ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় তালক প্রাপ্তা সাবেক স্ত্রী (২৫) ও তার সাবেক স্বামী মিলন মিয়াকে (৩০) খুঁটিতে বেঁধে মারপিট করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন একটি ভিডিও ফুটেজ বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নির্যাতিতা ওই মেয়ের খোঁজ
পাচ্ছেনা বলে স্বজনদের দাবি। এর আগে গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার রাখাল বুরুজ সরকার পাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতার একই গ্রামের শাহারুল সরকার ও শরিফা বেগম দম্পতি মেয়ে। নির্যাতিতার বাবা মা জানান, গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন বোচাদহ গ্রামে জসিমউদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তাদের মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর এক সন্তানের মা হলে তাদের মেয়েকে তালাক দিয়েছে ওই স্বামী। এরই একপর্যায়ে প্রায় ৮ মাস আগে রাখাল বুরুজ সরকার পাড়া গ্রামের মিলন মিয়া প্রেমে ফেলে তার মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ে করার কিছু দিনের মাথায় মিলন মিয়ার পারিবারিক চাপে তাকে তালাক দেয়। তালাক হওয়ার পর বাধ্য হয়ে ওই মেয়েটি চাগং ইপিজেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে চাকরি নেয়। সম্প্রতি ছুটিতে বাবার বাড়িতে অবস্থান করা কালে ফের মিলন মিয়া প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং পুনরায় মিলন তাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এ অবস্থায় গত ২৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তালাক প্রাপ্তা ওই নারী কাপড়-চোপড় কেনার জন্য গোবিন্দগঞ্জে আসে। এই সুবাদে মিলন মিয়াও আসে। তাদের দেখা হওয়ার এক পর্যায়ে সাবেক স্বামী মিলন মিয়া ও সাবেক স্ত্রীর গল্প করা কালে সরকার পাড়ার শাহারুল ইসলাম সরকার ও সাদা মিয়া সরকারসহ আরও কয়েকজন মিলে গোবিন্দগঞ্জ উত্তর বাসষ্ট্যান্ড থেকে তাদেরকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে আটক রেখে লাঠি ও লোহার রড দ্বারা উভয়কে বেধরক মারপিট করে। এরপর ওই নারীও সাবেক স্বামী মিলন মিয়াকে বারান্দার সিমেন্টের খুঁটির সাথে রশি দ্বারা বেঁধে প্রকাশ্যে গ্রামের মানূষের সামনে চুলকাটা মেশিন দিয়ে সাবেক স্ত্রী ও মিলন মিয়ার মাথাচুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে নির্যাতনের শিকার নারীর মা শরিফা বেগম বলেন, শুধু মারধর আর ন্যাড়া করা নয় , প্রতিপক্ষ শাহারুল ইসলাম সরকার গংরা আমার মেয়েকে আগুনে পোড়ানো গরম ভাজনী (ফলা) ছ্যাকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তাদের মেয়ের খোঁজ মিলছেনা।এ নিয়ে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহারুল ইসলাম সরকার গংদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় তালক প্রাপ্তা সাবেক স্ত্রী (২৫) ও তার সাবেক স্বামী মিলন মিয়াকে (৩০) খুঁটিতে বেঁধে মারপিট করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন একটি ভিডিও ফুটেজ বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নির্যাতিতা ওই মেয়ের খোঁজ
পাচ্ছেনা বলে স্বজনদের দাবি। এর আগে গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার রাখাল বুরুজ সরকার পাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতার একই গ্রামের শাহারুল সরকার ও শরিফা বেগম দম্পতি মেয়ে। নির্যাতিতার বাবা মা জানান, গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন বোচাদহ গ্রামে জসিমউদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তাদের মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর এক সন্তানের মা হলে তাদের মেয়েকে তালাক দিয়েছে ওই স্বামী। এরই একপর্যায়ে প্রায় ৮ মাস আগে রাখাল বুরুজ সরকার পাড়া গ্রামের মিলন মিয়া প্রেমে ফেলে তার মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ে করার কিছু দিনের মাথায় মিলন মিয়ার পারিবারিক চাপে তাকে তালাক দেয়। তালাক হওয়ার পর বাধ্য হয়ে ওই মেয়েটি চাগং ইপিজেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে চাকরি নেয়। সম্প্রতি ছুটিতে বাবার বাড়িতে অবস্থান করা কালে ফের মিলন মিয়া প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং পুনরায় মিলন তাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এ অবস্থায় গত ২৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তালাক প্রাপ্তা ওই নারী কাপড়-চোপড় কেনার জন্য গোবিন্দগঞ্জে আসে। এই সুবাদে মিলন মিয়াও আসে। তাদের দেখা হওয়ার এক পর্যায়ে সাবেক স্বামী মিলন মিয়া ও সাবেক স্ত্রীর গল্প করা কালে সরকার পাড়ার শাহারুল ইসলাম সরকার ও সাদা মিয়া সরকারসহ আরও কয়েকজন মিলে গোবিন্দগঞ্জ উত্তর বাসষ্ট্যান্ড থেকে তাদেরকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে আটক রেখে লাঠি ও লোহার রড দ্বারা উভয়কে বেধরক মারপিট করে। এরপর ওই নারীও সাবেক স্বামী মিলন মিয়াকে বারান্দার সিমেন্টের খুঁটির সাথে রশি দ্বারা বেঁধে প্রকাশ্যে গ্রামের মানূষের সামনে চুলকাটা মেশিন দিয়ে সাবেক স্ত্রী ও মিলন মিয়ার মাথাচুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে নির্যাতনের শিকার নারীর মা শরিফা বেগম বলেন, শুধু মারধর আর ন্যাড়া করা নয় , প্রতিপক্ষ শাহারুল ইসলাম সরকার গংরা আমার মেয়েকে আগুনে পোড়ানো গরম ভাজনী (ফলা) ছ্যাকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তাদের মেয়ের খোঁজ মিলছেনা।এ নিয়ে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহারুল ইসলাম সরকার গংদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।