একটি প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে আদালতের আইন অমান্য করে এক নিরীহ পরিবারের জমি জোরপূর্বক জবরদখল করার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনাটি রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের খোর্দ বেলাইচন্ডী সরর্দারপাড়া গ্রামে ঘটেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিরীহ পরিবারটি তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহোযোগিতা না পাওয়ায় নিরুপায় হয়ে পড়ছে।
ফলে ভুক্তভোগীগণ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সরেজমিন তদন্ত করে ওই পকুচক্রী মহলটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকার আবদুল জব্বার মিয়া পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৬৮শতক জমি একেই এলাকার প্রভাবশালী মশিয়ার রহমান গণরা অবৈধভাবে জোবরদখল করে আসছিল। ২০১৫ সালে আব্দুল জব্বার মিয়া রংপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। তারেই ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আদালত আবদুল জব্বার মিয়ার পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নির্দেশে গত ১৩ জুলাই রংপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী, তারাগঞ্জ থানা পুলিশসহ একদল প্রশাসন ওই গ্রামে গিয়ে জমি দখলমুক্ত করে আব্দুল জব্বারকে বুঝিয়ে দেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনা স্থান ত্যাগ করার পর থেকে আবারও ওই প্রভাবশালীমহলটি ওই নিরীহ পরিবারটিকে মারধরসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক জমি জবরদখল করার চেষ্টা করছে।
এ সংক্রান্তে ওই এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গসহ আরো অনেকে সাংবাদিকদের জানান, আদালতের নির্দেশে জমি উদ্ধার করেও শান্তি পাচ্ছেনা দারিদ্র পরিবারটি। জমি ফিরে পাওয়ার দিন থেকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকিতে দিন কাটছে তাদের।
ভুক্তভোগী আব্দুল জব্বার জানান, তাঁর দাদা জমির উদ্দিনের রেখে যাওয়া ৬৮ শতক জমি জোরপূর্বক জবরদখল করে আসছে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা মশিউর রহমান ওরফে কালুয়া। আমি আদালতের মাধ্যমে জমি বুঝিয়ে পেয়েও আবারো আমার জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে।
তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল রানা বলেন, একটি নিরীহ পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করার কথা শুনেছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
একটি প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে আদালতের আইন অমান্য করে এক নিরীহ পরিবারের জমি জোরপূর্বক জবরদখল করার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনাটি রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের খোর্দ বেলাইচন্ডী সরর্দারপাড়া গ্রামে ঘটেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিরীহ পরিবারটি তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহোযোগিতা না পাওয়ায় নিরুপায় হয়ে পড়ছে।
ফলে ভুক্তভোগীগণ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সরেজমিন তদন্ত করে ওই পকুচক্রী মহলটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকার আবদুল জব্বার মিয়া পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৬৮শতক জমি একেই এলাকার প্রভাবশালী মশিয়ার রহমান গণরা অবৈধভাবে জোবরদখল করে আসছিল। ২০১৫ সালে আব্দুল জব্বার মিয়া রংপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। তারেই ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আদালত আবদুল জব্বার মিয়ার পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নির্দেশে গত ১৩ জুলাই রংপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী, তারাগঞ্জ থানা পুলিশসহ একদল প্রশাসন ওই গ্রামে গিয়ে জমি দখলমুক্ত করে আব্দুল জব্বারকে বুঝিয়ে দেন। প্রশাসনের লোকজন ঘটনা স্থান ত্যাগ করার পর থেকে আবারও ওই প্রভাবশালীমহলটি ওই নিরীহ পরিবারটিকে মারধরসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক জমি জবরদখল করার চেষ্টা করছে।
এ সংক্রান্তে ওই এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গসহ আরো অনেকে সাংবাদিকদের জানান, আদালতের নির্দেশে জমি উদ্ধার করেও শান্তি পাচ্ছেনা দারিদ্র পরিবারটি। জমি ফিরে পাওয়ার দিন থেকে প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকিতে দিন কাটছে তাদের।
ভুক্তভোগী আব্দুল জব্বার জানান, তাঁর দাদা জমির উদ্দিনের রেখে যাওয়া ৬৮ শতক জমি জোরপূর্বক জবরদখল করে আসছে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা মশিউর রহমান ওরফে কালুয়া। আমি আদালতের মাধ্যমে জমি বুঝিয়ে পেয়েও আবারো আমার জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করছে।
তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল রানা বলেন, একটি নিরীহ পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করার কথা শুনেছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।