সিলেটে সাম্প্রতিককালে সাদা পাথর লুটপাটের ঘটনায় একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। বিএনপি, যুবদল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি নেতৃবৃন্দসহ মোট ৪২ জন এ ঘটনায় সম্পৃক্ত বলে দুদকের সিলেট কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দাখিল করে। এর সূত্র ধরে জাতীয় একটি দৈনিক গত ২০ আগস্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। দুদকের বরাতে ওই প্রতিবেদনে মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহানগর শাখার আমির ও জেলা শাখার সেক্রেটারি নাম প্রকাশ পায়। অবশ্য শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সাক্ষাৎকার এবং সাংবাদিক সম্মেলনে অস্বীকার করে আসছেন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করে মহানগর ও জেলা জামায়াতে ইসলামী। মিছিল বের করার আগে বন্দরবাজার কুদরত উল্লাহ মার্কেটের সামনে এক সমাবেশ অংশ নেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। এই সমাবেশের ব্যানারে উল্লেখ ছিল পাথর লুটপাটে নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ।
সমাবেশে বক্তারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সাংবাদিকতার পাশাপাশি বর্তমানেও এ ধরনের সাংবাদিকতা চলছে বলে অভিযোগ করেন। বক্তব্যের প্রত্যেক নেতাই প্রকাশিত খবরের কারণ এর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। তবে সাংবাদিকরা যে দুদকের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছেন সেই দুদক সম্পর্কে বক্তারা কোনো মন্তব্যই করেননি।
বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
সিলেটে সাম্প্রতিককালে সাদা পাথর লুটপাটের ঘটনায় একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। বিএনপি, যুবদল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি নেতৃবৃন্দসহ মোট ৪২ জন এ ঘটনায় সম্পৃক্ত বলে দুদকের সিলেট কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দাখিল করে। এর সূত্র ধরে জাতীয় একটি দৈনিক গত ২০ আগস্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। দুদকের বরাতে ওই প্রতিবেদনে মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহানগর শাখার আমির ও জেলা শাখার সেক্রেটারি নাম প্রকাশ পায়। অবশ্য শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সাক্ষাৎকার এবং সাংবাদিক সম্মেলনে অস্বীকার করে আসছেন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করে মহানগর ও জেলা জামায়াতে ইসলামী। মিছিল বের করার আগে বন্দরবাজার কুদরত উল্লাহ মার্কেটের সামনে এক সমাবেশ অংশ নেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। এই সমাবেশের ব্যানারে উল্লেখ ছিল পাথর লুটপাটে নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ।
সমাবেশে বক্তারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সাংবাদিকতার পাশাপাশি বর্তমানেও এ ধরনের সাংবাদিকতা চলছে বলে অভিযোগ করেন। বক্তব্যের প্রত্যেক নেতাই প্রকাশিত খবরের কারণ এর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। তবে সাংবাদিকরা যে দুদকের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছেন সেই দুদক সম্পর্কে বক্তারা কোনো মন্তব্যই করেননি।