alt

জাতীয়

ক্ষমতাসীন দল চায় তারা যা বলবে পুলিশ তাই করবে : সাবেক আইজিপি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : শনিবার, ২৮ মে ২০২২

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক শক্তি ও আমলাতন্ত্র- এরা কখনো পুলিশের পরিবর্তন চাইবে না। এ দেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল চায়, তারা যা বলবে, পুলিশ তাই করবে। শনিবার (২৮ মে) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে নিজের লেখা ‘পুলিশ জীবনের স্মৃতি : স্বৈরাচার পতন থেকে জঙ্গি দমন’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা মনে করে, পুলিশ তাদের নিজের সম্পদ। সংসদ সদস্য চান, তিনি যা বলবেন, ওসি (থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সেটাই করবেন। এসব চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে কাজ করা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। আমি রাজনৈতিক অপশক্তির কাছে কখনো মাথা নত করিনি। আমি চেয়ার ধরে চাকরি করিনি। বদলি হয়েছে, চলে গিয়েছি। চাকরিতে থাকা অবস্থায় মৌলভীবাজারে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিছপা হইনি। তবে আমার মতো তো সবাই পারবে না। এজন্য একটা সিস্টেম বা পদ্ধতি চালু করা উচিত, যাতে পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে।

বিচারব্যবস্থা নিয়ে শহীদুল হক বলেন, ‘বিচারব্যবস্থার একটি অংশ পুলিশ। তারা যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে না পারে তাহলে ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেম (অপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা) কখনো কার্যকর হবে না। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে না পারে তাহলে সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভব নয়। প্রথম রায়টা তো পুলিশ দিয়ে দিয়েছে যে, ঘটনা সত্য না মিথ্যা। পুলিশকে ঢেলে সাজানোর কথা বলা হয়। তবে এটা রাজনৈতিক কথা, কিভাবে ঢেলে সাজাতে হয় সেটা আমি জানি না।’

সাবেক এই পুলিশপ্রধান আরও বলেন, পুলিশকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হলে আইনের সংস্কার প্রয়োজন। আমি দায়িত্বে থাকাকালে ২০১৭ সালে উদ্যোগ নিয়েছিলাম কিন্তু তা আর হয়নি। সেখানে পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাব যেমন ছিল, তেমনি পুলিশ কমপ্লেইন (অভিযোগ) কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব ছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ থাকে একটি স্বাধীন স্বতন্ত্র সংস্থা সেটা তদন্ত করবে। কিন্তু সেটা হয়নি আমলাদের কারণে। আর রাজনীতিকরা তো চাইবেই না। যদি রাজনৈতিক ও আমলাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না ঘটে তাহলে সুশাসন যে কথাটা সেটা শুধু স্লোগানের মধ্যেই থাকবে।

পুলিশকে অনেক বৈরী পরিবেশের মধ্যে কাজ করতে হয় জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই পুলিশের সেবা চায় কিন্তু কেউ পুলিশকে পছন্দ করে না। পুলিশকে ভয় পায় কিন্তু পুলিশকে ভালো জানে না। আমি বইতে লিখেছি, বাতাসের মধ্যে বসবাস করি বলে অক্সিজেনের অভাব অনুভব করি না। তেমনি সমাজে পুলিশ আছে বলে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। সরকার যদি ঘোষণা দেয় দুই ঘণ্টার জন্য পুলিশের কোন কার্যক্রম থাকবে না, তাহলে দেশে কি পরিস্থিতি হবে সেটা আমরা অনুভব করি না। পুলিশকে বুঝতে হলে পুলিশের কাছে যেতে হবে। পুলিশকে আস্থায় নিতে হবে। সেই সঙ্গে পুলিশকেও প্রচলিত ঔপনিবেশিক মনমানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দুটোরই পরিবর্তন দরকার। বইটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন। তিনি বলেন, বইটিতে লেখক পুলিশ জীবনের স্মৃতি বললেও তার শৈশব, কৈশোর জীবনে শ্যামল বাংলার গ্রামে কীভাবে কাটিয়েছেন সেটাও উল্লেখ করেছেন। আমাদের শিশুদের জন্য বইটিতে একটি চমৎকার অধ্যায় রয়েছে।

