ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে। প্রতিদিন ৩৫০ শিক্ষার্থী ও ২৫ জন শিক্ষক জড়াজীর্ণ এ ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে ক্লাস করছেন, ফলে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। তবে কতৃপক্ষ বলছেন ভবন নির্মানের জন্য উধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ভবণ নির্মার করা হবে।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি। এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে সাড়ে তিনশত শিক্ষার্থী ও ২৫ জন শিক্ষক রয়েছে। হাডুডু ও কাবাডি খেলায় বিদ্যালয়টি জাতীয় পর্যায়ে পুরুস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। বিদয়ালয়টিতে এসএসসি সাধারণ ও এসএসসি ভোকেশনাল দুটি শাখা রয়েছে। সাধারণে মানবিক ও বিজ্ঞন শাখায় প্রতি বছর ভালো ফলাফল করে আসছে। এ বছরও বেশ কয়েক জন শিক্ষারর্থী জিপিএ - ৫ পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। স্কুল টিতে বর্তমানে তিনটি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একতলা একটি পাকা ভবন, বাকি দু’টি ভাঙা-চূড়া কাঠের ঘর।
এ ভবনগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ ও দেয়ালে ফাটল ধরেছে, খসে পড়ছে পলেস্তারা এবং মরিচাধরা টিনের ছাউনি দিয়ে অঝোরে পড়ছে পানি। বৃষ্টি হলে ক্লাশে বসার সুযোগ থাকেনা। সব মিলিয়ে পাঠদানের পরিবেশ অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ঝুকিপূর্ণ। ইতোমধ্যে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় একাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছে। কিন্তু ক্লাশ নেয়ার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই ক্লাস চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা বলছেন, দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ ও পুরাতন ভবনের সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে।
অভিভাবকরা জানান, সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে সারাদিন দুশ্চিন্তায় থাকি। কখন যেন দুর্ঘটনা ঘটে, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিপা আক্তার বলেন, ক্লাস চলার সময় প্রায়ই ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।
অভিভাবক মিজানুর রহমান বলেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে সারাদিন দুশ্চিন্তায় থাকি। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছগির হোসেন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকির মধ্যেই পাঠদান চালাচ্ছি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার আজিম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ইতো মধ্যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে নতুন ভবনের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ভবন নির্মান সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে। প্রতিদিন ৩৫০ শিক্ষার্থী ও ২৫ জন শিক্ষক জড়াজীর্ণ এ ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে ক্লাস করছেন, ফলে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। তবে কতৃপক্ষ বলছেন ভবন নির্মানের জন্য উধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ভবণ নির্মার করা হবে।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি। এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে সাড়ে তিনশত শিক্ষার্থী ও ২৫ জন শিক্ষক রয়েছে। হাডুডু ও কাবাডি খেলায় বিদ্যালয়টি জাতীয় পর্যায়ে পুরুস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। বিদয়ালয়টিতে এসএসসি সাধারণ ও এসএসসি ভোকেশনাল দুটি শাখা রয়েছে। সাধারণে মানবিক ও বিজ্ঞন শাখায় প্রতি বছর ভালো ফলাফল করে আসছে। এ বছরও বেশ কয়েক জন শিক্ষারর্থী জিপিএ - ৫ পেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। স্কুল টিতে বর্তমানে তিনটি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একতলা একটি পাকা ভবন, বাকি দু’টি ভাঙা-চূড়া কাঠের ঘর।
এ ভবনগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ ও দেয়ালে ফাটল ধরেছে, খসে পড়ছে পলেস্তারা এবং মরিচাধরা টিনের ছাউনি দিয়ে অঝোরে পড়ছে পানি। বৃষ্টি হলে ক্লাশে বসার সুযোগ থাকেনা। সব মিলিয়ে পাঠদানের পরিবেশ অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ঝুকিপূর্ণ। ইতোমধ্যে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় একাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছে। কিন্তু ক্লাশ নেয়ার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই ক্লাস চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা বলছেন, দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ ও পুরাতন ভবনের সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে।
অভিভাবকরা জানান, সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে সারাদিন দুশ্চিন্তায় থাকি। কখন যেন দুর্ঘটনা ঘটে, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিপা আক্তার বলেন, ক্লাস চলার সময় প্রায়ই ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।
অভিভাবক মিজানুর রহমান বলেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে সারাদিন দুশ্চিন্তায় থাকি। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছগির হোসেন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকির মধ্যেই পাঠদান চালাচ্ছি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার আজিম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ইতো মধ্যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে নতুন ভবনের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ভবন নির্মান সম্ভব হবে।