রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে ৮ জনকে কারাগারে
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
আল আরাফাহ ব্যাংকের চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য মিছিল করে ‘জনদুর্ভোগ সৃষ্টি এবং পুলিশের ওপর আক্রমণের’ অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড পাঠিয়েছে আদালত। এছাড়া রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে ৮ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা পুলিশ ও আসামিদের আবেদনের ওপর শুনানি করে গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন- নুরুল আকিব, মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইছা জাবেদ। আর আফজাল হোসাইন, হাসিবুল ইসলাম, জোবাইর বিন রশিদ, ইলিয়াস মিয়া, আজাদ হোসেন, ইরফান উদ্দিন, মজিবুল বশক ও শরিফুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই সাইদুর রহমান ১১ আসামির সবাইকে সাত দিন করে রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ‘আমরা রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করি। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চান। আদালত, তিনজনকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্য ৮ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট সকালে পল্টনের দৈনিক বাংলা মোড় এলাকায় আল আরাফাহ ব্যাংকের সামনে ১০০-১৫০ জন বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা চাকরি ফিরে পেতে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা তাদের স্লোগান দিতে নিষেধ করেন এবং সরে যেতে বলেন। নিষেধ অমান্য করে তারা রাস্তায় ‘জনদুর্ভোগ’ তৈরি করে এবং পুলিশের ওপর ‘মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়’ বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, ‘একপর্যায়ে তারা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করে।’ এ ঘটনায় গত ২৫ আগস্ট পল্টন থানায় মামলা করেন পল্টন থানার এসআই জুয়েল ইসলাম। গ্রেপ্তার ১১ জনকে সেই মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।
রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে ৮ জনকে কারাগারে
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
আল আরাফাহ ব্যাংকের চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য মিছিল করে ‘জনদুর্ভোগ সৃষ্টি এবং পুলিশের ওপর আক্রমণের’ অভিযোগে পল্টন থানার মামলায় তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড পাঠিয়েছে আদালত। এছাড়া রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে ৮ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা পুলিশ ও আসামিদের আবেদনের ওপর শুনানি করে গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।
রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন- নুরুল আকিব, মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইছা জাবেদ। আর আফজাল হোসাইন, হাসিবুল ইসলাম, জোবাইর বিন রশিদ, ইলিয়াস মিয়া, আজাদ হোসেন, ইরফান উদ্দিন, মজিবুল বশক ও শরিফুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই সাইদুর রহমান ১১ আসামির সবাইকে সাত দিন করে রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। ‘আমরা রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করি। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চান। আদালত, তিনজনকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্য ৮ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।’
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট সকালে পল্টনের দৈনিক বাংলা মোড় এলাকায় আল আরাফাহ ব্যাংকের সামনে ১০০-১৫০ জন বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা চাকরি ফিরে পেতে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা তাদের স্লোগান দিতে নিষেধ করেন এবং সরে যেতে বলেন। নিষেধ অমান্য করে তারা রাস্তায় ‘জনদুর্ভোগ’ তৈরি করে এবং পুলিশের ওপর ‘মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়’ বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে বলা হয়, ‘একপর্যায়ে তারা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করে।’ এ ঘটনায় গত ২৫ আগস্ট পল্টন থানায় মামলা করেন পল্টন থানার এসআই জুয়েল ইসলাম। গ্রেপ্তার ১১ জনকে সেই মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।