অনুষ্ঠানের আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, একটা কঠিন সময়ে লেখক দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের দেশে অতীত বর্তমান সবসময়ই দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিরোধী দলকে চাপে রাখার নীতি গ্রহণ করে। তিনি আরও বলেন, আইনের বেড়াজালে পুলিশকে কাজ করতে হয়। লেখক তার দীর্ঘ কর্মজীবনে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কি ধরনের পরিবেশে কাজ করেছেন সেটা তুলে ধরেছেন। সাধারণ মানুষ পুলিশ দেখলে নিরাপদ বোধ করে এই যে ধারণা সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে লেখক সেটি বইটিতে তুলে ধরেছেন। প্রকাশনা উৎসবে এ সময় আরও বক্তব্য দেন সাবেক আইজিপি মো. নুরুল হুদা, বইটির সম্পাদক রাখাল রাহা, কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কবি কামাল চৌধুরী ও দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দীন।

ছবি

বাজেট পাস হচ্ছে আজ

ছবি

‘পদ্মা সেতুর’ দুই প্রান্তে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ছবি

নরসিংদীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় ৪ জনের মৃত্যু

ছবি

মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ : ইউনূস সেন্টারের জবাব

ছবি

‘খরচের’ চেয়ে কম দামে পাঠ্যপুস্তক ছাপতে চায় মুদ্রাকররা!

ছবি

মোটরবাইক বন্ধ করা ঠিক নয়, তবে নিয়ম ভঙ্গকারীদের জন্য অভিনব শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে : ড. বসুনিয়া

নড়াইলে শিক্ষক হেনস্তার ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যত টোল দিতে হবে

বাড়ছে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগী

ছবি

ষড়যন্ত্রের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণে দুই বছর দেরি: প্রধানমন্ত্রী

ছবি

২৪ ঘণ্টায় করোনার নতুন রোগী ২২৪১ জন

ছবি

শিক্ষক লাঞ্ছনায় কার দায়-গাফিলতি তদন্ত হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতে পাচার হওয়া ২৫ জন তরুণ-তরুণীকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে

পদ্মা সেতু সফলভাবে সম্পন্ন করায় অভিনন্দন সৌদি রাষ্ট্রদূতের

ছবি

হজে গেলেন ৪৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশী, মৃত্যু ৭

ছবি

‘ফাইজার’ এলে শিশুদের টিকা ‘জুলাইয়ের শেষে’

ছবি

সিলেটসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ফের বন্যা অবনতির আশঙ্কা

ছবি

তৃতীয় দিনে পদ্মা সেতুর আদায়কৃত টোল ১ কোটি ৯৪ লাখ

ছবি

ইউরোপে আশ্রয় চেয়েছেন ২০ হাজার বাংলাদেশি

ছবি

ঈদুল আজহা কবে, জানা যাবে বৃহস্পতিবার

ছবি

টোল দিতে হবে না পোস্তগোলা ব্রিজে

পদ্মা সেতু: ‘অপমানের’ ক্ষতিপূরণ দিতে বললেন মোমেন

ছবি

মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকসহ নতুন ৬ নির্দেশনা

ছবি

নড়াইলে শিক্ষক লাঞ্ছনা: জড়িতদের শাস্তি দাবি মানবাধিকার কমিশনের

ছবি

ইভিএম আলোচনা লিপিবন্ধ, সামর্থ্য দেখে সিদ্ধান্ত: সিইসি আউয়াল

ছবি

আবারো ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

ছবি

৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদেরকে শিগগিরই করোনা টিকা

ছবি

ইভিএমের ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ আওয়ামী লীগের

ছবি

করোনায় শনাক্ত ২০৮৭, মৃত্যু ৩

ছবি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে সেতু-উড়াল সড়ক নির্মাণ করুন: প্রধানমন্ত্রী

ছবি

শিশুদের টিকা নিতে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করতে হবে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ছবি

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন

ছবি

পদ্মা সেতু চালু : লঞ্চ মালিকরা এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন

ছবি

পদ্মা সেতুতে বাইক বন্ধের পর কমেছে টোল আদায়

ছবি

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪২ হাজার হজযাত্রী

দেশে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে

tab

জাতীয়

ক্ষমতাসীন দল চায় তারা যা বলবে পুলিশ তাই করবে : সাবেক আইজিপি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

