alt

জাতীয়

ক্লাব, মদ ও জুয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত বিতর্ক

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১
image

চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমণির অভিযোগের ভিত্তিতে আলোচনায় আসা বোট ক্লাবসহ রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবে মদ, জুয়া ও অপকর্ম নিয়ে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পরীমণির ঘটনার সূত্র ধরে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনার সূত্রপাত ঘটালেও তাতে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য দলের এমপিরা অংশ নেন। এসময় মদের অনুমোদন নিয়ে পরস্পরের ওপর দোষারোপ করা হয়। এর প্রেক্ষাপটে আলোচনায় কিছুক্ষণের জন্য সংসদ সরব হয় ওঠে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বিএনপির হারুনুর রশীদ, তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী এবং বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ আলোচনায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

চুন্নু আলোচনার শুরুতে বলেন, কয়েকদিন যাবত একজন চিত্রনায়িকার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি উত্তরা বোট ক্লাব। কে করলো এই ক্লাব? এই ক্লাবের সদস্য কারা হয়। শুনেছি ৫০-৬০ লাখ টাকা দিয়ে এর সদস্য হতে হয়। এত টাকা দিয়ে কারা এর সদস্য হয়? আমরাতো ভাবতেই পারি না। সারাজীবন এত ইনকামও করি না।

রাজধানীর কয়েকটি ক্লাবের নাম উল্লেখ করে সাবেক প্রতিমন্ত্রী চুন্নু বলেন, এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়। জুয়া খেলা হয়। বাংলাদেশে মদ খেতে হলে লাইসেন্স লাগে। সেখানে গ্যালন গ্যালন মদ বিক্রি হয়। লাইসেন্স নিয়ে খেতে হলে এত মদতো বিক্রি হওয়ার কথা নয়। সরকারি কর্মকর্তারা এখানে কীভাবে সদস্য হয়? এত টাকা কোথা থেকে আসে?

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ডিজে পার্টি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে তিনি বলেন, গুলশান-বারিধারা এলাকায় ডিজে পার্টি হয়। সেখানে ড্যান্স হয়। মদ খাওয়া হয়। এসব আমাদের আইনে নেই, সংস্কৃতিতে নেই, ধর্মে নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন কেন এসব হচ্ছে? কেন বন্ধ করা হবে না? ওইসব ক্লাবের সদস্য কারা হয়? পরীমণির যে ঘটনা সেটা বোট ক্লাবে। ওই জায়গার একজন মালিক আছে। তিনি যেতেও পারে না। এসব দেখতে হবে।

চুন্নুর বক্তব্যের পর শেখ সেলিম ফ্লোর নিয়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে মদ ও জুয়ার লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, এতো বোট ক্লাব, জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলো। বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলো। জিয়াউর রহমান আবার চালু করেছিলো। যারা অপরাধের শুরু করেছে তাদের আগে বিচার করা উচিত। ওখান থেকে ধরতে হবে।

বিএনপির হারুনুর রশীদ এসময় স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমাদের বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য একটি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সিনিয়র এক সদস্য (শেখ সেলিম) কোথায় চলে গেলেন? বাংলাদেশে অনেক বিদেশি থাকেন। এ ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষদের জন্য, ডোমদের জন্য মদের বৈধতা আছে। কোনও মুসলমানের জন্য আইনে অনুমতি নেই। জিয়াউর রহমান যদি মুসলমানদের মদের লাইসেন্স দিয়ে থাকেন যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি সদস্য পদ ছেড়ে দেবো।

তিনি বলেন, এই সব ক্লাবে মদের ব্যবসার সঙ্গে সরকারি লোক জড়িত। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। পুলিশ এসব জায়গা থেকে টাকা নেয়। প্রধানমন্ত্রী কোনও দলের নয়, উনি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। এসব খুঁজে দেখা হোক।

হারুনের বক্তব্যের পর শেখ সেলিম আবারও ফ্লোর নেন। তিনি বলেন, লাকী খানের ঝাকি নাচের কথা কী ভুলে গেলেন? হিযবুল বাহার। জিয়াউর রহমান এগুলো করেছিলো। সরকার কোনও মুসলমানকে মদের পারমিশন দেয়নি। বন্ধ করতে গেলেই আপনারাই (বিএনপি) চিল্লাচিল্লি করবেন। বলবেন, ফরেনারদের পারমিশন লাগবে।

তরিকম ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, হারুন সাহেবের সদস্য পদ আজই ছেড়ে দেওয়া উচিত। উনি বললেন, জিয়াউর রহমান মুসলমানদের মদ খাওয়ার পারমিশন দেননি। উনি দেখাক, আইনে কোথায় বলা আছে মুসলমানরা মদ খেতে পারবেন না। আইন এখানে এনে দেখাক। পদ ছেড়ে দিক।

