ভোলায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে ছাত্রলীগ নেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মো. সাইফুল্লাহ আরিফ (২৮) ভোলা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ ই নববী সংলগ্ন এলাকার মো. বশির মাস্টারের ছেলে। তিনি ভোলা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি।
নিহতের বাবা ও মা জানান, শুক্রবার রাতে সাইফুল্লাহ আরিফ তার বাড়িতে ছিলেন। রাতের খাবার খেয়ে তার বাবা-মা ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে তার বাবা ঘর থেকে বের হলে ঘরের সামনে সাইফুল্লাহ আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
তারা আরও জানান, সাইফুল্লাহ আরিফকে ঘর থেকে বের করে কুপিয়ে ও আঘাত করে হত্যা করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি করেন তারা।
ভোলা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শংকর তালুকদার জানান, মরদেহে দুইটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ভারি কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আমরা পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবো। তদন্ত চলছে।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
ভোলায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে ছাত্রলীগ নেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মো. সাইফুল্লাহ আরিফ (২৮) ভোলা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ ই নববী সংলগ্ন এলাকার মো. বশির মাস্টারের ছেলে। তিনি ভোলা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি।
নিহতের বাবা ও মা জানান, শুক্রবার রাতে সাইফুল্লাহ আরিফ তার বাড়িতে ছিলেন। রাতের খাবার খেয়ে তার বাবা-মা ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে তার বাবা ঘর থেকে বের হলে ঘরের সামনে সাইফুল্লাহ আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
তারা আরও জানান, সাইফুল্লাহ আরিফকে ঘর থেকে বের করে কুপিয়ে ও আঘাত করে হত্যা করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি করেন তারা।
ভোলা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শংকর তালুকদার জানান, মরদেহে দুইটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ভারি কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আমরা পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবো। তদন্ত চলছে।