ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার ছোটআঁচড়া গ্রামে মিজানুর রহমান সর্দারকে (৪৩) দুর্বৃত্তরা গরু কাটা ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মিজানুর রহমান সর্দার বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের হানিফ আলী সর্দারের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, মিজানুর বেনাপোল চেকপোস্টে একটি কসাইয়ের দোকানে গরু কাটার কাজ করে। প্রতিদিন সে ভোরে উঠে ওই কাজে যায়। আজও (শুক্রবার) তার কসাইয়ের দোকানে কাজ করতে যাওয়ার কথা ছিল। জানা মতে এলাকায় কারো সাথে তার কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। সে সবার সাথে মিলে মিশে থাকতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি কে বা কারা বাড়ির গেটের সামনে উঠোনে গলা কেটে হত্যা করে রেখে গেছে।
নিহতের ভাই খায়রুল ইসলাম জানান, আমার ভাই সাথে কারো কোন শত্রুতা ছিল না। সে একটা কসাইয়ের দোকানে কাজ করে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে তিনটার কে বা কারা তাকে ফোনে কল দিয়ে ডাকলে ভাই তার কাজে ব্যবহৃত ছুরি নিয়ে বাহিরে বের হন। পরে দেখি কে বা কারা গেটের ভিতরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে চলে গেছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল মিয়া ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা তাকে কেন গলা কেটে হত্যা করেছে। এটা তদন্ত না করে কোন কিছু বলা সম্ভব না। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন। মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার ছোটআঁচড়া গ্রামে মিজানুর রহমান সর্দারকে (৪৩) দুর্বৃত্তরা গরু কাটা ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মিজানুর রহমান সর্দার বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের হানিফ আলী সর্দারের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, মিজানুর বেনাপোল চেকপোস্টে একটি কসাইয়ের দোকানে গরু কাটার কাজ করে। প্রতিদিন সে ভোরে উঠে ওই কাজে যায়। আজও (শুক্রবার) তার কসাইয়ের দোকানে কাজ করতে যাওয়ার কথা ছিল। জানা মতে এলাকায় কারো সাথে তার কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। সে সবার সাথে মিলে মিশে থাকতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি কে বা কারা বাড়ির গেটের সামনে উঠোনে গলা কেটে হত্যা করে রেখে গেছে।
নিহতের ভাই খায়রুল ইসলাম জানান, আমার ভাই সাথে কারো কোন শত্রুতা ছিল না। সে একটা কসাইয়ের দোকানে কাজ করে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে তিনটার কে বা কারা তাকে ফোনে কল দিয়ে ডাকলে ভাই তার কাজে ব্যবহৃত ছুরি নিয়ে বাহিরে বের হন। পরে দেখি কে বা কারা গেটের ভিতরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে চলে গেছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল মিয়া ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তরা তাকে কেন গলা কেটে হত্যা করেছে। এটা তদন্ত না করে কোন কিছু বলা সম্ভব না। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন। মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।