পরে জাতীয় পার্টির সদস্য বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান বলেন, এখানে রাষ্ট্রীয় কিছু বিষয় আছে। বঙ্গবন্ধু লাইসেন্স দেননি। ২১ বছরে আইনকে মিসইউজ করে এটা করা হয়েছে। বিদেশিদের অ্যারেঞ্জমন্টের জন্য এটা করেছে। ক্লাবগুলোতে একজন ডাক্তার দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়, দৈনিক মদ খেতে হবে। তারপর লাইসেন্স নেওয়া হয়। বিএনপি এই লাইসেন্স দিয়েছিলো। এখন কোনও মুসলমান যদি মদ খায় সেখানে সরকারের কিছু করার নেই।

বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ রংপুরের ইসলামিক বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান।

পরীমণির মামলায় আটক জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিষয়ে রাঙ্গাঁ বলেন, পরীমণি অভিযোগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দোষী হলে অবশ্যই বিচার হবে।

ছবি

গার্মেন্টস খুলছে, ঢাকায় ফেরার ভিড়

ছবি

করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ও শনাক্ত জুলাইয়ে

ছবি

বিআইজিডির ‘স্টেট অব গভর্ন্যান্স ইন বাংলাদেশ ২০২০-২০২১” শীর্ষক রিপোর্ট প্রকাশ

ছবি

লকডাউন বাড়বে কিনা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ছবি

শ্রমিকদের জন্য ‍খুলে দেয়া হলো গণপরিবহন

ছবি

গ্রামে আটকে পড়া শ্রমিকদের চাকরি না হারানোর আশ্বাস দিল বিজিএমইএ

ছবি

প্রায় দেড় কোটি লোক টিকার আবেদন করেছেন

ছবি

রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলবে

বিধিনিষেধ বাড়িয়ে আসতে পারে শিথিলতা

ছবি

দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন মনিটরিং জরুরী

ছবি

করোনায় আরও ২১৮ জনের মৃত্যু

ছবি

বিধিনিষেধ বাড়ানো নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ছবি

অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় চালান আসছে বিকেলে

ছবি

পোশাক শ্রমিকেরা ছুটছেন ঢাকার দিকে, শিমুলিয়ায় ফেরিতে ভিড়

ছবি

দেশে করোনায় আরও ২১২ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩ হাজার ৮৬২

ছবি

সংসদ সদস্য আশরাফ মারা গেছেন

ছবি

নিম্নচাপ চলে গেছে ভারতে, কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

ছবি

কঠোর লকডাউন বাড়ানোর সুপারিশ

ছবি

ঈদযাত্রায় ২৬২ দুর্ঘটনায় ২৯৫ জন নিহত, ৪৮৮ জন আহত

ছবি

খতিয়ান নিয়ে এসি ল্যান্ডদের প্রতি জরুরী নির্দেশনা জারি

ছবি

চীন থেকে এলো সিনোফার্মের ৩০ লাখ টিকা

ছবি

সম্পাদক পরিষদ সরাসরি নঈম নিজামের বক্তব্য শুনতে চায়

ছবি

দেশে করোনায় আরও ২৩৯ মৃত্যু

ছবি

বয়স ২৫ হলেই নিতে পারবেন করোনার টিকা

ছবি

শোকাহত মেয়র আইভীর পাশে মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী

ছবি

লঘুচাপে অব্যাহত থাকবে ভারি বৃষ্টি

ছবি

দাম বাড়ল এলপিজির, ১ আগস্ট থেকে কার্যকর

ছবি

বাঘ রক্ষায় কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ

ছবি

গণপরিবহন চালু হলে ট্রেনও চলবে

ছবি

ঢিলেঢালা, গণপরিবহন ছাড়া সব চলছে

ছবি

শনাক্ত রোগীদের চিকিৎসায় হিমশিমে

ছবি

দেড়শ’ কোটি টাকার প্রকল্প, কপোতাক্ষ নদের উপর ভুল নকশায় ব্রিজ

ছবি

মাদকের মামলায় ৪ নাইজেরিয়ান কারাগারে

ছবি

লকডাউনে বাইরে বের হয়ে গ্রেপ্তার ৫৬২, জরিমানা দেড় লাখ

ছবি

দেশে করোনায় মৃত্যু ২০ হাজার ছাড়াল

ছবি

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন

tab

জাতীয়

ক্লাব, মদ ও জুয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত বিতর্ক

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট
image

বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১

চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমণির অভিযোগের ভিত্তিতে আলোচনায় আসা বোট ক্লাবসহ রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবে মদ, জুয়া ও অপকর্ম নিয়ে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পরীমণির ঘটনার সূত্র ধরে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনার সূত্রপাত ঘটালেও তাতে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য দলের এমপিরা অংশ নেন। এসময় মদের অনুমোদন নিয়ে পরস্পরের ওপর দোষারোপ করা হয়। এর প্রেক্ষাপটে আলোচনায় কিছুক্ষণের জন্য সংসদ সরব হয় ওঠে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বিএনপির হারুনুর রশীদ, তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী এবং বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ আলোচনায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

