alt

শিক্ষা

নতুন শিক্ষাক্রমে যেসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হবে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আগামী বছর থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর চাপ কমাতে এবং শিক্ষাকে আনন্দময় করতে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুমোদন করেছে সরকার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ১০০টি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলক ভাবে এই শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৩-২০২৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে নতুন শিক্ষাক্রম।

আজ সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামী ২০২৫ সাল থেকে পুরোপুরি নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হচ্ছে। এই রূপরেখা অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কোনো পরীক্ষা দিতে হবে না। আর নবম ও দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক কিংবা বাণিজ্যের মতো বিভাগ থাকবে না। শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন নিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হবে শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপন করা হলে তিনি তা অনুমোদন করেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখায় স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশলও উপস্থাপন করা হয়।

পুরো শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আনন্দময় পড়াশোনা হবে। বিষয়বস্তু ও পাঠ্যপুস্তকের বোঝা ও চাপ কমানো হবে। গভীর শেখনে গুরুত্ব দেওয়া হবে। মুখস্ত নির্ভরতার বিষয়টি যেন না থাকে, এর বদলে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শেখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে খেলাখুলা ও অন্যান্য কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশল :

>> প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না। প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শতভাগ শিখনকালীন মূল্যায়ন করা হবে।

>> চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে ৬০ শতাংশ শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং ৪০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা বিষয়ে শিখনকালীন শতভাগ মূল্যায়ন করা হবে।

>> ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন ৬০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে ৪০ শতাংশ। এছাড়া জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংষ্কৃতি বিষয়ে শিখনকালীন শতভাগ মূল্যায়ন করা হবে।

>> নবম ও দশম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে ৫০ শতাংশ শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং বাকি ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংষ্কৃতি বিষয়ে শতভাগ মূল্যায়ন করা হবে। দশম শ্রেণি শেষে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর পাবলিক পরীক্ষা হবে।

>> একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে আবশ্যিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। নৈর্বাচনিক/বিশেষায়িত বিষয়ে কাঠামো এবং ধারণায়ন অনুযায়ী সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক, ব্যবহারিক ও অন্যান্য উপায়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে। প্রয়োগিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন হবে শতভাগ।

>> একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর প্রতি বর্ষ শেষে একটি করে পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এই রূপরেখা করা হয়েছে। এর আগে প্রাথমিক, মাধ্যমিক আলাদা আলাদা ছিল। একজন শিক্ষার্থী প্রাক-প্রাথমিকে ঢুকে মাধ্যমিকে যাচ্ছে। এ জন্য এক স্তর থেকে আরেক স্তরে যাওয়া যেন খুব মসৃণ হয়, মাঝে যেন ছেদ না পড়ে, অন্য স্তরে গিয়ে যেন খাপ খাওয়াতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটি আমরা দেখার চেষ্টা করেছি। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষেই যেন অধিকাংশ পাঠ গ্রহণ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দীপু মনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের মতো সময় কাটাতে পারে। পড়াশোনার বাইরে খেলাখূলা বা অন্যান্য বিষয়ের যোগ কমে গেছে, এটা যেন না হয়। জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

ছবি

অবসরপ্রাপ্ত, লিয়েন কর্মকর্তাদের বেতনেই ডুবতে বসেছে শিক্ষার এক কর্মসূচি

ছবি

দেশের সব কোচিং সেন্টার ৮-২৫ নভেম্বর বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

১৪ নভেম্বর থেকে শুরু এসএসসি, বেড়েছে পরীক্ষার্থী

ছবি

এক সপ্তাহের মধ্যে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হবে: শিক্ষা মন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছের ফলে ভুল, অসন্তোষ

ছবি

শিক্ষাকে জীবন ও সংস্কৃতিমুখী করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

ঘিওরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করলেন জেলা প্রশাসক

ছবি

শাহজাদপুরে মধ্যরাতে সাংবাদিক ও পুলিশের হস্তক্ষেপে মুক্তি পেল অবরুদ্ধ শিক্ষকরা

ছবি

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়: ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার সত্যতা মিলেছে তদন্তে

ছবি

দেড় বছর পর সশরীরের ক্লাস শুরু ইবিতে

ছবি

এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ ৩ নভেম্বর

গুচ্ছের অধীন ইবির বি ইউনিটের পরীক্ষা শুরু

ছবি

কার্যনির্বাহী কমিটির বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা

ছবি

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

ছবি

স্কুল-কলেজে সরাসরি ক্লাস এখন আর বাড়ছে না: শিক্ষামন্ত্রী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বিবদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

