চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নবম আসরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান-ভারত। ‘এ’ গ্রুপে দু’দলের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। হার দিয়ে এবারের আসর শুরু করেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। টুর্নামেন্টে ভালোভাবে টিকে থাকতে হলে ভারতের বিপক্ষে জিততেই হবে পাকিস্তানকে। অন্যদিকে, নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয়ের স্বাদ পায় ভারত। জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়াই মূল লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার।
দুবাই স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৩টায়। পাকিস্তান সফরে নিজ সরকারের অনুমতি না থাকায় এ ম্যাচটি দুবাইয়ে খেলছে ভারতীয় ক্রিকেটদল।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে শুধুমাত্র আইসিসির ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি দু’দল। ২০০৮ সালে এশিয়া কাপের জন্য সর্বশেষ পাকিস্তান সফর করেছিল ভারতীয় দল। তাই আইসিসি ইভেন্টে এই ম্যাচ নিয়ে বিশ্বের লাখো ক্রিকেট ভক্তদের আগ্রহ, উন্মদনা থাকে আকাশ ছোঁয়া। বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে এ ম্যাচের সব টিকিটি শেষ হয়ে যায়।
আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানে হেরে যাওয়ায় চাপের মধ্যে থেকেই ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে পাকিস্তান। আট জাতির টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালের পথে টিকে থাকতে হলে ভারতকে হারাতে হবে পাকিস্তানকে।
পাকিস্তানকে হারানোর পাশাপাশি রান রেট ভালো থাকায় এই গ্রুপে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করায় নিউজিল্যান্ডের সমান ২ পয়েন্ট আছে ভারতের। কিন্তু রান রেটে পিছিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে টিম ইন্ডিয়া। টেবিলের তৃতীয়স্থানে আছে বাংলাদেশ এবং চতুর্থস্থানে আছে পাকিস্তান। গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে খেলবে।
ভারতের বিপক্ষে জয় ছাড়া অন্যকিছুই ভাবছে না পাকিস্তান। দলের ব্যাটার সালমান আগা বলেন, ‘আমাদের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে জয় ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। ভারত শক্তিশালী দল। তাদের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে আমাদের। জয়ের লক্ষ্য নিয়েই আমরা মাঠে নামবো।’
সালমান আরও বলেন, ‘বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে জিততে চাইলে এবং বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে একটি হতে চাইলে আমাদের ধারাবাহিকতা আনতে হবে। আমরা এক ম্যাচে ভালো, অন্য ম্যাচে খারাপ খেললে চলবেনা।’
ভারত ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা পাকিস্তান শিবিরে। ইনজুরির কারণে পুরো আসর থেকে ছিটকে গেছেন বাঁ-হাতি ব্যাটার ফখর জামান। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ফখরের সেঞ্চুরির সুবাদে ভারতকে ১৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারায় পাকিস্তান। ফখরের বদলি হিসেবে দলে ডাক পেয়েছেন আরেক বাঁ-হাতি ব্যাটার ইমাম-উল-হক।
ওয়ানডে ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ভারত সর্বশেষ হেরেছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই।
এরপর ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই জিতেছে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়।
২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে আহমেদাবাদে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল পাকিস্তান-ভারতের। ঐ ম্যাচে স্বাগতিক ভারত ৭ উইকেটে জয় পেয়েছিল। ভারতের কাছে হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যাবে পাকিস্তান। ১৯৯৬ সালে ভারত ও শ্রীলংকার সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের পর এই প্রথম আইসিসি ইভেন্টে স্বাগতিক হবার সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান।
দুবাইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওপেনার শুভমান গিলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২১ বল বাকি রেখে ২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতে ভারত। বল হাতে পেসার মোহাম্মদ সামি ৫৩ রানে ৫ উইকেট শিকারের পর ব্যাট হাতে অপরাজিত ১০১ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন গিল।
