alt

উপ-সম্পাদকীয়

জলাশয় রক্ষায় নজর দিন

আর কে চৌধুরী

: রোববার, ২৬ মে ২০২৪

গরমের দাপট বেড়েছে। গত মাসে তাপমাত্রা উঠেছে ৪০ ডিগ্রির উপরে। তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকে মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। নানা অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে অনেক মানুষ। এরকম পরিস্থিতিতে সুস্থ থাকার জন্য সবাইকে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শ্রমজীবী মানুষকে তো কাজে বেরোতেই হবে। তারা যতটা সম্ভব রোদ বাঁচিয়ে কাজ করতে পারলে ভালো। শরীরে যেন জলশূন্যতা সৃষ্টি না হয় সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরির প্রচারণা প্রয়োজন। শিল্পায়ন ও নগরায়ণের জেরে বিশ্বজুড়েই পরিবেশের সংকট দেখা দিয়েছে। ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। প্রকৃতি এত বিরাট এবং ব্যাপক আর তার শক্তি এতটাই সর্বপ্লাবিত যে, মানুষের সব প্রচেষ্টাই তাতে খড়কুটোর মতো ভেসে যায়। প্রকৃতির তা-বে বিধ্বস্ত বিপর্যস্ত হয় জ্ঞান-গরিমায়, ধনে-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ সব উন্নত দেশও। প্রকৃতির রুদ্ররূপ থেকে রক্ষা পেতে সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রচুর গাছ লাগিয়ে বিস্তৃত বনভূমি গড়ে তুলতে হবে। জলাশয় রক্ষা এবং নতুন জলাধার সৃষ্টি করতে হবে। রুষ্ট প্রকৃতিকে নানাভাবে শীতলতার পরশ দিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনতে এগুলো কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে।

দুই হাজার বছরে এমন গরম দেখেনি বিশ্ব। উত্তর গোলার্ধে দূর অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ২০২৩-এর গ্রীষ্ম বেশি গরম ছিল। গবেষণা বলছে, এবারের গ্রীষ্ম গত বছরের উষ্ণতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। এলনিনো আবহাওয়া চক্রের সঙ্গে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্ব উত্তপ্ত হতে থাকায় এমনটা হচ্ছে বলে গবেষকদের ধারণা। এর প্রভাবে অস্বাভাবিক গরম ও খরা; অসময়ে বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। আশঙ্কা শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশেও এর আঘাত আসতে পারে, আসছেও। তার কিছু আলামত ইতোমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দাবদাহের প্রচ- গরমে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরম বেশি পড়ছে, এটি সত্য হলেও অন্যান্য বাস্তবতাও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তাপ শোষণকারী উপাদানের অভাব ঘটেছে প্রকৃতিতে। আর এ জন্যে আমরাই দায়ী। আমরা খালবিল নদীনালা ভরাট করেছি। ফলে জলীয় বাষ্পের ঘাটতিতে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে চলেছে। এ কারণে আরও বেশি করে গরম অনুভূত হচ্ছে। গাছ কেটে ফেলা আরও একটি আত্মঘাতী কর্মকা-। ফলে সুশীতল ছায়ার আধার আমরা হারিয়ে ফেলেছি। বড় সড়কের পাশের গাছ কেটে ফেলায় পিচঢালা পথ আগুনের মতো তেতে উঠছে সূর্যের আলোয়। তাপমাত্রা বাড়ছে প্রকৃতিতে। রাস্তার দু’ধারে আগের মতো গাছ থাকলে মানুষ গরমে এত বেশি কষ্ট পেত না।

গরমের মধ্যে ঢাকাসহ অনেক জায়গায় লোডশেডিং বেড়েই চলেছে। মানুষ যেখানে ফ্যানের নিচে থেকেও ঘামছেন, সেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলে কতটা কষ্ট পোহাতে হয়, সেটি ভুক্তভোগীমাত্রই জানেন। বিদ্যুতের অভাবে জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। আধুনিক জীবন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। এমনকি গ্রামাঞ্চল। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় তীব্র গরমে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় এসির ব্যবহারও বাড়ছে। এসি কক্ষকে শীতল রাখছে, এতে সন্দেহ নেই। অন্যদিকে বায়ুম-লে সেটি উষ্ণ বাতাস ছড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলেও তাপমাত্রা বাড়ছে।

বিদ্যুৎ বিতরণে সংকট থাকলে পানির হাহাকারও শুরু হয়। পানি উৎপাদন ও সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে। ঢাকার কয়েকটি এলাকায় তীব্র পানি সংকটও রয়েছে। প্রয়োজনীয় পানি না পাওয়া গেলে জীবন স্থবির ও বিপন্ন হয়ে পড়ে।

