পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি ধানের মূল্য ভালো পেয়ে খুশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকরা। আগামীতে তারা আরও বেশি জমিতে আমন চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। উপজেলা সদরের পূঁজাখোলা গ্রামের কৃষক ছত্তার হাওলাদার চলতি মৌসুমে ৮০ শতক জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছিলেন। আবাদ করতে গিয়ে জমি চাষ, বীজ, শ্রমিক ও সার বাবদ খরচ হয়েছিল ১৪ হাজার টাকা। জমি থেকে আউশ ধান কাটার পর ফলন হয়েছে ৩০ মণ। প্রতি মণ ধানের এখন বাজার দর এক হাজার থেকে ১৪শ’ টাকা। এই হিসাবে খরচ বাদে তিনি ধান থেকে মুনাফা পাবেন ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া ধানের খড় কুটো আলাদা বিক্রি করে আরও তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা আসবে।
উপজেলার বড়গোপালদী গ্রামের নজির মুন্সী জানান, উন্নত জাতের আমন ধান আবাদ করে তিনি ভাল ফলন পেয়েছেন। ভালো ফলন এবং ভালো দাম হওয়ায় আগামী বছর আমন ধানের আবাদ আরও বাড়িয়ে দেবেন জানান তিনি। একই এলাকার কৃষক বেল্লাল ভূঁইয়া জানান, অধিকাংশ কৃষকের এবার আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম ভালো পেয়ে কৃষকরা বেশ খুশি। আগামীতে আমন ধানের আবাদ বাড়বে এমনটাই জানান তিনি। গছানী এলাকার কৃষক কাজী সরোয়ার জানান, আগে আমন ধান ফলন খুব একটা হতো না। কিন্তু বর্তমানে উন্নত জাতের আমন ধান চাষ করে কৃষকরা বেশ লাভবান হয়েছেন। বিশেষ করে চলতি মৌসুমে উন্নত জাতের আমন ধানের আবাদ করে কৃষকরা ভালো ফলন পেয়েছেন।
এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আহমেদ জানান, চলতি আউশ ধান মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার ১৮ হাজার হেক্টর জমির বিপরীতে উপজেলায় আবাদ হয়েছিল ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে। ধান রোপণ করার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়নি। এই জন্য কৃষকদের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে এবার আমন ধানের ভালো ফলন যেমন হয়েছে। তেমনি ধানের ন্যায্য দাম পাবে কৃষক। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে আগামীতেও আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
শুক্রবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৩
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি ধানের মূল্য ভালো পেয়ে খুশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকরা। আগামীতে তারা আরও বেশি জমিতে আমন চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। উপজেলা সদরের পূঁজাখোলা গ্রামের কৃষক ছত্তার হাওলাদার চলতি মৌসুমে ৮০ শতক জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছিলেন। আবাদ করতে গিয়ে জমি চাষ, বীজ, শ্রমিক ও সার বাবদ খরচ হয়েছিল ১৪ হাজার টাকা। জমি থেকে আউশ ধান কাটার পর ফলন হয়েছে ৩০ মণ। প্রতি মণ ধানের এখন বাজার দর এক হাজার থেকে ১৪শ’ টাকা। এই হিসাবে খরচ বাদে তিনি ধান থেকে মুনাফা পাবেন ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া ধানের খড় কুটো আলাদা বিক্রি করে আরও তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা আসবে।
উপজেলার বড়গোপালদী গ্রামের নজির মুন্সী জানান, উন্নত জাতের আমন ধান আবাদ করে তিনি ভাল ফলন পেয়েছেন। ভালো ফলন এবং ভালো দাম হওয়ায় আগামী বছর আমন ধানের আবাদ আরও বাড়িয়ে দেবেন জানান তিনি। একই এলাকার কৃষক বেল্লাল ভূঁইয়া জানান, অধিকাংশ কৃষকের এবার আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম ভালো পেয়ে কৃষকরা বেশ খুশি। আগামীতে আমন ধানের আবাদ বাড়বে এমনটাই জানান তিনি। গছানী এলাকার কৃষক কাজী সরোয়ার জানান, আগে আমন ধান ফলন খুব একটা হতো না। কিন্তু বর্তমানে উন্নত জাতের আমন ধান চাষ করে কৃষকরা বেশ লাভবান হয়েছেন। বিশেষ করে চলতি মৌসুমে উন্নত জাতের আমন ধানের আবাদ করে কৃষকরা ভালো ফলন পেয়েছেন।
এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আহমেদ জানান, চলতি আউশ ধান মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার ১৮ হাজার হেক্টর জমির বিপরীতে উপজেলায় আবাদ হয়েছিল ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে। ধান রোপণ করার সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়নি। এই জন্য কৃষকদের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে এবার আমন ধানের ভালো ফলন যেমন হয়েছে। তেমনি ধানের ন্যায্য দাম পাবে কৃষক। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে আগামীতেও আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।