ওয়ানডেতে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে দারুণ ছন্দে আছেন তিনি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলেই সেমিফাইনালের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে ভারত। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে সামি বলেন, ‘পাকিস্তান ম্যাচ আমাদের জন্য বড় পরীক্ষা। এ ম্যাচে কোনো কিছুই সহজে হবে না। দলের সবাইকে সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এ ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’
তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি ভালো খেললে সেটি ধরে রাখা উচিত। আমার মনে হয় না, আইসিসি টুর্নামেন্ট বা কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করার দরকার আছে। ধারাবাহিক থাকতে পারলে সাফল্য আসবেই।’
ভারতের চেয়ে এগিয়ে পাকিস্তান
ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত ১৩৫ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান ও ভারত। এর মধ্যে পাকিস্তানের জয় ৭৩টিতে, ভারতের জয় ৫৭টিতে। ৫টি পরিত্যক্ত হয়।
কিন্তু সর্বশেষ ১৫ ম্যাচ বিবেচনায় এগিয়ে ভারত। ১০টিতে জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। পাকিস্তানের জয় ৪টিতে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। এছাড়া সর্বশেষ ৬ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জয় আছে ভারত।
শেষ ১৫ লড়াই
২০১২ : ভারত ৬ উইকেটে জয়ী, মিরপুর
২০১২ : পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী, চেন্নাই
২০১৩ : পাকিস্তান ৮৫ রানে জয়ী, কলকাতা
২০১৩ : ভারত ১০ রানে জয়ী, দিল্লি
২০১৩ : ভারত ৮ উইকেটে জয়ী, বার্মিংহাম
২০১৪ : পাকিস্তান ১ উইকেটে জয়ী, ঢাকা
২০১৫ : ভারত ৭৬ রানে জয়ী, অ্যাডিলেড
২০১৭ : ভারত ১২৪ রানে জয়ী, বার্মিংহাম
২০১৭ : পাকিস্তান ১৮০ রানে জয়ী, ওভাল
২০১৮ : ভারত ৮ উইকেটে জয়ী, দুবাই
২০১৮ : ভারত ৯ উইকেটে জয়ী, দুবাই
২০১৯ : ভারত ৮৯ রানে জয়ী, ম্যানচেস্টার
২০২৩ : ভারত ২২৮ রানে জয়ী, কলম্বো
২০২৩ : ভারত ৭ উইকেটে জয়ী, আহমেদাবাদ
শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নবম আসরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান-ভারত। ‘এ’ গ্রুপে দু’দলের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। হার দিয়ে এবারের আসর শুরু করেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। টুর্নামেন্টে ভালোভাবে টিকে থাকতে হলে ভারতের বিপক্ষে জিততেই হবে পাকিস্তানকে। অন্যদিকে, নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দারুণ জয়ের স্বাদ পায় ভারত। জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়াই মূল লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার।
দুবাই স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৩টায়। পাকিস্তান সফরে নিজ সরকারের অনুমতি না থাকায় এ ম্যাচটি দুবাইয়ে খেলছে ভারতীয় ক্রিকেটদল।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে শুধুমাত্র আইসিসির ইভেন্টেই মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি দু’দল। ২০০৮ সালে এশিয়া কাপের জন্য সর্বশেষ পাকিস্তান সফর করেছিল ভারতীয় দল। তাই আইসিসি ইভেন্টে এই ম্যাচ নিয়ে বিশ্বের লাখো ক্রিকেট ভক্তদের আগ্রহ, উন্মদনা থাকে আকাশ ছোঁয়া। বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে এ ম্যাচের সব টিকিটি শেষ হয়ে যায়।
আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানে হেরে যাওয়ায় চাপের মধ্যে থেকেই ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে পাকিস্তান। আট জাতির টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালের পথে টিকে থাকতে হলে ভারতকে হারাতে হবে পাকিস্তানকে।
পাকিস্তানকে হারানোর পাশাপাশি রান রেট ভালো থাকায় এই গ্রুপে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করায় নিউজিল্যান্ডের সমান ২ পয়েন্ট আছে ভারতের। কিন্তু রান রেটে পিছিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে টিম ইন্ডিয়া। টেবিলের তৃতীয়স্থানে আছে বাংলাদেশ এবং চতুর্থস্থানে আছে পাকিস্তান। গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে খেলবে।