তীব্র গরমে কারণে নাজেহাল হচ্ছে জনজীবন। তীব্র গরমে দেশব্যাপী হাজার হাজার দিনমজুর কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তীব্র গরমে মধ্যে দেখা দিয়েছে লোডশেডিং। লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের জীবন আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্করাই বেশি কষ্ট ভোগ করে এবং স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়ে থাকে। এ সময়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা চাই। খাবার, পোশাক এবং চলাচলÑ এ তিনটি বিষয়ে সচেতনতা অবলম্বন করলে অসুস্থতা রোধ করা যাবে। সাদা রঙের হালকা ও সংক্ষিপ্ত পোশাক পরার কথা বলেন ডাক্তাররা। খাওয়ার বিষয়ে বলেন টাটকা খাবার খেতে। বাসি কিংবা সামান্য নষ্ট হওয়া খাবার খাওয়া যাবে না। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

প্রয়োজনে অল্প লবণমিশ্রিত পানি পান করা যেতে পারে। ডাবের পানিও উপকারী। তরমুজও পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর। তরমুজসহ রসালো ফল খাওয়া যেতে পারে। রোদের ভেতরে বাইরে যাওয়া হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। এতে অনেক সময় বয়স্ক ব্যক্তির জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যায়। রোদে যেতে বাধ্য হলে মাথায় কাপড় বা ছাতি ব্যবহার আবশ্যক।

মনুষ্যসৃষ্ট সমস্যা ও অপরিণামদর্শী কর্মকা- এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশে মরুভূমির মতো যে গরম পড়েছে, তা থেকে আগামী দিনগুলোতে রেহাই পেতে হলে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিতে হবে। সেই সঙ্গে নদীনালা খালবিল সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের তৎপর হতে হবে।

[লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক]

দূর হোক মনের পশুত্ব

মনের পশুত্বের প্রতীকী ত্যাগের আরেক নাম কোরবানি

ঈদে সুস্থ খাদ্যাভ্যাস

এমআইটি : প্রযুক্তির সৃষ্টি রহস্যের খোঁজ

কবিগুরুর বাণী ‘প্রমাণিত মিথ্যা’

কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধ হবে কিভাবে

কানিহাটি সিরিজ এবং পঞ্চব্রীহি নিয়ে আরও কিছু কথা

কলকাতায় হিজাব বিতর্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে বিতর্ক

হাতের শক্তি ও মহিমা

বাজেট বাস্তবায়নই আসল চ্যালেঞ্জ

ছবি

কেন মেঘ আসে হৃদয় আকাশে

সংখ্যালঘুদের সম্পদ লুটেরাদের বিচার কি হবে

বাজেট ভাবনায় শঙ্কিত যারা

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও বৈষম্যে

জ্ঞানই শক্তি

পরিবেশ নিয়ে কিছু কথা

অগ্নিমূল্যের বাজার : সাধারণ মানুষের স্বস্তি মিলবে কি?

বেসরকারি স্কুল-কলেজ পরিচালনা পর্ষদের নৈরাজ্য

যৌতুক মামলার অপব্যবহার

শহীদের রক্তে লেখা ঐতিহাসিক ছয় দফা

রসে ভরা বাংলাদেশ

সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই

দুর্নীতির উৎসমুখ

কানিহাটি সিরিজের বোরো ধান নিয়ে কিছু কথা

নজিরবিহীন বেনজীর

টেকসই উন্নয়ন করতে হবে প্রকৃতির সঙ্গে সখ্য রেখে আহমদ

কী বার্তা দিল ভারতের সংসদ নির্বাচন

গরমে প্রয়োজন স্বাস্থ্য সচেতনতা

ক্লাইমেট জাস্টিস ফর বাংলাদেশ : শুধু ঋণ বা অনুদান নয়, প্রয়োজন ক্ষতিপূরণ

এখন ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ কী

দুর্নীতি নিয়ে মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া দরকার

গোল্ডেন রাইস কেন বারবার থমকে দাঁড়ায়

প্রাকৃতিক রসগোল্লা

বেড়েই চলেছে জীবনযাত্রার ব্যয়

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস

tab

উপ-সম্পাদকীয়

জলাশয় রক্ষায় নজর দিন

আর কে চৌধুরী

রোববার, ২৬ মে ২০২৪

গরমের দাপট বেড়েছে। গত মাসে তাপমাত্রা উঠেছে ৪০ ডিগ্রির উপরে। তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকে মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। নানা অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে অনেক মানুষ। এরকম পরিস্থিতিতে সুস্থ থাকার জন্য সবাইকে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শ্রমজীবী মানুষকে তো কাজে বেরোতেই হবে। তারা যতটা সম্ভব রোদ বাঁচিয়ে কাজ করতে পারলে ভালো। শরীরে যেন জলশূন্যতা সৃষ্টি না হয় সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরির প্রচারণা প্রয়োজন। শিল্পায়ন ও নগরায়ণের জেরে বিশ্বজুড়েই পরিবেশের সংকট দেখা দিয়েছে। ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। প্রকৃতি এত বিরাট এবং ব্যাপক আর তার শক্তি এতটাই সর্বপ্লাবিত যে, মানুষের সব প্রচেষ্টাই তাতে খড়কুটোর মতো ভেসে যায়। প্রকৃতির তা-বে বিধ্বস্ত বিপর্যস্ত হয় জ্ঞান-গরিমায়, ধনে-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ সব উন্নত দেশও। প্রকৃতির রুদ্ররূপ থেকে রক্ষা পেতে সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা নিতে হবে। প্রচুর গাছ লাগিয়ে বিস্তৃত বনভূমি গড়ে তুলতে হবে। জলাশয় রক্ষা এবং নতুন জলাধার সৃষ্টি করতে হবে। রুষ্ট প্রকৃতিকে নানাভাবে শীতলতার পরশ দিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনতে এগুলো কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে।

