ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল মসনি গ্রামে পপি রানী দাস (২৮) নামের এক নারী গলায় ধুতি পেচিয়ে আমগাছের ডালে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার(৩০ আগস্ট ২০২৫) সকালে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ওই নারীর লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পপি রানী মসনী গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের স্ত্রী। এলাকাবাসী জানায়, মসনী গ্রামের কৃষ্ণ দাসের স্ত্রী পপি দাস গতকাল শুক্রবার বিকেলে সবার অজান্তে বসত বাড়ীর পিছনে বাগানের একটি আমগাছের ডালের সাথে গলায় ধুতি বেধে ঝুলে পড়ে। এ অবস্থা তার স্বামী দেখতে পেয়ে দ্রুত গাছ থেকে নামিয়ে পার্শ্ববর্তী বাধাল বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এখানের চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখেন পপি মারা গেছে। এ খবর পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীসহ ময়না তদন্তের জন্য লাশ বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। লাশের সুরতহাল তৈরীকারী কচুয়া থানার এসআই মাহামুদুল হাসান বলেন, লামের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। স্থানীয়রা ও তার স্বামী পরিবার বলছে পপি রানী বেশ কিছুদিন যাবৎ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে হতাশা গ্রস্থ অবস্থায় চলছিল। তারপরও মৃত্যুর সঠিক কারন নির্নয়ের জন্য লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল মসনি গ্রামে পপি রানী দাস (২৮) নামের এক নারী গলায় ধুতি পেচিয়ে আমগাছের ডালে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার(৩০ আগস্ট ২০২৫) সকালে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ওই নারীর লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পপি রানী মসনী গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের স্ত্রী। এলাকাবাসী জানায়, মসনী গ্রামের কৃষ্ণ দাসের স্ত্রী পপি দাস গতকাল শুক্রবার বিকেলে সবার অজান্তে বসত বাড়ীর পিছনে বাগানের একটি আমগাছের ডালের সাথে গলায় ধুতি বেধে ঝুলে পড়ে। এ অবস্থা তার স্বামী দেখতে পেয়ে দ্রুত গাছ থেকে নামিয়ে পার্শ্ববর্তী বাধাল বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এখানের চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখেন পপি মারা গেছে। এ খবর পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীসহ ময়না তদন্তের জন্য লাশ বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। লাশের সুরতহাল তৈরীকারী কচুয়া থানার এসআই মাহামুদুল হাসান বলেন, লামের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। স্থানীয়রা ও তার স্বামী পরিবার বলছে পপি রানী বেশ কিছুদিন যাবৎ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে হতাশা গ্রস্থ অবস্থায় চলছিল। তারপরও মৃত্যুর সঠিক কারন নির্নয়ের জন্য লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।