
বিনোদন প্রতিবেদক : 2026-02-06
সীমিত দৈর্ঘ্যরে এই কাহিনিচিত্রে খাবারকে অনুষঙ্গ করে ভালোবাসার গল্প বলেছেন নির্মাতা। আসছে ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে কনটেন্টটি দেখা যাবে চরকি প্ল্যাটফর্মে। রাকায়েত রাব্বির গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনায় নির্মিত ‘টিফিন বক্স’-এ অভিনয় করেছেন রুকাইয়া জাহান চমক ও প্রান্তর দস্তিদার। নাম শুনেই ধারণা করা যায়, গল্পে খাবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে নির্মাতা বলেন, ‘খাবার বা টিফিন বক্সের মাধ্যমে প্রেমের গল্প নতুন কিছু নয়। তবে বাঙালি সংস্কৃতিতে খাওয়ানো বা খাবার ভাগ করে নেয়াই ভালোবাসার সবচেয়ে আদিম ও বিশুদ্ধ প্রকাশ। এই গল্পে টিফিন বক্স শুধু একটি বস্তু নয়, বরং এটি নাগরিক জীবনকে স্বপ্নের জগতে নিয়ে যাওয়ার একটি মাধ্যম।’ গল্পের প্রয়োজনে রান্নাঘরে দেখা যাবে প্রান্তর দস্তিদারকে। অভিনেতা জানান, ‘টিফিন বক্স’-এ তার চরিত্রটি রান্না করতে
ভালোবাসে এবং মানুষকে খাওয়াতে পছন্দ করে। তার ভাষায়, ‘চরিত্রটি সার্ভ করতে ভালোবাসে। আর ভালোবাসাটাও তো এক ধরনের সার্ভ করার মতোই। বাকিটা দর্শক কনটেন্টে দেখবেন।’ ‘টিফিন বক্স’-এর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন শারমিন সুলতানা শর্মী, টুনটুনি সোবহানসহ অন্যরা। চরিত্রটি প্রসঙ্গে চমক বলেন, ‘মিতু স্বাধীনভাবে বাঁচতে চায়, কোনো পিছুটান রাখতে চায় না। কিন্তু একসময় তাকেও বলতে হয়- ‘সৃষ্টিকর্তা এমন কিছু মানুষ সৃষ্টি করেছেন, যাদের প্রেমে না পড়ে থাকা যায় না।’ নির্মাতার ভাবনায়, শহরের কোলাহলে মানুষের একাকিত্ব বাড়তে থাকায় যোগাযোগের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে খাবারের ধারণা সামনে আসে। তার মতে, খাবার যেমন মানুষের মৌলিক প্রয়োজন, তেমনই ভালোবাসাও বেঁচে থাকার অন্যতম রসদ। গল্পের দার্শনিক দিক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ভালোবাসা এক ধরনের বিদ্রোহ। এই পৃথিবীর নিয়ম হলো ফুরিয়ে যাওয়া, কিন্তু ভালোবাসা সেই ফুরিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে লড়ে। এটি সময় ও অস্তিত্বের এক লড়াই।’