চুন্নু আলোচনার শুরুতে বলেন, কয়েকদিন যাবত একজন চিত্রনায়িকার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি উত্তরা বোট ক্লাব। কে করলো এই ক্লাব? এই ক্লাবের সদস্য কারা হয়। শুনেছি ৫০-৬০ লাখ টাকা দিয়ে এর সদস্য হতে হয়। এত টাকা দিয়ে কারা এর সদস্য হয়? আমরাতো ভাবতেই পারি না। সারাজীবন এত ইনকামও করি না।

রাজধানীর কয়েকটি ক্লাবের নাম উল্লেখ করে সাবেক প্রতিমন্ত্রী চুন্নু বলেন, এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়। জুয়া খেলা হয়। বাংলাদেশে মদ খেতে হলে লাইসেন্স লাগে। সেখানে গ্যালন গ্যালন মদ বিক্রি হয়। লাইসেন্স নিয়ে খেতে হলে এত মদতো বিক্রি হওয়ার কথা নয়। সরকারি কর্মকর্তারা এখানে কীভাবে সদস্য হয়? এত টাকা কোথা থেকে আসে?

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ডিজে পার্টি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে তিনি বলেন, গুলশান-বারিধারা এলাকায় ডিজে পার্টি হয়। সেখানে ড্যান্স হয়। মদ খাওয়া হয়। এসব আমাদের আইনে নেই, সংস্কৃতিতে নেই, ধর্মে নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন কেন এসব হচ্ছে? কেন বন্ধ করা হবে না? ওইসব ক্লাবের সদস্য কারা হয়? পরীমণির যে ঘটনা সেটা বোট ক্লাবে। ওই জায়গার একজন মালিক আছে। তিনি যেতেও পারে না। এসব দেখতে হবে।

চুন্নুর বক্তব্যের পর শেখ সেলিম ফ্লোর নিয়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে মদ ও জুয়ার লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, এতো বোট ক্লাব, জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলো। বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলো। জিয়াউর রহমান আবার চালু করেছিলো। যারা অপরাধের শুরু করেছে তাদের আগে বিচার করা উচিত। ওখান থেকে ধরতে হবে।

বিএনপির হারুনুর রশীদ এসময় স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমাদের বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য একটি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সিনিয়র এক সদস্য (শেখ সেলিম) কোথায় চলে গেলেন? বাংলাদেশে অনেক বিদেশি থাকেন। এ ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষদের জন্য, ডোমদের জন্য মদের বৈধতা আছে। কোনও মুসলমানের জন্য আইনে অনুমতি নেই। জিয়াউর রহমান যদি মুসলমানদের মদের লাইসেন্স দিয়ে থাকেন যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি সদস্য পদ ছেড়ে দেবো।

তিনি বলেন, এই সব ক্লাবে মদের ব্যবসার সঙ্গে সরকারি লোক জড়িত। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। পুলিশ এসব জায়গা থেকে টাকা নেয়। প্রধানমন্ত্রী কোনও দলের নয়, উনি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। এসব খুঁজে দেখা হোক।

হারুনের বক্তব্যের পর শেখ সেলিম আবারও ফ্লোর নেন। তিনি বলেন, লাকী খানের ঝাকি নাচের কথা কী ভুলে গেলেন? হিযবুল বাহার। জিয়াউর রহমান এগুলো করেছিলো। সরকার কোনও মুসলমানকে মদের পারমিশন দেয়নি। বন্ধ করতে গেলেই আপনারাই (বিএনপি) চিল্লাচিল্লি করবেন। বলবেন, ফরেনারদের পারমিশন লাগবে।

তরিকম ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, হারুন সাহেবের সদস্য পদ আজই ছেড়ে দেওয়া উচিত। উনি বললেন, জিয়াউর রহমান মুসলমানদের মদ খাওয়ার পারমিশন দেননি। উনি দেখাক, আইনে কোথায় বলা আছে মুসলমানরা মদ খেতে পারবেন না। আইন এখানে এনে দেখাক। পদ ছেড়ে দিক।

পরে জাতীয় পার্টির সদস্য বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান বলেন, এখানে রাষ্ট্রীয় কিছু বিষয় আছে। বঙ্গবন্ধু লাইসেন্স দেননি। ২১ বছরে আইনকে মিসইউজ করে এটা করা হয়েছে। বিদেশিদের অ্যারেঞ্জমন্টের জন্য এটা করেছে। ক্লাবগুলোতে একজন ডাক্তার দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়, দৈনিক মদ খেতে হবে। তারপর লাইসেন্স নেওয়া হয়। বিএনপি এই লাইসেন্স দিয়েছিলো। এখন কোনও মুসলমান যদি মদ খায় সেখানে সরকারের কিছু করার নেই।

বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ রংপুরের ইসলামিক বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান।

পরীমণির মামলায় আটক জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিষয়ে রাঙ্গাঁ বলেন, পরীমণি অভিযোগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দোষী হলে অবশ্যই বিচার হবে।

back to top