
বিনোদন প্রতিবেদক : 2026-03-07
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’। ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংস্কৃতি ক্ষেত্রে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন দুই গুণীজন। তাদের একজন টেলিভিশন উপস্থাপক, লেখক ও প্রযোজক হানিফ সংকেত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। সামাজিক সচেতনতা ও বিনোদনের সমন্বয়ে নির্মিত এই অনুষ্ঠানটি দেশের টেলিভিশন অঙ্গনে বিশেষ স্থান তৈরি করেছে।
এছাড়া সংস্কৃতি অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ। চলচ্চিত্রের গানে তার কণ্ঠ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। শাস্ত্রীয় সংগীতে দখল এবং স্বতন্ত্র গায়কির জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। বশির আহমেদ উপমহাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলী খানের কাছে তালিম নেন। পরবর্তীতে ‘তালাশ’ নির্মাণে শিল্পী তালাত মাহমুদের সঙ্গে কাজের মাধ্যমে তিনি আরও পরিচিতি পান। তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমাকে পুরাতে যদি এত লাগে ভালো’, ‘যারে যাবি যদি যা’, ‘অনেক সাধের ময়না আমার’ এবং ‘ডেকোনা আমারে তুমি কাছে ডেকো না’। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে আসছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা এবং একটি সম্মাননাপত্র পান।