alt

শিক্ষা

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে কৃষ্ণচূড়ার প্রতীকী লাশ

ঢাবি প্রতিনিধি : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

অর্ধশতাব্দী ধরে সদর্পে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে কেটে ফেলা গাছের একটি গুড়ি নিয়ে প্রতীকী কাফন মিছিল করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে কাফনের কাপড়সমেত প্রতীকী লাশ রেখে দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়া কেটে ফেলা গাছের পাশে নতুন কৃষ্ণচূড়া গাছের একটি চারা রোপন করেছে তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা গাছ কাটার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে আরো ১০০ গাছ রোপণ করার দাবি জানায়।

বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কলাভবনের সামনে গাছ রোপণ পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক রাগীব নাঈম বলেন, যখন প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওড়ানো হয়েছিলো, তখন ঠিক ২০০ কদম দূর থেকে এই গাছটি পতাকা ওড়ানো প্রত্যক্ষ করেছিলো। কিন্তু এই আজ কেটে ফেলা হচ্ছে ঝুঁকির কথা বলে। আমি বুঝতে পারছি না ঝুঁকিটা আসলে কী। এছাড়া ক্যাম্পাসের অন্যান্য জায়গাগুলোতেও আরও গাছ কাটা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে যখন অক্সিজেনের অভাব বোধ করছে, সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগ মুহূর্তে এভাবে গাছ কাটা হচ্ছে। এই গাছগুলো কাটা মানেই ইতিহাসকে কেটে ফেলা। আমরা এই ইতিহাসকে বহন করতে চাই।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা কাঠ দিয়ে নানা ধরনের ভাস্কর্য বানায়। আমরা চাই এই গাছগুলো যেন বিক্রি করা না হয়। এই গাছ যেন কোনো টেন্ডারবাজের হাতে না পড়ে। বরং এই গাছগুলো চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। এই গাছকে যেন মরণোত্তর সম্মান দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের কাজী রাকিব হোসেন বলেন, এই গাছটি দীর্ঘদিন ধরে ছিলো। সেখানে তার নিজস্ব একটা বাস্তুতন্ত্রের সৃষ্টি হয়েছিলো। সেই বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস করা হলো। এর বদলে যদি আরও ১০০টি গাছও লাগানো হয়, তারপরও এই ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না। তবুও আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই যে, এই গাছের পরিবর্তে আরও ১০০টি গাছ লাগাতে হবে।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা মিম বলেন, আমরা নির্বিচারে এই গাছ হত্যার প্রতিবাদ জানাই। আমরা চাই এভাবে যেন আর কোনো গাছ হত্যাকাণ্ডের শিকার না হয়। প্রশাসন এই গাছের কাঠগুলোকে বিক্রি করতে পারবে না। এই কাঠগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যে দান করতে হবে। ক্যাম্পাসের গাছ ক্যাম্পাসে থাকবে।

ছবি

অবসরপ্রাপ্ত, লিয়েন কর্মকর্তাদের বেতনেই ডুবতে বসেছে শিক্ষার এক কর্মসূচি

ছবি

দেশের সব কোচিং সেন্টার ৮-২৫ নভেম্বর বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

১৪ নভেম্বর থেকে শুরু এসএসসি, বেড়েছে পরীক্ষার্থী

ছবি

এক সপ্তাহের মধ্যে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হবে: শিক্ষা মন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছের ফলে ভুল, অসন্তোষ

ছবি

শিক্ষাকে জীবন ও সংস্কৃতিমুখী করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

ঘিওরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করলেন জেলা প্রশাসক

ছবি

শাহজাদপুরে মধ্যরাতে সাংবাদিক ও পুলিশের হস্তক্ষেপে মুক্তি পেল অবরুদ্ধ শিক্ষকরা

ছবি

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়: ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার সত্যতা মিলেছে তদন্তে

