স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাগলা মসজিদে দানের অর্থ দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার উন্নয়ন করা হয়। এছাড়া হতদরিদ্রদের ক্যানসার ও জটিল রোগের চিকিৎসা খাতে সহায়তা প্রদান করা হয়।
মসজিদ কেন্দ্রিক নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১৩০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভরণপোষণও এই দানের অর্থ দিয়ে চলে। মসজিদ কেন্দ্রিক কবরস্থান রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের কাজও করা হয়। বর্তমানে ১১৫ কোটি টাকার দানের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ও আধুনিক ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, টাকা গণনার কাজের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশসহ পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। গণনার পর টাকা রূপালি ব্যাংকে থাকা পাগলা মসজিদের একাউন্টে জমা দেওয়া পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।
জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, দানের অর্থে একটি অত্যাধুনিক মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্সের কাজ শুরু করা হবে। নতুন কমপ্লেক্সে এক সঙ্গে ৩০ হাজার মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন, পাশাপাশি নারীরাও নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। মসজিদের পাশে থাকা ব্যক্তিগত ভূমি ক্রয় করে সেখানে এই দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম ঈশা খানের বংশধর দেওয়ান জিলকদর খান বা জিলকদর পাগলা নরসুন্দা নদীর তীরে বসে নামাজ আদায় করতেন। তাঁর পরবর্তী ভক্তরা সেখানে মসজিদটি নির্মাণ করেন। জিলকদর পাগলার নামানুসারেই মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাগলা মসজিদে দানের অর্থ দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার উন্নয়ন করা হয়। এছাড়া হতদরিদ্রদের ক্যানসার ও জটিল রোগের চিকিৎসা খাতে সহায়তা প্রদান করা হয়।
মসজিদ কেন্দ্রিক নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১৩০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ভরণপোষণও এই দানের অর্থ দিয়ে চলে। মসজিদ কেন্দ্রিক কবরস্থান রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের কাজও করা হয়। বর্তমানে ১১৫ কোটি টাকার দানের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ও আধুনিক ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, টাকা গণনার কাজের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশসহ পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। গণনার পর টাকা রূপালি ব্যাংকে থাকা পাগলা মসজিদের একাউন্টে জমা দেওয়া পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।
জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, দানের অর্থে একটি অত্যাধুনিক মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্সের কাজ শুরু করা হবে। নতুন কমপ্লেক্সে এক সঙ্গে ৩০ হাজার মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন, পাশাপাশি নারীরাও নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। মসজিদের পাশে থাকা ব্যক্তিগত ভূমি ক্রয় করে সেখানে এই দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম ঈশা খানের বংশধর দেওয়ান জিলকদর খান বা জিলকদর পাগলা নরসুন্দা নদীর তীরে বসে নামাজ আদায় করতেন। তাঁর পরবর্তী ভক্তরা সেখানে মসজিদটি নির্মাণ করেন। জিলকদর পাগলার নামানুসারেই মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।