ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের মধ্যে গত বুধবার রাতে মারামারি হয়েছে।
মারামারি ঠেকাতে গিয়ে জামায়াতের এক নেতাসহ উভয় গ্রুপের ৭ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রামপাল উপজেলা বিএনপির দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে বিএনপি নেতা শামীম গ্রুপ বিজয় হওয়ার পর ওই গ্রুপের মুক্ত, মালেক ও টুকুর নেতৃত্বে উপজেলার বাঁশতলী এলাকায় বিএনপির ফদির গ্রুপের মাছের ঘের লুট হয়।
এ নিয়ে বুধবার রাতে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি বেঁধে যায়। মারামারি ঠেকাতে গিয়ে বাঁশতলী ইউনিয়ন জামাতের আমীর মাওলানা আবু খালিদ (৬৫) আহত হন। এছাড়া মারামারিতে দুই গ্রুপের ৭ জন কমবেশী আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে রাতেই রামপাল থানার ওসি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আহতরা রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বাগেরহাট পুলিশ অফিসের মিডিয়া সেলের পুলিশ পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন জানান।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিএনপির বিবাদমান দুই গ্রুপের মধ্যে গত বুধবার রাতে মারামারি হয়েছে।
মারামারি ঠেকাতে গিয়ে জামায়াতের এক নেতাসহ উভয় গ্রুপের ৭ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রামপাল উপজেলা বিএনপির দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে বিএনপি নেতা শামীম গ্রুপ বিজয় হওয়ার পর ওই গ্রুপের মুক্ত, মালেক ও টুকুর নেতৃত্বে উপজেলার বাঁশতলী এলাকায় বিএনপির ফদির গ্রুপের মাছের ঘের লুট হয়।
এ নিয়ে বুধবার রাতে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি বেঁধে যায়। মারামারি ঠেকাতে গিয়ে বাঁশতলী ইউনিয়ন জামাতের আমীর মাওলানা আবু খালিদ (৬৫) আহত হন। এছাড়া মারামারিতে দুই গ্রুপের ৭ জন কমবেশী আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে রাতেই রামপাল থানার ওসি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আহতরা রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বাগেরহাট পুলিশ অফিসের মিডিয়া সেলের পুলিশ পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন জানান।