শরদ এসেছে। শিউলি ও কাঁশফুলের শুভ্রতায় পরিপূর্নতায় এবং কৃষকের রোপা আমন ধানের ফসলে মাঠে সবুজ সমারোহ। প্রকৃতির এখন এসব বাহারি রূপ নিয়ে দরজায় কড়া নাড়ছে। আর এই শরদে বাজারজুড়ে দেখা মিলছে শীতকালীন শাক-সবজি। সবজি বাজারের শীতকালীন সকল ধরণের শাক-সবজির দেখা মিললেও গত কয়েকদিন এসবেরর দাম নাগালের বাহিরে। হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। অন্যান্য শাক-সবজির দাও চড়া। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
গত কয়েকদিন ধরে বরগুনার বেতাগী পৌর শহরে বেশ কয়েকটি সবজির বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকা এবং ধনিয়া পাতা ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। লাউ প্রতিটি আকারভেদে ১০০-২০০ টাকা, বেগুন ৭০-৯০ টাকা।
বেতাগী পৌর শহরের বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. নাসির উদ্দিন ও মো. আলী আকন বলেন, গত দুই দিন আগে কাঁচা মরিচের মানভেদে ২০০- ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। কিন্তু বর্তমানে আমরা পাইকারী বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। একারণে খুচরা বাজারেও বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।
হঠাৎ দাম বৃদ্ধির ফলে বিপাকে পড়েছেন অনেক সাধারণ মানুষ ? সবজি বাজারে এই প্রতিবেদকের তথ্য সংগ্রহকালে বাজার করতে আসা বেতাগী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিক মৃধা নামে এক ক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আড়াই শ’গ্রাম কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা! চিন্তা করা যায়? সব কিছুর দাম বাড়তি। এইভাবে দেশ চলে নাকি?
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শুধু কাঁচামরিচ নয়, সব ধরনের সবজির দামই চড়া। একমাত্র পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। বাজারে এই পেঁপে জাত ও আকারভেদে আবার এই পেঁপেই বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে? অন্যান্য সব সবজির দাম ৬০ টাকার বেশি।
বাজারে প্রতিটি জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা দরে? শশার কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা কেজি, ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি, পটল ৮০ টাকা, মূলা ৬০ টাকা, করল্লা ৮০ টাকা, উস্তা ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা।বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা।
এবিষয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিপুল সিকদার বলেন, কোন দোকানদার নিজের ইচ্ছে মত বেশিতে কোন পন্য বিক্রি করতে পারবে না। এজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বেশিতে পন্য বিক্রির প্রমান পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমান আদালতে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
শরদ এসেছে। শিউলি ও কাঁশফুলের শুভ্রতায় পরিপূর্নতায় এবং কৃষকের রোপা আমন ধানের ফসলে মাঠে সবুজ সমারোহ। প্রকৃতির এখন এসব বাহারি রূপ নিয়ে দরজায় কড়া নাড়ছে। আর এই শরদে বাজারজুড়ে দেখা মিলছে শীতকালীন শাক-সবজি। সবজি বাজারের শীতকালীন সকল ধরণের শাক-সবজির দেখা মিললেও গত কয়েকদিন এসবেরর দাম নাগালের বাহিরে। হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। অন্যান্য শাক-সবজির দাও চড়া। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
গত কয়েকদিন ধরে বরগুনার বেতাগী পৌর শহরে বেশ কয়েকটি সবজির বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকা এবং ধনিয়া পাতা ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। লাউ প্রতিটি আকারভেদে ১০০-২০০ টাকা, বেগুন ৭০-৯০ টাকা।
বেতাগী পৌর শহরের বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. নাসির উদ্দিন ও মো. আলী আকন বলেন, গত দুই দিন আগে কাঁচা মরিচের মানভেদে ২০০- ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। কিন্তু বর্তমানে আমরা পাইকারী বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। একারণে খুচরা বাজারেও বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।
হঠাৎ দাম বৃদ্ধির ফলে বিপাকে পড়েছেন অনেক সাধারণ মানুষ ? সবজি বাজারে এই প্রতিবেদকের তথ্য সংগ্রহকালে বাজার করতে আসা বেতাগী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিক মৃধা নামে এক ক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আড়াই শ’গ্রাম কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা! চিন্তা করা যায়? সব কিছুর দাম বাড়তি। এইভাবে দেশ চলে নাকি?
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শুধু কাঁচামরিচ নয়, সব ধরনের সবজির দামই চড়া। একমাত্র পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। বাজারে এই পেঁপে জাত ও আকারভেদে আবার এই পেঁপেই বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে? অন্যান্য সব সবজির দাম ৬০ টাকার বেশি।
বাজারে প্রতিটি জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা দরে? শশার কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা কেজি, ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি, পটল ৮০ টাকা, মূলা ৬০ টাকা, করল্লা ৮০ টাকা, উস্তা ৭০-৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা।বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা।
এবিষয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিপুল সিকদার বলেন, কোন দোকানদার নিজের ইচ্ছে মত বেশিতে কোন পন্য বিক্রি করতে পারবে না। এজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বেশিতে পন্য বিক্রির প্রমান পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমান আদালতে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।