ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শেখ হাসিনার কাছে মাথা নত করিনি। সন্ত্রাস অত্যাচার নির্যাতনের পরও আমরা লক্ষ্মীপুরে ছিলাম। ১৭ বছর বহু এসপি, ডিসির রক্তচক্ষু দেখেছি। গডফাদার তাহের বাহিনীর রক্তচক্ষু আমাদের কাছে সাধারণ বিষয় ছিল; কিন্তু সব সময় মাথা উঁচু করে আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন। লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতন মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে এ্যানি আরও বলেন, হাসিনার বিরুদ্ধে এক দফার আন্দোলনে বারবার জেলে গেছি। মামলা-নির্যাতনের পাশাপাশি বাড়িতেও হামলা হয়েছে। আমরা যতবার প্রতিবাদী হয়েছি, ততবার গ্রেপ্তার হয়েছি। গ্রেপ্তারকে কখনো ভয় পাইনি। হাসিনার কাছে মাথা নত করিনি। এ্যানি বলেন, ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামের কারণে জেলা বিএনপিকে সাজাতে পারিনি। আমি জেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর তখন হাসিনার বিরুদ্ধে এক দফার আন্দোলন শুরু হয়। পুরো জেলায়, বিশেষ করে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিটে অনেক নেতা-কর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। রক্তাক্ত হয়েছে এই পৌরসভা। তারপরও আমরা কেউ কাউকে ছেড়ে যাইনি। লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির সহ-শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক এড. হাছিবুর রহমান প্রমুখ।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শেখ হাসিনার কাছে মাথা নত করিনি। সন্ত্রাস অত্যাচার নির্যাতনের পরও আমরা লক্ষ্মীপুরে ছিলাম। ১৭ বছর বহু এসপি, ডিসির রক্তচক্ষু দেখেছি। গডফাদার তাহের বাহিনীর রক্তচক্ষু আমাদের কাছে সাধারণ বিষয় ছিল; কিন্তু সব সময় মাথা উঁচু করে আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন। লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতন মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে এ্যানি আরও বলেন, হাসিনার বিরুদ্ধে এক দফার আন্দোলনে বারবার জেলে গেছি। মামলা-নির্যাতনের পাশাপাশি বাড়িতেও হামলা হয়েছে। আমরা যতবার প্রতিবাদী হয়েছি, ততবার গ্রেপ্তার হয়েছি। গ্রেপ্তারকে কখনো ভয় পাইনি। হাসিনার কাছে মাথা নত করিনি। এ্যানি বলেন, ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামের কারণে জেলা বিএনপিকে সাজাতে পারিনি। আমি জেলার দায়িত্ব নেওয়ার পর তখন হাসিনার বিরুদ্ধে এক দফার আন্দোলন শুরু হয়। পুরো জেলায়, বিশেষ করে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিটে অনেক নেতা-কর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। রক্তাক্ত হয়েছে এই পৌরসভা। তারপরও আমরা কেউ কাউকে ছেড়ে যাইনি। লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির সহ-শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক এড. হাছিবুর রহমান প্রমুখ।