রাশিয়ার জাতীয় ফুটবল দল বা কোনো ক্লাব খেলতে পারছে না ফিফা ও উয়েফার প্রতিযোগিতায়
ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হলেই রাশিয়াকে আবার বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। যুদ্ধ শেষ হওয়ার জন্য সবাইকে প্রার্থনা করতে বললেন বিশ্ব ফুটবলের প্রধান। ২০২২ সালে ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকেই রাশিয়াকে ফুটবল আঙিনা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। ফিফা ও উয়েফার কোনো প্রতিযোগিতায় তাদের জাতীয় দলকে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হচ্ছে না। রাশিয়ার কোনো ক্লাবও খেলতে পারছে না ইউরোপিয়ান বা বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্টে।
সার্বিয়ার বেলগ্রেডে বৃহস্পতিবার উয়েফার কংগ্রেসে ফিফা সভাপতি বলেন, যুদ্ধ শেষ হলেই রাশিয়াকে আবার ফুটবলে দেখা যাবে।
‘ইউক্রেনে শান্তির আলোচনা চলছে। আশা করি, শিগগিরই আমরা পরের ধাপে যেতে পারব এবং রাশিয়াকে বিশ্ব ফুটবলের দৃশ্যপটে ফেরাতে পারব, কারণ এর মানে, সব সমস্যারই সমাধান হয়ে যাবে।’
‘সেটিকেই স্বাগত জানাতে হবে আমাদের, সেটির জন্যই প্রার্থনা করতে হবে আমাদের। কারণ, ফুটবল মানে এসবই। ফুটবল মানে বিভাজন নয়, ফুটবল মানে ছেলে হোক বা মেয়ে, বা যে যেখানে থাকুক, সবাইকে একতাবদ্ধ করা।’
ফিফা সভাপতির কণ্ঠের প্রতিধ্বনি ফুটে উঠল উয়েফা প্রধান আলেকসান্দের চেফেরিনের কথায়।
‘যখনই যুদ্ধ শেষ হবে, রাশিয়কে আবার ফেরানো হবে।’
রাশিয়ার জাতীয় ফুটবল দল বা কোনো ক্লাব খেলতে পারছে না ফিফা ও উয়েফার প্রতিযোগিতায়
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হলেই রাশিয়াকে আবার বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। যুদ্ধ শেষ হওয়ার জন্য সবাইকে প্রার্থনা করতে বললেন বিশ্ব ফুটবলের প্রধান। ২০২২ সালে ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকেই রাশিয়াকে ফুটবল আঙিনা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। ফিফা ও উয়েফার কোনো প্রতিযোগিতায় তাদের জাতীয় দলকে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হচ্ছে না। রাশিয়ার কোনো ক্লাবও খেলতে পারছে না ইউরোপিয়ান বা বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্টে।
সার্বিয়ার বেলগ্রেডে বৃহস্পতিবার উয়েফার কংগ্রেসে ফিফা সভাপতি বলেন, যুদ্ধ শেষ হলেই রাশিয়াকে আবার ফুটবলে দেখা যাবে।
‘ইউক্রেনে শান্তির আলোচনা চলছে। আশা করি, শিগগিরই আমরা পরের ধাপে যেতে পারব এবং রাশিয়াকে বিশ্ব ফুটবলের দৃশ্যপটে ফেরাতে পারব, কারণ এর মানে, সব সমস্যারই সমাধান হয়ে যাবে।’
‘সেটিকেই স্বাগত জানাতে হবে আমাদের, সেটির জন্যই প্রার্থনা করতে হবে আমাদের। কারণ, ফুটবল মানে এসবই। ফুটবল মানে বিভাজন নয়, ফুটবল মানে ছেলে হোক বা মেয়ে, বা যে যেখানে থাকুক, সবাইকে একতাবদ্ধ করা।’
ফিফা সভাপতির কণ্ঠের প্রতিধ্বনি ফুটে উঠল উয়েফা প্রধান আলেকসান্দের চেফেরিনের কথায়।
‘যখনই যুদ্ধ শেষ হবে, রাশিয়কে আবার ফেরানো হবে।’