে।
৮২ দশমিক ৭ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, তারা রাজনীতিতে যুক্ত হতে চান না। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন রাজনৈতিক সহিংসতা ও রাজনীতিবিদদের নৈতিকতার অভাব।
দেশের ৮ বিভাগের দুই জেলা ও প্রতিটি জেলার দুই উপজেলার তরুণ-তরুণীরা জরিপে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থানের সুযোগের বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ব্যর্থতা প্রকট।
জরিপ পরিচালনাকারী সংস্থা সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান জানান, ‘১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার উদ্দেশ্যে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে। জরিপের ফলাফল শুধু তরুণ অংশগ্রহণকারীদের মতামত তুলে ধরেছে। রাজনীতির বিষয়ে এটি পুরো জনসংখ্যার বা অন্যান্য বয়সের নাগরিকদের চিত্র নয়।’ তিনি বলেন, ‘এ জরিপের ফলাফল ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত যেন ভুল ব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তি না হয়।’
* মব: শঙ্কিত ৭১ শতাংশ তরুণ*
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭১ শতাংশেরও বেশি তরুণ মনে করেন, মব জাস্টিস বা গণপিটুনির ঘটনা দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে একে দেখা হচ্ছে।
জরিপে অংশ নেয়া ৭১.৫ শতাংশ তরুণ মনে করেন, গণপিটুনির ঘটনা একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা। ১৫.১ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মতামত দেননি এবং ১৩.৪ শতাংশ দ্বিমত পোষণ করেছেন। ৮০.২ শতাংশ তরুণ অগ্নিসংযোগ, ডাকাতি এবং চুরির মতো ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ৩৪.৫ শতাংশ মনে করেন, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার ঘটনা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। তবে ৩৯.৯ শতাংশ এর সঙ্গে একমত নন।
জরিপে অংশ নেয়া ৪৪.২ শতাংশের মতে, নারীবাদী বা উদারপন্থি মতামতের বিরুদ্ধে আক্রমণ একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয়। অন্যদিকে, ৫৩.৬ শতাংশ মনে করেন, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে। ৪৬.৭ শতাংশ তরুণ রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং ক্যাম্পাসের সহিংসতা নিয়ে শঙ্কিত। ৫৬.২ শতাংশ মনে করেন, অন্যায্য বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার ও মামলা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে। ৩৭.৪ শতাংশ তরুণ সরকারি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন বা বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জরিপে সানেমের নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বাধীন এই গবেষণাদলে আরও ছিলেন একরামুল হাসান, শাফা তাসনিম, ইশরাত শারমিন, নীলাদ্রি নাভিয়া নোভেলি এবং মো. রাজীব।
তরুণ ভোটারদের নিয়ে সানেমের জরিপ
সোমবার, ০৭ জুলাই ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তরুণ ভোটারদের মধ্যে বেশিরভাগ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে বলে এক নতুন জরিপে দেখা গেছে। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনোমিক মডেলিং (সানেম) ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথভাবে পরিচালিত ‘ইউথ ইন ট্রানজিশন’ শীর্ষক জরিপে এমন তথ্য দেখা গেছে।
নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পেলে আ’ লীগ পাবে ১৫.০২% ভোট
‘মব দৈনন্দিন
জীবনের অংশ’: শঙ্কিত ৭১% তরুণ
ভোট দিতে আগ্রহী, তবে রাজনীতিতে অনাগ্রহী ৭৬% তরুণ
এটি পুরো জনসংখ্যার বা অন্যান্য বয়সের নাগরিকদের চিত্র নয়: সানেমের নির্বাহী পরিচালক
সোমবার,(০৭ জুলাই ২০২৫) ঢাকার ব্র্যাক সেন্টার ইনে ‘ক্রান্তিকালে তারুণ্য: জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে চাকরি, শিক্ষা এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ জরিপে দেশের ৮ বিভাগের গ্রাম ও শহরের ১৫-৩৫ বছর বয়সী প্রায় ২ হাজার তরুণ-তরুণীর মতামত নেয়া হয়েছে।
আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৩৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ তরুণ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চান। ২১ দশমিক ৪৫ শতাংশ ভোটারের পছন্দের দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। এছাড়া, সদ্যগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ১৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোটার।
