হযরত শাহপরাণ (রহ.) ওরসের ৭ শতাব্দী প্রাচীন রেওয়াজ অনুযায়ী শিরনী দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়নি আশেকান ভক্তদের। এ শিরনীকে তাবারুক হিসাবে ভক্ত ও আশেকানদের মাঝে বিশেষ কদর রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) শুরু হওয়া ওরস শুক্রবার বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। তবে এই প্রথম খালি হাতে ফেরত গেলেন ভক্তরা।
গত বছর ওরসে মব তৈরি করে বিশৃঙ্খলার কারণে এবার পুলিশ প্রশাসন বেশ কিছু বিধিনিষেধ পালনের শর্তে বার্ষিক ওরস করার অনুমতি দেয়। এর মধ্যে ছিল ভক্তদের গান-বাজনা বন্ধ রাখা এবং মাজার মোতাওয়াল্লীদের পক্ষ থেকে শিরনী বিতরণ না করা।
এবার ওরসে আসা আশেকানরা জানিয়েছেন, গত বছর মব সন্ত্রাসের কারণে এ মাজারে অনেক কম লোক এসেছেন। এটা সুফিবাদি রেওয়াজের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
প্রতি বছর খতমে কোরআন, দোয়া, জিকির, মিলাদ, গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, ফাতেহা পাঠ এবং শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর শিরনী বিতরণের মধ্য দিয়ে ওরস সমাপ্তি ঘটে। তবে এবার পুলিশের নির্দেশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কারণে শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ জানান, ‘প্রশাসনের সভায় আমাদের জানানো হয় শিরনী বিতরণে নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওরসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশ, র্যাব, এনএসআই, ডিজিএফআই, স্থানীয় সেনা ও অন্যান্য সংস্থা এলাকা মনিটরিং করছে। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তদারকি কমিটি পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছে।
নাগরিক সমাজ ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো প্রশাসনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করছেন। পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রেজাউল কিবরিয়া বলেন, ‘শিরনী বিতরণ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। প্রশাসন যদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে ঐতিহ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো সম্ভব।’
সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানান, ‘কোনও ব্যক্তি আমাকে বিষয়টি জানায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হয়তো এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেটা করলে সমস্যা হতে পারে, সেটা না করাই ভালো।’
করোনা ভাইরাসের সময় একটি ওরসে শুধু শিরনী বিতরণ করা হয়নি।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
হযরত শাহপরাণ (রহ.) ওরসের ৭ শতাব্দী প্রাচীন রেওয়াজ অনুযায়ী শিরনী দিয়ে বিদায় দেওয়া হয়নি আশেকান ভক্তদের। এ শিরনীকে তাবারুক হিসাবে ভক্ত ও আশেকানদের মাঝে বিশেষ কদর রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) শুরু হওয়া ওরস শুক্রবার বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। তবে এই প্রথম খালি হাতে ফেরত গেলেন ভক্তরা।
গত বছর ওরসে মব তৈরি করে বিশৃঙ্খলার কারণে এবার পুলিশ প্রশাসন বেশ কিছু বিধিনিষেধ পালনের শর্তে বার্ষিক ওরস করার অনুমতি দেয়। এর মধ্যে ছিল ভক্তদের গান-বাজনা বন্ধ রাখা এবং মাজার মোতাওয়াল্লীদের পক্ষ থেকে শিরনী বিতরণ না করা।
এবার ওরসে আসা আশেকানরা জানিয়েছেন, গত বছর মব সন্ত্রাসের কারণে এ মাজারে অনেক কম লোক এসেছেন। এটা সুফিবাদি রেওয়াজের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
প্রতি বছর খতমে কোরআন, দোয়া, জিকির, মিলাদ, গিলাফ চড়ানো, গরু জবেহ, ফাতেহা পাঠ এবং শেষ দিন বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের পর শিরনী বিতরণের মধ্য দিয়ে ওরস সমাপ্তি ঘটে। তবে এবার পুলিশের নির্দেশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কারণে শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
মাজারের খাদেম আব্দুল আজিজ জানান, ‘প্রশাসনের সভায় আমাদের জানানো হয় শিরনী বিতরণে নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওরসকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পুলিশ, র্যাব, এনএসআই, ডিজিএফআই, স্থানীয় সেনা ও অন্যান্য সংস্থা এলাকা মনিটরিং করছে। ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তদারকি কমিটি পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছে।
নাগরিক সমাজ ও ঐতিহ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো প্রশাসনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও শিরনী বিতরণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করছেন। পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রেজাউল কিবরিয়া বলেন, ‘শিরনী বিতরণ আমাদের সংস্কৃতির অংশ। প্রশাসন যদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে ঐতিহ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো সম্ভব।’
সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানান, ‘কোনও ব্যক্তি আমাকে বিষয়টি জানায়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হয়তো এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেটা করলে সমস্যা হতে পারে, সেটা না করাই ভালো।’
করোনা ভাইরাসের সময় একটি ওরসে শুধু শিরনী বিতরণ করা হয়নি।