ছবি

দেড় বছর পর সশরীরের ক্লাস শুরু ইবিতে

ছবি

এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ ৩ নভেম্বর

গুচ্ছের অধীন ইবির বি ইউনিটের পরীক্ষা শুরু

ছবি

কার্যনির্বাহী কমিটির বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা

ছবি

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

ছবি

স্কুল-কলেজে সরাসরি ক্লাস এখন আর বাড়ছে না: শিক্ষামন্ত্রী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বিবদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

ছবি

আজ ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা

ছবি

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ৭৪ শিক্ষার্থী

ছবি

ঢাবির ‘`গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত

ছবি

ঢাবিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ছাত্র সংগঠনগুলো

ছবি

শিক্ষার্থীরা যেন উদ্যোক্তা হতে পারেন সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট

ছবি

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

পাঠ্যপুস্তক পুনঃদরপত্রে ২৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়

ছবি

ঢাবি ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আরমান-তমা

এবারও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে না

ছবি

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

ছবি

বাতিল হচ্ছে পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা

ছবি

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের ৩ দাবি

ছবি

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু

ছবি

ক্লাসে ফিরলো ঢাবি শিক্ষার্থীরা

ছবি

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কাল শুরু

ছবি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ অক্টোবর থেকে সশরীরে ক্লাস

কাল থেকে সশরীরে ক্লাসে ফিরছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা

ছবি

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কাল

tab

শিক্ষা

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে কৃষ্ণচূড়ার প্রতীকী লাশ

ঢাবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

অর্ধশতাব্দী ধরে সদর্পে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে কেটে ফেলা গাছের একটি গুড়ি নিয়ে প্রতীকী কাফন মিছিল করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে কাফনের কাপড়সমেত প্রতীকী লাশ রেখে দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়া কেটে ফেলা গাছের পাশে নতুন কৃষ্ণচূড়া গাছের একটি চারা রোপন করেছে তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা গাছ কাটার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে আরো ১০০ গাছ রোপণ করার দাবি জানায়।

বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কলাভবনের সামনে গাছ রোপণ পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক রাগীব নাঈম বলেন, যখন প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওড়ানো হয়েছিলো, তখন ঠিক ২০০ কদম দূর থেকে এই গাছটি পতাকা ওড়ানো প্রত্যক্ষ করেছিলো। কিন্তু এই আজ কেটে ফেলা হচ্ছে ঝুঁকির কথা বলে। আমি বুঝতে পারছি না ঝুঁকিটা আসলে কী। এছাড়া ক্যাম্পাসের অন্যান্য জায়গাগুলোতেও আরও গাছ কাটা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে যখন অক্সিজেনের অভাব বোধ করছে, সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগ মুহূর্তে এভাবে গাছ কাটা হচ্ছে। এই গাছগুলো কাটা মানেই ইতিহাসকে কেটে ফেলা। আমরা এই ইতিহাসকে বহন করতে চাই।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা কাঠ দিয়ে নানা ধরনের ভাস্কর্য বানায়। আমরা চাই এই গাছগুলো যেন বিক্রি করা না হয়। এই গাছ যেন কোনো টেন্ডারবাজের হাতে না পড়ে। বরং এই গাছগুলো চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। এই গাছকে যেন মরণোত্তর সম্মান দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের কাজী রাকিব হোসেন বলেন, এই গাছটি দীর্ঘদিন ধরে ছিলো। সেখানে তার নিজস্ব একটা বাস্তুতন্ত্রের সৃষ্টি হয়েছিলো। সেই বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস করা হলো। এর বদলে যদি আরও ১০০টি গাছও লাগানো হয়, তারপরও এই ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না। তবুও আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই যে, এই গাছের পরিবর্তে আরও ১০০টি গাছ লাগাতে হবে।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা মিম বলেন, আমরা নির্বিচারে এই গাছ হত্যার প্রতিবাদ জানাই। আমরা চাই এভাবে যেন আর কোনো গাছ হত্যাকাণ্ডের শিকার না হয়। প্রশাসন এই গাছের কাঠগুলোকে বিক্রি করতে পারবে না। এই কাঠগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যে দান করতে হবে। ক্যাম্পাসের গাছ ক্যাম্পাসে থাকবে।

back to top