সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে যে ‘তিক্ততা তৈরি হয়েছিলো’, দুই দেশের সরকার প্রধানের বৈঠকে তা কেটে যাবে বলে আশা করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভূরাজনীতি এ বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় মুহাম্মদ ইউনুস ও নরেন্দ্র মোদীর বৈঠককে দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব একথা বলেন।
দুই প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, 'বিমসটেকে সাইডলাইন বৈঠক হয়েছে, এটা (বৈঠক) খুব আনন্দের কথা। আমরা মনে করি, ভূ-রাজনীতি ও বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে এই অঞ্চলের প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ-ভারতের প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস (মুহাম্মদ ইউনুস) এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী (নরেন্দ্র মোদী) সাহেবের বৈঠকটা আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করছে।'
গতবছরের ৫ আগস্টের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে একটা বিটারনেস (তিক্ততা) তৈরি হয়েছিলো সেই বিটারনেসটা যেন আর বেশি সামনে না যায়। এই বৈঠকের মাধ্যমে সেই বিটারনেসটা কমে আসার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।'
মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমি যতদূর দেখেছি, তাতে করে আমার মনে হয়েছে এই ব্যাপারে দুজনই যথেষ্ট আন্তরিক এবং এটা নি:সন্দেহে বাংলাদেশ এবং ভারতের দুই দেশের মানুষেরই উপকার করবে।'
শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। আধা ঘন্টা স্থায়ী এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরা হয় বলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার আগে বিএনপি মহাসচিব ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্টজন এবং ক্রীড়াবিদদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এই সময়ে ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তা ও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাহবুবুল আনাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, রুম্মন বিন ওয়ালি সাব্বির, নিয়ামুর রশীদ রাহুল, মো. আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন, রিয়াজ আহমেদ, ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব, আবু দাউদ শামসুদ্দোজা চৌধুরী ডন, মাইশিকুর রহমান রিয়াল, ফাহিম সিনহা, কাজী মহিউদ্দিন বুলবুল, সেলিম শাহেদ, সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু, আকরাম হোসেন সবুজ, ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।
বিএনপি মহাসচিব জানান, ‘ক্রীড়াঙ্গনের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এই অঙ্গনকে কিভাবে উন্নতি করা যায় তা নিয়ে আলাপ হয়েছে।’
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে যে ‘তিক্ততা তৈরি হয়েছিলো’, দুই দেশের সরকার প্রধানের বৈঠকে তা কেটে যাবে বলে আশা করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভূরাজনীতি এ বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় মুহাম্মদ ইউনুস ও নরেন্দ্র মোদীর বৈঠককে দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব একথা বলেন।
দুই প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, 'বিমসটেকে সাইডলাইন বৈঠক হয়েছে, এটা (বৈঠক) খুব আনন্দের কথা। আমরা মনে করি, ভূ-রাজনীতি ও বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে এই অঞ্চলের প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ-ভারতের প্রেক্ষাপটে আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস (মুহাম্মদ ইউনুস) এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী (নরেন্দ্র মোদী) সাহেবের বৈঠকটা আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করছে।'
গতবছরের ৫ আগস্টের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে একটা বিটারনেস (তিক্ততা) তৈরি হয়েছিলো সেই বিটারনেসটা যেন আর বেশি সামনে না যায়। এই বৈঠকের মাধ্যমে সেই বিটারনেসটা কমে আসার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।'
মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমি যতদূর দেখেছি, তাতে করে আমার মনে হয়েছে এই ব্যাপারে দুজনই যথেষ্ট আন্তরিক এবং এটা নি:সন্দেহে বাংলাদেশ এবং ভারতের দুই দেশের মানুষেরই উপকার করবে।'
শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। আধা ঘন্টা স্থায়ী এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরা হয় বলে বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার আগে বিএনপি মহাসচিব ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্টজন এবং ক্রীড়াবিদদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এই সময়ে ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তা ও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাহবুবুল আনাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, রুম্মন বিন ওয়ালি সাব্বির, নিয়ামুর রশীদ রাহুল, মো. আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন, রিয়াজ আহমেদ, ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব, আবু দাউদ শামসুদ্দোজা চৌধুরী ডন, মাইশিকুর রহমান রিয়াল, ফাহিম সিনহা, কাজী মহিউদ্দিন বুলবুল, সেলিম শাহেদ, সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু, আকরাম হোসেন সবুজ, ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।
বিএনপি মহাসচিব জানান, ‘ক্রীড়াঙ্গনের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এই অঙ্গনকে কিভাবে উন্নতি করা যায় তা নিয়ে আলাপ হয়েছে।’