
বিনোদন প্রতিবেদক : 2025-09-21
বাংলাদেশের সিনেমায় যখন ডিজিটাল যুগের যাত্রা শুরু হলো তখন দু’জন নায়িকাই সিনেমাতে একের পর এক অভিনয় করছিলেন। একজন মাহিয়া মাহি অন্যজন মৌমিতা মৌ। সেই সময়ই তিনি নৃত্য পরিচালক, কোরিওগ্রাফার জাকির হোসেনের নাচের স্কুলে ভর্তি হন শখের বশে। সেখানেই তিন/চার দিন যাবার পর মৌমিতাকে চোখে পড়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা কালাম কায়সারের। তিনিই তাকে রাজি করিয়ে তার সিনেমা ‘তোমারই আছি তোমারই থাকবো’তে নায়িকা হিসেবে চুড়ান্ত করেন। মৌমিতা নিজেকে নাচে, অভিনয়ে পারদর্শী করেই সিনেমাতে নিজের অভিষেক ঘটান। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত সেই সিনেমাতে মৌমিতার সঙ্গে আরো অভিনয় করেছিলেন শুভ, নির্জনা, প্রবীরমিত্র, সিরাজ হায়দার, খালেদা আক্তার কল্পনা, কাবিলা, নাসরিন’সহ আরো অনেকে। এরপর মৌমিতা চলচ্চিত্রে অভিনয় জীবনের পথচলায় আরো অভিনয় করেছেন ‘তুই শুধু আমার’, ‘মাটির পরী’,‘ মাস্তানী’,‘ অন্তরজ¦লা’,‘ আহারে জীবন’ সিনেমাতে অভিনয় করেন।চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পথচলায় একসময় নাটকে অভিনয়ও শুরু করেন। মঈনুল হাসান খোকন’সহ আরো বেশকিছু নাট্যনির্মাতার নাটকে তিনি অভিনয় করেন। অভিনয় জীবনের পথচলায় মৌমিতা মৌ দীর্ঘ একযুগ সময় পার করছেন। তবে এখনো তিনি তার মনের মতো একটি সিনেমাতে কাজ করার সুযোগ পাননি বলে জানান তিনি।
মৌমিতা মৌ বলেন,‘ সত্যি বলতে কী চলচ্চিত্রে অভিনয় করবো এমন ভাবনা আমার কখনোই ছিলো না। কোনো কারণ ছাড়া জাকির হোসেন ভাইয়ের নাচের স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। সেখান থেকে কীভাবে কেমন করে যে নায়িকা হয়ে গেলাম বুঝতেই পারিনি। তবে এরপর আমি দর্শকের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি সম্মান পেয়েছি তাতে আমি তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আর বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জাকির হোসেন ভাই, পরিচালক কালাম কায়সার ভাই, মঈনুল হাসান খোকন ভাই, লাইন প্রডিউসার হিমেল ভাইয়ের প্রতি। আর চলার পথে সাংবাদিকদের মধ্যে রাহাত সাইফুল, রঞ্জু সরকার, এ এইচ মুরাদ, অচিন্ত্য চয়ন-তারা আমার খুউব ভালো বন্ধু। আমার বিপদে আপদে, আমার আনন্দ উদযাপনে তাদের সবসময় পাশে পেয়েছি। আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। ’