জরিপে অংশ নেয়া তরুণরা মনে করেন, অন্যান্য ধর্মীয় দলগুলো পাবে ৪.৫৯ শতাংশ ভোট। জাতীয় পার্টি পাবে ৩.৭৭ শতংশ এবং অন্যান্য দল পাবে শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ ভোট।
সানেমের জরিপে আরও উঠে এসেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি পেলে আওয়ামী লীগ পাবে ১৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ ভোট।
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে এক করার চেষ্টা করছে। গত বছর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয়ার পর এই সরকার দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংবিধান সংস্কারে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে; যা চলমান।
শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলনে গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) সরকারের পতন হয়। এ বছর ১০ মে এক সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অনলাইন ও অফলাইন রাজনৈতিক কর্মকা- নিষিদ্ধ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ‘প্রকাশনা, গণমাধ্যম সামগ্রী, প্রচারাভিযান, সভা বা মিছিল’ নিষিদ্ধ থাকবে চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ
ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ১২ মে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটে হ্যাঁ, রাজনীতি না
সানেম ও একশন এইডের জরিপে অংশ নেয়া তরুণ ভোটারদের ৭৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে চান। তবে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে হতাশা ও অনাগ্রহ আছে।
৮২ দশমিক ৭ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, তারা রাজনীতিতে যুক্ত হতে চান না। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন রাজনৈতিক সহিংসতা ও রাজনীতিবিদদের নৈতিকতার অভাব।
দেশের ৮ বিভাগের দুই জেলা ও প্রতিটি জেলার দুই উপজেলার তরুণ-তরুণীরা জরিপে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থানের সুযোগের বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ব্যর্থতা প্রকট।
জরিপ পরিচালনাকারী সংস্থা সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান জানান, ‘১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার উদ্দেশ্যে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে। জরিপের ফলাফল শুধু তরুণ অংশগ্রহণকারীদের মতামত তুলে ধরেছে। রাজনীতির বিষয়ে এটি পুরো জনসংখ্যার বা অন্যান্য বয়সের নাগরিকদের চিত্র নয়।’ তিনি বলেন, ‘এ জরিপের ফলাফল ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত যেন ভুল ব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তি না হয়।’
* মব: শঙ্কিত ৭১ শতাংশ তরুণ*
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭১ শতাংশেরও বেশি তরুণ মনে করেন, মব জাস্টিস বা গণপিটুনির ঘটনা দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে একে দেখা হচ্ছে।
জরিপে অংশ নেয়া ৭১.৫ শতাংশ তরুণ মনে করেন, গণপিটুনির ঘটনা একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা। ১৫.১ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মতামত দেননি এবং ১৩.৪ শতাংশ দ্বিমত পোষণ করেছেন। ৮০.২ শতাংশ তরুণ অগ্নিসংযোগ, ডাকাতি এবং চুরির মতো ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ৩৪.৫ শতাংশ মনে করেন, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার ঘটনা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। তবে ৩৯.৯ শতাংশ এর সঙ্গে একমত নন।
জরিপে অংশ নেয়া ৪৪.২ শতাংশের মতে, নারীবাদী বা উদারপন্থি মতামতের বিরুদ্ধে আক্রমণ একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয়। অন্যদিকে, ৫৩.৬ শতাংশ মনে করেন, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে। ৪৬.৭ শতাংশ তরুণ রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং ক্যাম্পাসের সহিংসতা নিয়ে শঙ্কিত। ৫৬.২ শতাংশ মনে করেন, অন্যায্য বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার ও মামলা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে। ৩৭.৪ শতাংশ তরুণ সরকারি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন বা বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জরিপে সানেমের নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বাধীন এই গবেষণাদলে আরও ছিলেন একরামুল হাসান, শাফা তাসনিম, ইশরাত শারমিন, নীলাদ্রি নাভিয়া নোভেলি এবং মো. রাজীব।