ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে জব্দকৃত ভারতীয় চোরাই পণ্য নিলাম নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হয়েছে ছাত্রদল। পানীয় শ্রমিক ও ছাত্রদল এই দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসব ছাত্রদলের মধ্যে দু’একজন আগামী সম্মেলনে অনুষ্ঠিতব্য যুবদলের বিভিন্ন পদে প্রার্থী।
স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার সকাল ১১ টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল স্থলবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন গুরুতর আহত হন। এসময় বিভিন্ন দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি মনির হোসেন গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়াও আরো ৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের (রেজি নং- চট্ট-২২১৪) সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তামাবিল শুল্ক স্টেশনে জব্দকৃত ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন চোরাই পণ্য বিক্রির নিলাম কার্যক্রম ছিল। সে সময় পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বদরুল আলম শাওন, সদস্য সচিব এম. শাহীন আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলেমান আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ ইলিয়াস উপস্থিত হয়ে নিলামের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা তাদের আটক করে রাখে। পরে ছাত্রদল তাদের ফোন পেয়ে আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলাম কাজে বাধা দেন উপজেলা ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের অনেকে আহত হন। এরমধ্যে ছাত্রদলের সুলেমান আহমেদ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি সরকার তোফায়েল আহমদ বলেন, ঘটনার সময় তিনি সিলেট শহরে কনফারেন্সে ছিলেন। বিকেলে এসে ঘটনাটি জানতে পারেন। নিলামে দুইটি গ্রুপ ছিল। এর একটি গ্রুপের পক্ষে নিলাম পাইয়ে দেওয়ার পক্ষে ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদল এবং অন্য গ্রুপে ছিলেন শ্রমিক সংগঠনের নেতা। তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি একটি গ্রুপের পক্ষে ছিলেন। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয় এবং শ্রমিক সংগঠনের সভাপতিসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে জব্দকৃত ভারতীয় চোরাই পণ্য নিলাম নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হয়েছে ছাত্রদল। পানীয় শ্রমিক ও ছাত্রদল এই দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসব ছাত্রদলের মধ্যে দু’একজন আগামী সম্মেলনে অনুষ্ঠিতব্য যুবদলের বিভিন্ন পদে প্রার্থী।
স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার সকাল ১১ টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল স্থলবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন গুরুতর আহত হন। এসময় বিভিন্ন দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন সভাপতি মনির হোসেন গুরুতর আহত হয়ে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়াও আরো ৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ঘটনায় তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের (রেজি নং- চট্ট-২২১৪) সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তামাবিল শুল্ক স্টেশনে জব্দকৃত ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন চোরাই পণ্য বিক্রির নিলাম কার্যক্রম ছিল। সে সময় পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বদরুল আলম শাওন, সদস্য সচিব এম. শাহীন আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলেমান আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ ইলিয়াস উপস্থিত হয়ে নিলামের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা তাদের আটক করে রাখে। পরে ছাত্রদল তাদের ফোন পেয়ে আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নিলাম কাজে বাধা দেন উপজেলা ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় দুই পক্ষে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের অনেকে আহত হন। এরমধ্যে ছাত্রদলের সুলেমান আহমেদ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি সরকার তোফায়েল আহমদ বলেন, ঘটনার সময় তিনি সিলেট শহরে কনফারেন্সে ছিলেন। বিকেলে এসে ঘটনাটি জানতে পারেন। নিলামে দুইটি গ্রুপ ছিল। এর একটি গ্রুপের পক্ষে নিলাম পাইয়ে দেওয়ার পক্ষে ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদল এবং অন্য গ্রুপে ছিলেন শ্রমিক সংগঠনের নেতা। তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি একটি গ্রুপের পক্ষে ছিলেন। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয় এবং শ্রমিক সংগঠনের সভাপতিসহ আরও অনেকে আহত হয়েছেন।