alt

জাতীয়

সেতুর সমীক্ষা বন্ধ করে বিএনপি, এমডি পদের জন্য যড়যন্ত্র করে ড. ইউনূস : প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বুধবার, ২২ জুন ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এই সেতুর সমীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছিল। আর ব্যাংকের সামান্য এমডি পদের জন্য ড. ইউনূসও পদ্মা সেতু নিয়ে যড়যন্ত্র করেন।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর আমি ১৯৯৭ সালে জাপান সফর করি। পদ্মা ও রূপসা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করি। তারা (জাপান) রাজি হয়। ২০০১ সালে পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সমীক্ষার তথ্য আমাদের দেয়। সমীক্ষায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু নির্মাণের স্থান নির্বাচন করা হয়। ২০০১ সালের ৪ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আমি মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে আমরা সরকারে আসতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার মাওয়া প্রান্তে সেতু নির্মাণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং জাপান সরকারকে পুনরায় মানিকগঞ্জের আরিচা প্রান্তে পদ্মা সেতুর জন্য সমীক্ষা করতে বলে। দ্বিতীয়বার সমীক্ষার পর জাপান মাওয়া প্রান্তকেই নির্দিষ্ট করে সেতু নির্মাণের রিপোর্ট পেশ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৯ সালে আমরা আবার সরকারের দায়িত্বে এসে পদ্মা সেতু নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১১ সালে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করা হয়। এরপর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রের পেছনে কে বা কারা ছিল, তা বহুবার বলেছি।’

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিস্বার্থে বিশেষ এক ব্যক্তির উদ্যোগে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। পরে আরও কয়েকজন যুক্ত হয়েছে। দুর্নাম রটানো হয়, দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের একটি এমডি পদ একজনের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হয় কী করে! ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থের জন্য দেশের মানুষের কেউ ক্ষতি করতে পারে; এটা সত্যিই কল্পনার বাইরে ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ষড়যন্ত্রকারীরা ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অভ্যন্তরে একটি গ্রুপ ছিল, যারা অন্যায্যভাবে কিছু কিছু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল। বিশ্বব্যাংক একটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য করার লক্ষ্যে পরোক্ষ চাপ দিতে থাকে। রাজি হইনি। এর পর থেকেই তারা পদ্মা সেতুর কার্যক্রমে বাধা দিতে থাকে।

তিনি বলেন, দুদক তদন্ত করে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পায়নি। পরে কানাডার আদালতেও প্রমাণিত হয়, পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে পদ্মা সেতুর সমীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছিল। সব যড়যন্ত্র মোবাবিলা করে পদ্মা সেতু আজ বাস্তব।

ছবি

ইতিহাসের অংশ হতে পারার আনন্দে বিভোর

তিন ঘণ্টায় ঢাকা থেকে বরিশাল, দারুণ খুশি যাত্রীরা

ছবি

ঢাকার পাঁচটি এলাকায় মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রীকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন

বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

ছবি

করোনায় আতঙ্কিত না হলেও আমরা চিন্তিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি

করোনা: শনাক্তের হার বেড়ে ১৫.৬৬, মৃত্যু ২

ছবি

প্রথমধাপে ডিজিটাল সনদ-আইডি কার্ড পাচ্ছেন ৩৭ হাজারের বেশি মুক্তিযোদ্ধা

ছবি

কুমিল্লা সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অস্ট্রেলিয়া : সিইসি

ছবি

সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হচ্ছে

ছবি

নতুন প্রজন্মকে তৈরি হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

মোটরসাইকেল নিয়ে প্রথম পদ্মা সেতু পার হলেন আমিনুল ইসলাম

ছবি

বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ : বাইডেন

ছবি

বর্ণিল উৎসবে খুলল সম্ভাবনার দখিন দুয়ার

দক্ষিণাঞ্চলবাসীর ফেরিঘাটে জীবনের অর্ধেক সময় নষ্টের অবসান হলো

ছবি

আঞ্চলিক যোগাযোগের কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে বাংলাদেশ

বাঙালিদের ‘অপমানের প্রতিশোধ’ পদ্মা সেতু : ওবায়দুল কাদের

প্রমাণ হলো বাংলাদেশও পারে : শেখ হাসিনা

টোলের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর নির্মাণ খরচ উঠাতে ৩০ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে

ছবি

বন্যায় দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২

ছবি

পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলবে রোববার থেকে

ছবি

করোনা: একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত কমে ১২৮০

ছবি

আসেন দেখে যান, পদ্মা সেতু হয়েছে কিনা: খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী

ছবি

৫ মিনিটে পদ্মা পার!

