গাজীপুরের শ্রীপুরে তাল কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজের ১০ ঘণ্টা পর পঞ্চাশোর্ধ নারী কমলা বেগমের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কমলা বেগম উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ভুতুলিয়া গ্রামের কৃষক কদম আলীর স্ত্রী। শুক্রবার,(২৯ আগস্ট ২০২৫) ভুতুলিয়া গ্রামের ঝোপের গর্ত থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শ্রীপুর থানার চকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান নিহতের স্বামীর বরাত দিয়ে জানান, সকালে কমলা বেগম ও তার স্বামী কদম আলী একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। কদম আলী কাজের উদ্দেশে এবং কমলা বেগম বাড়ির অদূরে ঝোপজঙ্গলে ৪/৫টি তাল গাছ রয়েছে সেখানে তাল কুড়াতে যায়। দুপুরে নিহতের স্বামী মাঠের কৃষি কাজ থেকে বাড়ি ফিরলেও স্ত্রী কমলা বেগম বাড়ি ফিরে নাই। পরে আশপাশের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেতে থাকে। তার কোনো সন্ধান না পেয়ে প্রতিবেশীরাও ওই নারীকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুপুরের পর প্রতিবেশী এক নারী ঝোপঝাড়ের ভেতর মাটি খোড়া দেখতে পেয়ে তার সন্দেহ হয়। ওই নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের বাড়ির নারী পুরুষ এসে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় কমলা বেগমের লাশ দেখতে পায়।
নিহতের স্বামী কদম আলী পুলিশকে জানায়, প্রায় দুই মাস আগে প্রতিবেশী নবী হোসেনের সামান্য একটা বিষয় নিয়ে তাদের বিরোধ হয়। এলাকার কারো সঙ্গে কদম আলী ও কমলা বেগম দম্পত্তির বিরোধ নেই। আমি মানুষের বাড়িতে কৃষি কাজ করি। ছেলে এবং ছেলের বউ পোশাক কারখানায় চাকরি করে। আমার স্ত্রী বাড়িতে থেকে নাতিদেরকে দেখাশোনা করে। কারা এবং কেন আমার স্ত্রীকে এভাবে হত্যা করলো?
শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় নারীর গলাকাটা মরদেহের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ওই নারীর মুখম-ল থেঁতলানোসহ সুরতহালে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
গাজীপুরের শ্রীপুরে তাল কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজের ১০ ঘণ্টা পর পঞ্চাশোর্ধ নারী কমলা বেগমের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কমলা বেগম উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ভুতুলিয়া গ্রামের কৃষক কদম আলীর স্ত্রী। শুক্রবার,(২৯ আগস্ট ২০২৫) ভুতুলিয়া গ্রামের ঝোপের গর্ত থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শ্রীপুর থানার চকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান নিহতের স্বামীর বরাত দিয়ে জানান, সকালে কমলা বেগম ও তার স্বামী কদম আলী একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়। কদম আলী কাজের উদ্দেশে এবং কমলা বেগম বাড়ির অদূরে ঝোপজঙ্গলে ৪/৫টি তাল গাছ রয়েছে সেখানে তাল কুড়াতে যায়। দুপুরে নিহতের স্বামী মাঠের কৃষি কাজ থেকে বাড়ি ফিরলেও স্ত্রী কমলা বেগম বাড়ি ফিরে নাই। পরে আশপাশের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেতে থাকে। তার কোনো সন্ধান না পেয়ে প্রতিবেশীরাও ওই নারীকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুপুরের পর প্রতিবেশী এক নারী ঝোপঝাড়ের ভেতর মাটি খোড়া দেখতে পেয়ে তার সন্দেহ হয়। ওই নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের বাড়ির নারী পুরুষ এসে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় কমলা বেগমের লাশ দেখতে পায়।
নিহতের স্বামী কদম আলী পুলিশকে জানায়, প্রায় দুই মাস আগে প্রতিবেশী নবী হোসেনের সামান্য একটা বিষয় নিয়ে তাদের বিরোধ হয়। এলাকার কারো সঙ্গে কদম আলী ও কমলা বেগম দম্পত্তির বিরোধ নেই। আমি মানুষের বাড়িতে কৃষি কাজ করি। ছেলে এবং ছেলের বউ পোশাক কারখানায় চাকরি করে। আমার স্ত্রী বাড়িতে থেকে নাতিদেরকে দেখাশোনা করে। কারা এবং কেন আমার স্ত্রীকে এভাবে হত্যা করলো?
শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় নারীর গলাকাটা মরদেহের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ওই নারীর মুখম-ল থেঁতলানোসহ সুরতহালে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।