শনিবার, ২৮ মে ২০২২

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক শক্তি ও আমলাতন্ত্র- এরা কখনো পুলিশের পরিবর্তন চাইবে না। এ দেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল চায়, তারা যা বলবে, পুলিশ তাই করবে। শনিবার (২৮ মে) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে নিজের লেখা ‘পুলিশ জীবনের স্মৃতি : স্বৈরাচার পতন থেকে জঙ্গি দমন’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা মনে করে, পুলিশ তাদের নিজের সম্পদ। সংসদ সদস্য চান, তিনি যা বলবেন, ওসি (থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সেটাই করবেন। এসব চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে কাজ করা অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। আমি রাজনৈতিক অপশক্তির কাছে কখনো মাথা নত করিনি। আমি চেয়ার ধরে চাকরি করিনি। বদলি হয়েছে, চলে গিয়েছি। চাকরিতে থাকা অবস্থায় মৌলভীবাজারে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিছপা হইনি। তবে আমার মতো তো সবাই পারবে না। এজন্য একটা সিস্টেম বা পদ্ধতি চালু করা উচিত, যাতে পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে।

বিচারব্যবস্থা নিয়ে শহীদুল হক বলেন, ‘বিচারব্যবস্থার একটি অংশ পুলিশ। তারা যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে না পারে তাহলে ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেম (অপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা) কখনো কার্যকর হবে না। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে না পারে তাহলে সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভব নয়। প্রথম রায়টা তো পুলিশ দিয়ে দিয়েছে যে, ঘটনা সত্য না মিথ্যা। পুলিশকে ঢেলে সাজানোর কথা বলা হয়। তবে এটা রাজনৈতিক কথা, কিভাবে ঢেলে সাজাতে হয় সেটা আমি জানি না।’

সাবেক এই পুলিশপ্রধান আরও বলেন, পুলিশকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হলে আইনের সংস্কার প্রয়োজন। আমি দায়িত্বে থাকাকালে ২০১৭ সালে উদ্যোগ নিয়েছিলাম কিন্তু তা আর হয়নি। সেখানে পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাব যেমন ছিল, তেমনি পুলিশ কমপ্লেইন (অভিযোগ) কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব ছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ থাকে একটি স্বাধীন স্বতন্ত্র সংস্থা সেটা তদন্ত করবে। কিন্তু সেটা হয়নি আমলাদের কারণে। আর রাজনীতিকরা তো চাইবেই না। যদি রাজনৈতিক ও আমলাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না ঘটে তাহলে সুশাসন যে কথাটা সেটা শুধু স্লোগানের মধ্যেই থাকবে।

পুলিশকে অনেক বৈরী পরিবেশের মধ্যে কাজ করতে হয় জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই পুলিশের সেবা চায় কিন্তু কেউ পুলিশকে পছন্দ করে না। পুলিশকে ভয় পায় কিন্তু পুলিশকে ভালো জানে না। আমি বইতে লিখেছি, বাতাসের মধ্যে বসবাস করি বলে অক্সিজেনের অভাব অনুভব করি না। তেমনি সমাজে পুলিশ আছে বলে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। সরকার যদি ঘোষণা দেয় দুই ঘণ্টার জন্য পুলিশের কোন কার্যক্রম থাকবে না, তাহলে দেশে কি পরিস্থিতি হবে সেটা আমরা অনুভব করি না। পুলিশকে বুঝতে হলে পুলিশের কাছে যেতে হবে। পুলিশকে আস্থায় নিতে হবে। সেই সঙ্গে পুলিশকেও প্রচলিত ঔপনিবেশিক মনমানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দুটোরই পরিবর্তন দরকার। বইটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন। তিনি বলেন, বইটিতে লেখক পুলিশ জীবনের স্মৃতি বললেও তার শৈশব, কৈশোর জীবনে শ্যামল বাংলার গ্রামে কীভাবে কাটিয়েছেন সেটাও উল্লেখ করেছেন। আমাদের শিশুদের জন্য বইটিতে একটি চমৎকার অধ্যায় রয়েছে।

অনুষ্ঠানের আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, একটা কঠিন সময়ে লেখক দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের দেশে অতীত বর্তমান সবসময়ই দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিরোধী দলকে চাপে রাখার নীতি গ্রহণ করে। তিনি আরও বলেন, আইনের বেড়াজালে পুলিশকে কাজ করতে হয়। লেখক তার দীর্ঘ কর্মজীবনে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কি ধরনের পরিবেশে কাজ করেছেন সেটা তুলে ধরেছেন। সাধারণ মানুষ পুলিশ দেখলে নিরাপদ বোধ করে এই যে ধারণা সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে লেখক সেটি বইটিতে তুলে ধরেছেন। প্রকাশনা উৎসবে এ সময় আরও বক্তব্য দেন সাবেক আইজিপি মো. নুরুল হুদা, বইটির সম্পাদক রাখাল রাহা, কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কবি কামাল চৌধুরী ও দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দীন।

back to top