ছবি

‘সর্বনাশা পদ্মা নদী’ গানে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ

ছবি

আজ কারও বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী

ছবি

সেতু নিয়ে পানি অনেক ঘোলা করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি

প্রধানমন্ত্রী মাকে নিয়ে সেলফি তুললেন পুতুল

ছবি

সেতুতে নামলেন প্রধানমন্ত্রী, দেখলেন ৩১ বিমানের ফ্লাইং ডিসপ্লে

ছবি

স্বপ্নের সেতুর দুয়ার খুললো বর্ণিল উৎসবে

ছবি

জাজিরা প্রান্তের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি

পরিবার ও তিন কর্মকর্তার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতা

ছবি

চট্টগ্রামে পদ্মা সেতুর রেপ্লিকা, নগরজুড়ে আয়োজন

ছবি

এক নজরে পদ্মা সেতু

ছবি

বাংলাদেশের বিশাল অর্জন পদ্মা সেতু : বিশ্ব ব্যাংক

ছবি

টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী

tab

জাতীয়

সেতুর সমীক্ষা বন্ধ করে বিএনপি, এমডি পদের জন্য যড়যন্ত্র করে ড. ইউনূস : প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বুধবার, ২২ জুন ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এই সেতুর সমীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছিল। আর ব্যাংকের সামান্য এমডি পদের জন্য ড. ইউনূসও পদ্মা সেতু নিয়ে যড়যন্ত্র করেন।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর আমি ১৯৯৭ সালে জাপান সফর করি। পদ্মা ও রূপসা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করি। তারা (জাপান) রাজি হয়। ২০০১ সালে পদ্মা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সমীক্ষার তথ্য আমাদের দেয়। সমীক্ষায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু নির্মাণের স্থান নির্বাচন করা হয়। ২০০১ সালের ৪ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আমি মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে আমরা সরকারে আসতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার মাওয়া প্রান্তে সেতু নির্মাণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং জাপান সরকারকে পুনরায় মানিকগঞ্জের আরিচা প্রান্তে পদ্মা সেতুর জন্য সমীক্ষা করতে বলে। দ্বিতীয়বার সমীক্ষার পর জাপান মাওয়া প্রান্তকেই নির্দিষ্ট করে সেতু নির্মাণের রিপোর্ট পেশ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৯ সালে আমরা আবার সরকারের দায়িত্বে এসে পদ্মা সেতু নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১১ সালে এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করা হয়। এরপর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রের পেছনে কে বা কারা ছিল, তা বহুবার বলেছি।’

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিস্বার্থে বিশেষ এক ব্যক্তির উদ্যোগে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। পরে আরও কয়েকজন যুক্ত হয়েছে। দুর্নাম রটানো হয়, দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের একটি এমডি পদ একজনের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হয় কী করে! ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থের জন্য দেশের মানুষের কেউ ক্ষতি করতে পারে; এটা সত্যিই কল্পনার বাইরে ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ষড়যন্ত্রকারীরা ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অভ্যন্তরে একটি গ্রুপ ছিল, যারা অন্যায্যভাবে কিছু কিছু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল। বিশ্বব্যাংক একটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য করার লক্ষ্যে পরোক্ষ চাপ দিতে থাকে। রাজি হইনি। এর পর থেকেই তারা পদ্মা সেতুর কার্যক্রমে বাধা দিতে থাকে।

তিনি বলেন, দুদক তদন্ত করে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পায়নি। পরে কানাডার আদালতেও প্রমাণিত হয়, পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে পদ্মা সেতুর সমীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছিল। সব যড়যন্ত্র মোবাবিলা করে পদ্মা সেতু আজ বাস্তব।

back to top