নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কোণাফান্দা গ্রামে জনৈক আব্দুল কাদিরের রূপিত গাছগুলি বিনা নোটিশে কাটার অভিযোগে জানা গেছে প্রায় ত্রিশ বছর যাবৎ পরিত্যাক্ত পাহাড়ে আব্দুল কাদির বসবাস করে আসছেন। অন্যান্য বছরের মতো এবারো ওই পাহাড়ে সুপারী ও মাল্টাসহ নানা ফলের গাছ লাগিয়েছেন তিনি। কিন্তু রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় হাজারো গাছ বিনা নোটিশে বনবিভাগের লোকেরা কেটে ফেলেছেন বলে দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি আরো বলেন, অন্যান্য দিনের মতো বাগানে কাজ করছিলেন তিনি। হঠাৎ বন বিভাগের বেশকিছু লোক এসে কাউকে কিছু না বলে দেদারছে কেটে ফেলেন বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় হাজার খানেক গাছ।
স্থানীয় লোকজন জানান, আব্দুল কাদির খুবই গরীব মানুষ। তাকে বললে গাছগুলো সরিয়ে নিতে পারত। এ ব্যপারে জানতে চাইলে ফরেস্ট অফিসার প্রামানিক বলেন, ওই জমিগুলো বনবিভাগের। তাকে গত সপ্তাহে মৌখিকভাবে বলে আসছি গাছগুলো সরানোর জন্য। পরবর্তিতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে এ অভিযান পরিচালনা করেছি। স্থানীয় লোকজন এই জানান, বনবিভাগের লোকেরা বনবিভাগের জায়গা থেকে আব্দুল কাদিরকে উচ্ছেদ করতে পারতেন কিন্তু এভাবে এতগুলো ছোটবড় ফলদ গাছ কর্তন করা আদৌ ঠিক হয়নি, তাছাড়া ঢালাওভাবে গাছ কর্তন করা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে ঘটনাটি তদন্ত করবেন বলে জোর দাবী জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কোণাফান্দা গ্রামে জনৈক আব্দুল কাদিরের রূপিত গাছগুলি বিনা নোটিশে কাটার অভিযোগে জানা গেছে প্রায় ত্রিশ বছর যাবৎ পরিত্যাক্ত পাহাড়ে আব্দুল কাদির বসবাস করে আসছেন। অন্যান্য বছরের মতো এবারো ওই পাহাড়ে সুপারী ও মাল্টাসহ নানা ফলের গাছ লাগিয়েছেন তিনি। কিন্তু রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় হাজারো গাছ বিনা নোটিশে বনবিভাগের লোকেরা কেটে ফেলেছেন বলে দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি আরো বলেন, অন্যান্য দিনের মতো বাগানে কাজ করছিলেন তিনি। হঠাৎ বন বিভাগের বেশকিছু লোক এসে কাউকে কিছু না বলে দেদারছে কেটে ফেলেন বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় হাজার খানেক গাছ।
স্থানীয় লোকজন জানান, আব্দুল কাদির খুবই গরীব মানুষ। তাকে বললে গাছগুলো সরিয়ে নিতে পারত। এ ব্যপারে জানতে চাইলে ফরেস্ট অফিসার প্রামানিক বলেন, ওই জমিগুলো বনবিভাগের। তাকে গত সপ্তাহে মৌখিকভাবে বলে আসছি গাছগুলো সরানোর জন্য। পরবর্তিতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে এ অভিযান পরিচালনা করেছি। স্থানীয় লোকজন এই জানান, বনবিভাগের লোকেরা বনবিভাগের জায়গা থেকে আব্দুল কাদিরকে উচ্ছেদ করতে পারতেন কিন্তু এভাবে এতগুলো ছোটবড় ফলদ গাছ কর্তন করা আদৌ ঠিক হয়নি, তাছাড়া ঢালাওভাবে গাছ কর্তন করা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে এসে ঘটনাটি তদন্ত করবেন বলে জোর দাবী জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।