alt

সারাদেশ

অবসরের ৬ মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে ভাতা দেওয়ার নির্দেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অবসর নেয়ার ছয় মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসরকালীন সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে বেতন থেকে ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও তাদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজি জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

রায়ের সময় জ্যেষ্ঠ বিচারক বলেন, এটা চিরন্তন সত্য যে শিক্ষকদের রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এই হয়রানি থেকে তারা কোনোভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এজন্য তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে। এই অবসরভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারেন না।

আইনজীবী ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, সারাদেশে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ৫ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী অবসরকালীন সুবিধা পেতে ২০১৯ সালে একটি রিট দায়ের করেন। রিটে আমরা বলেছিলাম, ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ৬ শতাংশ কেটে নেওয়া হতো। সেই কর্তন করা টাকাসহ সুবিধা অবসরের পর দেওয়া হতো। এই অবস্থায় ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন করে ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও ৬ শতাংশের যে সুবিধা দেওয়া হতো সেটাই বহাল রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা রিট আবেদনে ১০ শতাংশের সুবিধা দেওয়ার কথা বলেছি। এরপর হাই কোর্ট রুল জারি করেন। ওই রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, রায়ে বলা হয়, ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও তাদের যেন বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে যেন অবসরকালীন সুবিধা দেওয়া হয়।

ছবি

নারায়ণগঞ্জে বকেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ, শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ

হিট স্ট্রোকে হবিগঞ্জের রিকশা চালকের মৃত্যু

ছবি

শ্রীপুরে তালাবদ্ধ ঘরে নারীর গলাকাটা লাশ

বগুড়ায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, জনজীবন দুর্বিষহ

ছবি

সীমান্তে আর কোন অনুপ্রবেশ করতে দেয়া হবে না

ছবি

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ, তৃতীয় ধাপের ফল প্রকাশ

ছবি

বৃষ্টির খানিক সম্ভাবনা, তবে ‘পাওয়া যাবে না’ স্বস্তি

ছবি

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলেছে রেকর্ড পরিমাণ টাকা ও স্বর্ণালংকার

ছবি

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন পলকের শ্যালক

ছবি

রংপুরে সাবেক বিএনপি নেতার গণসংযোগে আ.লীগ এমপি, নেতাকর্মীদের ক্ষোভ

ছবি

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে কয়েদির মৃত্যু

ছবি

আজ সন্ধ্যায় দুবাই পৌঁছাবে ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ

অনলাইন ক্যাসিনোর ‘হোতা’ সেলিমের অভিযোগ সাবেক সেনা প্রধানের ভাইদের বিরুদ্ধে

ছবি

তীব্র গরমে চু্য়াডাঙ্গা ও পাবনায় ২ জনের মৃত্যু

ছবি

স্বামীর পুরুষ অঙ্গ কেটে আত্মহত্যা করলেন স্ত্রী

ছবি

বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক ও দুই দেশের শিশুদের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত

ছবি

সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন, ধীরগতি হতে পারে ইন্টারনেট

ছবি

বনের আগুন নেভালেন জেলা প্রশাসক, জানে না বনের কর্তারা

ছবি

বিশেষজ্ঞ প্যানেল ও বারি’র জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের মধ্যে মতবিনিময় কর্মশালা

ছবি

৪২ ডিগ্রি ছাড়াল চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা, গলে যাচ্ছে রাস্তার পিচ

ছবি

টাঙ্গাইলে সংঘ‌র্ষ থামাতে গিয়ে হামলার শিকার এসআই, ১৬ জন আটক

ছবি

কক্সবাজারে জলকেলি উৎসবের সমাপনীতে আলোকিত জীবনের প্রত্যাশা

ছবি

মায়ানমারের বিজিপির আরও ২৪ সদস্য বাংলাদেশে

ছবি

রাজশাহীতে মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩

ছবি

ইউএসএআইডি এবং সিমিট প্রতিনিধি দলের বারি পরিদর্শন

ছবি

পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ

ছবি

‘আনন্দে’ শুরুর পর সড়কের ঈদযাত্রা কেন ‘বিষাদে’

ছবি

ঘটনা চাপা দিতে ১৫০ বস্তা সিমেন্ট সরিয়ে ফেলার অভিযোগ

মীরসরাইয়ে শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, ঘরের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে

ছবি

মাধবপুরে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার

ছবি

টঙ্গীতে আগুনে পুড়ল ১২টি খাদ্য গুদাম

ছবি

জলকেলি উৎসবে মুখরিত কক্সবাজরের রাখাইন পল্লী

শেরপুরে বিনামূল্যে সার বীজ বিতরণ উদ্বোধন

কেশবপুরে সকাল-সন্ধ্যা বাজারের দখল নিয়ে দু’পক্ষ মুখোমুখি উচ্ছেদ আতঙ্কে অর্ধশতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী

ছবি

ভালুকায় বোরো ধানে চিটা কৃষকের মাথায় হাত

ছবি

ভালুকায় বোরো ধানে চিটা কৃষকের মাথায় হাত

tab

সারাদেশ

অবসরের ৬ মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে ভাতা দেওয়ার নির্দেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অবসর নেয়ার ছয় মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসরকালীন সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে বেতন থেকে ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও তাদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজি জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন। রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

রায়ের সময় জ্যেষ্ঠ বিচারক বলেন, এটা চিরন্তন সত্য যে শিক্ষকদের রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এই হয়রানি থেকে তারা কোনোভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এজন্য তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে। এই অবসরভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারেন না।

আইনজীবী ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, সারাদেশে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ৫ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী অবসরকালীন সুবিধা পেতে ২০১৯ সালে একটি রিট দায়ের করেন। রিটে আমরা বলেছিলাম, ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ৬ শতাংশ কেটে নেওয়া হতো। সেই কর্তন করা টাকাসহ সুবিধা অবসরের পর দেওয়া হতো। এই অবস্থায় ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন করে ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও ৬ শতাংশের যে সুবিধা দেওয়া হতো সেটাই বহাল রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা রিট আবেদনে ১০ শতাংশের সুবিধা দেওয়ার কথা বলেছি। এরপর হাই কোর্ট রুল জারি করেন। ওই রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, রায়ে বলা হয়, ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও তাদের যেন বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে যেন অবসরকালীন সুবিধা দেওয়া হয়।

back to top