দুই হাজার বছরে এমন গরম দেখেনি বিশ্ব। উত্তর গোলার্ধে দূর অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ২০২৩-এর গ্রীষ্ম বেশি গরম ছিল। গবেষণা বলছে, এবারের গ্রীষ্ম গত বছরের উষ্ণতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। এলনিনো আবহাওয়া চক্রের সঙ্গে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্ব উত্তপ্ত হতে থাকায় এমনটা হচ্ছে বলে গবেষকদের ধারণা। এর প্রভাবে অস্বাভাবিক গরম ও খরা; অসময়ে বৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। আশঙ্কা শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশেও এর আঘাত আসতে পারে, আসছেও। তার কিছু আলামত ইতোমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দাবদাহের প্রচ- গরমে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গরম বেশি পড়ছে, এটি সত্য হলেও অন্যান্য বাস্তবতাও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তাপ শোষণকারী উপাদানের অভাব ঘটেছে প্রকৃতিতে। আর এ জন্যে আমরাই দায়ী। আমরা খালবিল নদীনালা ভরাট করেছি। ফলে জলীয় বাষ্পের ঘাটতিতে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে চলেছে। এ কারণে আরও বেশি করে গরম অনুভূত হচ্ছে। গাছ কেটে ফেলা আরও একটি আত্মঘাতী কর্মকা-। ফলে সুশীতল ছায়ার আধার আমরা হারিয়ে ফেলেছি। বড় সড়কের পাশের গাছ কেটে ফেলায় পিচঢালা পথ আগুনের মতো তেতে উঠছে সূর্যের আলোয়। তাপমাত্রা বাড়ছে প্রকৃতিতে। রাস্তার দু’ধারে আগের মতো গাছ থাকলে মানুষ গরমে এত বেশি কষ্ট পেত না।

গরমের মধ্যে ঢাকাসহ অনেক জায়গায় লোডশেডিং বেড়েই চলেছে। মানুষ যেখানে ফ্যানের নিচে থেকেও ঘামছেন, সেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলে কতটা কষ্ট পোহাতে হয়, সেটি ভুক্তভোগীমাত্রই জানেন। বিদ্যুতের অভাবে জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। আধুনিক জীবন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। এমনকি গ্রামাঞ্চল। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় তীব্র গরমে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় এসির ব্যবহারও বাড়ছে। এসি কক্ষকে শীতল রাখছে, এতে সন্দেহ নেই। অন্যদিকে বায়ুম-লে সেটি উষ্ণ বাতাস ছড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলেও তাপমাত্রা বাড়ছে।

বিদ্যুৎ বিতরণে সংকট থাকলে পানির হাহাকারও শুরু হয়। পানি উৎপাদন ও সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে। ঢাকার কয়েকটি এলাকায় তীব্র পানি সংকটও রয়েছে। প্রয়োজনীয় পানি না পাওয়া গেলে জীবন স্থবির ও বিপন্ন হয়ে পড়ে।

তীব্র গরমে কারণে নাজেহাল হচ্ছে জনজীবন। তীব্র গরমে দেশব্যাপী হাজার হাজার দিনমজুর কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তীব্র গরমে মধ্যে দেখা দিয়েছে লোডশেডিং। লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের জীবন আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্করাই বেশি কষ্ট ভোগ করে এবং স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়ে থাকে। এ সময়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা চাই। খাবার, পোশাক এবং চলাচলÑ এ তিনটি বিষয়ে সচেতনতা অবলম্বন করলে অসুস্থতা রোধ করা যাবে। সাদা রঙের হালকা ও সংক্ষিপ্ত পোশাক পরার কথা বলেন ডাক্তাররা। খাওয়ার বিষয়ে বলেন টাটকা খাবার খেতে। বাসি কিংবা সামান্য নষ্ট হওয়া খাবার খাওয়া যাবে না। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

প্রয়োজনে অল্প লবণমিশ্রিত পানি পান করা যেতে পারে। ডাবের পানিও উপকারী। তরমুজও পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর। তরমুজসহ রসালো ফল খাওয়া যেতে পারে। রোদের ভেতরে বাইরে যাওয়া হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। এতে অনেক সময় বয়স্ক ব্যক্তির জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যায়। রোদে যেতে বাধ্য হলে মাথায় কাপড় বা ছাতি ব্যবহার আবশ্যক।

মনুষ্যসৃষ্ট সমস্যা ও অপরিণামদর্শী কর্মকা- এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশে মরুভূমির মতো যে গরম পড়েছে, তা থেকে আগামী দিনগুলোতে রেহাই পেতে হলে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিতে হবে। সেই সঙ্গে নদীনালা খালবিল সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের তৎপর হতে হবে।

[লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক]

back to top