ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
নওগাঁর সাপাহারে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার ঘটনায় ২ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। রাজশাহী মেডিকেল যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ১ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১ জন মারা যায়। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।
নিহতরা হলেন ইসলামপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রমজান আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ (২৬) এবং একই গ্রামের ববিতা (৩২)। আহতরা হলেন নিহত ববিতার স্বামী আলমগীর হোসেন (৪০), তাদের ৫ বছরের মেয়ে আয়েশা খাতুন এবং ভ্যানচালক নাজমুল হোসেন (২৮)। বর্তমানে তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা সদর থানার মোড় সংলগ্ন সাপাহার-খঞ্জনপুর সড়কের রিয়াজুল জান্নাত মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পশ্চিম মধইল থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস উপজেলা সদরে প্রবেশের সময় খঞ্জনপুরগামী ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এতে ভ্যানটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক সবাইকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পথে আব্দুস সামাদের মৃত্যু হয় এবং রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ববিতা।
সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আজিজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতদের পারিবারিক ভাবে অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
নওগাঁর সাপাহারে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার ঘটনায় ২ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। রাজশাহী মেডিকেল যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ১ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১ জন মারা যায়। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।
নিহতরা হলেন ইসলামপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রমজান আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ (২৬) এবং একই গ্রামের ববিতা (৩২)। আহতরা হলেন নিহত ববিতার স্বামী আলমগীর হোসেন (৪০), তাদের ৫ বছরের মেয়ে আয়েশা খাতুন এবং ভ্যানচালক নাজমুল হোসেন (২৮)। বর্তমানে তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা সদর থানার মোড় সংলগ্ন সাপাহার-খঞ্জনপুর সড়কের রিয়াজুল জান্নাত মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পশ্চিম মধইল থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস উপজেলা সদরে প্রবেশের সময় খঞ্জনপুরগামী ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এতে ভ্যানটি বাসের নিচে ঢুকে গেলে ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক সবাইকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পথে আব্দুস সামাদের মৃত্যু হয় এবং রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ববিতা।
সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আজিজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতদের পারিবারিক ভাবে অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।