ছবি

আজ ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা

ছবি

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ৭৪ শিক্ষার্থী

ছবি

ঢাবির ‘`গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

ছবি

ঢাবিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ছাত্র সংগঠনগুলো

ছবি

শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারেন সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট

ছবি

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

পাঠ্যপুস্তক পুনঃদরপত্রে ২৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়

ছবি

ঢাবি ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আরমান-তমা

এবারও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

ছবি

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

ছবি

বাতিল হচ্ছে পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা

ছবি

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের ৩ দাবি

ছবি

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু

ছবি

ক্লাসে ফিরলো ঢাবি শিক্ষার্থীরা

ছবি

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কাল শুরু

ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ অক্টোবর থেকে সশরীরে ক্লাস

কাল থেকে সশরীরে ক্লাসে ফিরছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা

ছবি

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কাল

tab

শিক্ষা

নতুন শিক্ষাক্রমে যেসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হবে

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আগামী বছর থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর চাপ কমাতে এবং শিক্ষাকে আনন্দময় করতে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুমোদন করেছে সরকার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ১০০টি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলক ভাবে এই শিক্ষাক্রম শুরু হবে। ২০২৩-২০২৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে নতুন শিক্ষাক্রম।

আজ সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামী ২০২৫ সাল থেকে পুরোপুরি নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হচ্ছে। এই রূপরেখা অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কোনো পরীক্ষা দিতে হবে না। আর নবম ও দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক কিংবা বাণিজ্যের মতো বিভাগ থাকবে না। শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন নিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হবে শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপন করা হলে তিনি তা অনুমোদন করেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখায় স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশলও উপস্থাপন করা হয়।

পুরো শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আনন্দময় পড়াশোনা হবে। বিষয়বস্তু ও পাঠ্যপুস্তকের বোঝা ও চাপ কমানো হবে। গভীর শেখনে গুরুত্ব দেওয়া হবে। মুখস্ত নির্ভরতার বিষয়টি যেন না থাকে, এর বদলে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শেখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে খেলাখুলা ও অন্যান্য কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্তরভিত্তিক মূল্যায়ন কৌশল :

>> প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না। প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শতভাগ শিখনকালীন মূল্যায়ন করা হবে।

>> চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে ৬০ শতাংশ শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং ৪০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্পকলা বিষয়ে শিখনকালীন শতভাগ মূল্যায়ন করা হবে।

>> ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন ৬০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে ৪০ শতাংশ। এছাড়া জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংষ্কৃতি বিষয়ে শিখনকালীন শতভাগ মূল্যায়ন করা হবে।

>> নবম ও দশম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানে ৫০ শতাংশ শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং বাকি ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা এবং শিল্প ও সংষ্কৃতি বিষয়ে শতভাগ মূল্যায়ন করা হবে। দশম শ্রেণি শেষে দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর পাবলিক পরীক্ষা হবে।

>> একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে আবশ্যিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। নৈর্বাচনিক/বিশেষায়িত বিষয়ে কাঠামো এবং ধারণায়ন অনুযায়ী সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক, ব্যবহারিক ও অন্যান্য উপায়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে। প্রয়োগিক বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন হবে শতভাগ।

>> একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপর প্রতি বর্ষ শেষে একটি করে পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এই রূপরেখা করা হয়েছে। এর আগে প্রাথমিক, মাধ্যমিক আলাদা আলাদা ছিল। একজন শিক্ষার্থী প্রাক-প্রাথমিকে ঢুকে মাধ্যমিকে যাচ্ছে। এ জন্য এক স্তর থেকে আরেক স্তরে যাওয়া যেন খুব মসৃণ হয়, মাঝে যেন ছেদ না পড়ে, অন্য স্তরে গিয়ে যেন খাপ খাওয়াতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটি আমরা দেখার চেষ্টা করেছি। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষেই যেন অধিকাংশ পাঠ গ্রহণ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দীপু মনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের মতো সময় কাটাতে পারে। পড়াশোনার বাইরে খেলাখূলা বা অন্যান্য বিষয়ের যোগ কমে গেছে, এটা যেন না হয়। জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

back to top