ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পৃথক অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৫ বোতল মদ জব্দ করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ১৯ মামলার আসামি রাসেলসহ ৫ মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার সীমান্তঘেঁষা সন্ধ্যাকুড়া এলাকায় এ অভিযান চালায় ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সন্ধ্যাকুড়া এলাকার আব্দুছ সামাদের ছেলে কুখ্যাত মাদক সম্রাট রাসেল মিয়া (২৮), পশ্চিম সন্ধ্যাকুড়া এলাকার সাকিব আল হাসান (১৯) ও সেলিম মিয়া (২৩), নলকুড়া রাবারড্যাম এলাকার শাহাদাত হোসেন এবং কুসাইকুড়া গ্রামের অটোচালক মোহাম্মদ আলী ওরফে আরমান (২৯)।
ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আল-আমীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে রাসেল মিয়ার বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খাটের নিচ থেকে ৩০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অপর চারজনের কাছ থেকে আরও ২৫ বোতল মদ ও একটি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৯টি মামলা চলমান রয়েছে। ওসি বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স কার্যকর করা হচ্ছে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত ঝিনাইগাতী থানার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পৃথক অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৫ বোতল মদ জব্দ করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ১৯ মামলার আসামি রাসেলসহ ৫ মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার সীমান্তঘেঁষা সন্ধ্যাকুড়া এলাকায় এ অভিযান চালায় ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সন্ধ্যাকুড়া এলাকার আব্দুছ সামাদের ছেলে কুখ্যাত মাদক সম্রাট রাসেল মিয়া (২৮), পশ্চিম সন্ধ্যাকুড়া এলাকার সাকিব আল হাসান (১৯) ও সেলিম মিয়া (২৩), নলকুড়া রাবারড্যাম এলাকার শাহাদাত হোসেন এবং কুসাইকুড়া গ্রামের অটোচালক মোহাম্মদ আলী ওরফে আরমান (২৯)।
ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আল-আমীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে রাসেল মিয়ার বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খাটের নিচ থেকে ৩০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অপর চারজনের কাছ থেকে আরও ২৫ বোতল মদ ও একটি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৯টি মামলা চলমান রয়েছে। ওসি বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী জিরো টলারেন্স কার্যকর করা হচ্ছে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত ঝিনাইগাতী থানার অভিযান অব্যাহত থাকবে।