ভারতের বিপক্ষে জয় ছাড়া অন্যকিছুই ভাবছে না পাকিস্তান। দলের ব্যাটার সালমান আগা বলেন, ‘আমাদের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে জয় ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। ভারত শক্তিশালী দল। তাদের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে আমাদের। জয়ের লক্ষ্য নিয়েই আমরা মাঠে নামবো।’
সালমান আরও বলেন, ‘বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে জিততে চাইলে এবং বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে একটি হতে চাইলে আমাদের ধারাবাহিকতা আনতে হবে। আমরা এক ম্যাচে ভালো, অন্য ম্যাচে খারাপ খেললে চলবেনা।’
ভারত ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা পাকিস্তান শিবিরে। ইনজুরির কারণে পুরো আসর থেকে ছিটকে গেছেন বাঁ-হাতি ব্যাটার ফখর জামান। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ফখরের সেঞ্চুরির সুবাদে ভারতকে ১৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারায় পাকিস্তান। ফখরের বদলি হিসেবে দলে ডাক পেয়েছেন আরেক বাঁ-হাতি ব্যাটার ইমাম-উল-হক।
ওয়ানডে ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ভারত সর্বশেষ হেরেছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই।
এরপর ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই জিতেছে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়।
২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে আহমেদাবাদে সর্বশেষ দেখা হয়েছিল পাকিস্তান-ভারতের। ঐ ম্যাচে স্বাগতিক ভারত ৭ উইকেটে জয় পেয়েছিল। ভারতের কাছে হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যাবে পাকিস্তান। ১৯৯৬ সালে ভারত ও শ্রীলংকার সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের পর এই প্রথম আইসিসি ইভেন্টে স্বাগতিক হবার সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান।
দুবাইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওপেনার শুভমান গিলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২১ বল বাকি রেখে ২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতে ভারত। বল হাতে পেসার মোহাম্মদ সামি ৫৩ রানে ৫ উইকেট শিকারের পর ব্যাট হাতে অপরাজিত ১০১ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন গিল।
ওয়ানডেতে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করে দারুণ ছন্দে আছেন তিনি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলেই সেমিফাইনালের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে ভারত। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে সামি বলেন, ‘পাকিস্তান ম্যাচ আমাদের জন্য বড় পরীক্ষা। এ ম্যাচে কোনো কিছুই সহজে হবে না। দলের সবাইকে সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এ ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’
তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি ভালো খেললে সেটি ধরে রাখা উচিত। আমার মনে হয় না, আইসিসি টুর্নামেন্ট বা কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করার দরকার আছে। ধারাবাহিক থাকতে পারলে সাফল্য আসবেই।’
ভারতের চেয়ে এগিয়ে পাকিস্তান
ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত ১৩৫ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান ও ভারত। এর মধ্যে পাকিস্তানের জয় ৭৩টিতে, ভারতের জয় ৫৭টিতে। ৫টি পরিত্যক্ত হয়।
কিন্তু সর্বশেষ ১৫ ম্যাচ বিবেচনায় এগিয়ে ভারত। ১০টিতে জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। পাকিস্তানের জয় ৪টিতে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। এছাড়া সর্বশেষ ৬ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জয় আছে ভারত।
শেষ ১৫ লড়াই
২০১২ : ভারত ৬ উইকেটে জয়ী, মিরপুর
২০১২ : পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী, চেন্নাই
২০১৩ : পাকিস্তান ৮৫ রানে জয়ী, কলকাতা
২০১৩ : ভারত ১০ রানে জয়ী, দিল্লি
২০১৩ : ভারত ৮ উইকেটে জয়ী, বার্মিংহাম
২০১৪ : পাকিস্তান ১ উইকেটে জয়ী, ঢাকা
২০১৫ : ভারত ৭৬ রানে জয়ী, অ্যাডিলেড
২০১৭ : ভারত ১২৪ রানে জয়ী, বার্মিংহাম
২০১৭ : পাকিস্তান ১৮০ রানে জয়ী, ওভাল
২০১৮ : ভারত ৮ উইকেটে জয়ী, দুবাই
২০১৮ : ভারত ৯ উইকেটে জয়ী, দুবাই
২০১৯ : ভারত ৮৯ রানে জয়ী, ম্যানচেস্টার
২০২৩ : ভারত ২২৮ রানে জয়ী, কলম্বো
২০২৩ : ভারত ৭ উইকেটে জয়ী, আহমেদাবাদ