ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
উল্লাপাড়ায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও বরযাত্রীবাহী ট্রলারের সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় ১৪ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছে। শনিবার, (৩০ আগস্ট ২০২৫) সকালে উল্লাপাড়া মডেল থানার এএসআই ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের দহকুলা ব্রীজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো, উল্লাপাড়ার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চাকসা গ্রামের রহিজ মন্ডল (৫০) একই ইউনিয়নের নরসিংহপাড়া গ্রামের নুর মোহাম্মদ (৪৫)।
জানা যায়, চাকসা দক্ষিণপাড়া এলাকার মায়ের দোয়া নামের একটি নৌকাবাইচ নৌকা বাইচালদের নিয়ে মহড়া শেষে ফেরার সময় দহকুলা ব্রীজের কাছে এ দুর্ঘটনার শিকার হয়। সংঘর্ষের পর বাইচের নৌকাটি ডুবে যায়। এসময় নৌকাটি পানি ডুবে গেলে সবাই পানিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে আহতদের হাসপাতালে পাঠান।
বাবু নামের এক বাইচাল বলেন, নৌকার মহড়া শেষে ফেরার পরে একটি বরযাত্রীবাহি ট্রলার আমাদের নৌকার উপর দিয়ে চলে যায়। এতে পুরো নৌকা পানিতে ডুবে যায়। মায়ের দোয়া এক্সপ্রেসের ১৪-১৫ জন পানিতে পড়ে যায়। এখনও কয়েকজনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উল্লাপাড়া মডেল থানার এএসআই ওমর ফারুক বলেন, বাইচ দলের নৌকাটির সঙ্গে বরযাত্রীবাহী একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকার সংঘর্ষ হয়। এতে বাইচ দলের দুই সদস্য ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
উল্লাপাড়ায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও বরযাত্রীবাহী ট্রলারের সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় ১৪ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছে। শনিবার, (৩০ আগস্ট ২০২৫) সকালে উল্লাপাড়া মডেল থানার এএসআই ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়নের দহকুলা ব্রীজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো, উল্লাপাড়ার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের চাকসা গ্রামের রহিজ মন্ডল (৫০) একই ইউনিয়নের নরসিংহপাড়া গ্রামের নুর মোহাম্মদ (৪৫)।
জানা যায়, চাকসা দক্ষিণপাড়া এলাকার মায়ের দোয়া নামের একটি নৌকাবাইচ নৌকা বাইচালদের নিয়ে মহড়া শেষে ফেরার সময় দহকুলা ব্রীজের কাছে এ দুর্ঘটনার শিকার হয়। সংঘর্ষের পর বাইচের নৌকাটি ডুবে যায়। এসময় নৌকাটি পানি ডুবে গেলে সবাই পানিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে আহতদের হাসপাতালে পাঠান।
বাবু নামের এক বাইচাল বলেন, নৌকার মহড়া শেষে ফেরার পরে একটি বরযাত্রীবাহি ট্রলার আমাদের নৌকার উপর দিয়ে চলে যায়। এতে পুরো নৌকা পানিতে ডুবে যায়। মায়ের দোয়া এক্সপ্রেসের ১৪-১৫ জন পানিতে পড়ে যায়। এখনও কয়েকজনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উল্লাপাড়া মডেল থানার এএসআই ওমর ফারুক বলেন, বাইচ দলের নৌকাটির সঙ্গে বরযাত্রীবাহী একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকার সংঘর্ষ হয়। এতে বাইচ দলের দুই সদস্য ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে।