ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া বলেছেন, আমরা বাইরের বিশেষজ্ঞদের উপর নির্ভর করতে চাই না। বরং আমাদের অঞ্চল ভিত্তিক যে কৃষি গবেষক ও কর্মকর্তা আছেন তাদের উপর নির্ভর করতে চাই। তারা সিদ্ধান্ত নেবেন কোন অঞ্চলে কোন ফসল ফলানো সম্ভব।
গতকাল শনিবার সকালে রাজশাহী পিটিআই মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার আউটলুক-২০৫০ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
এমদাদ উল্লাহ বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জানাবে কোন অঞ্চলে, কীভাবে, কোন ফসল ফলাতে হবে। যদি সারা দেশে আলুর উৎপাদন বেশি হয় তাহলে কৃষকের লাভ হবে না। এর বিপরীতে পেঁয়াজ উৎপাদন করলে কৃষক লাভবান হতে পারে সেটা তাকে বুঝাতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদেরকে আলু চাষে নিরুৎসাহিত করতে হবে এবং পেঁয়াজ চাষে আগ্রহীদের প্রণোদনা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার(অতিরিক্ত সচিব) খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। অনুষ্ঠানে রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের বিভিন্ন কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তাগন অংশগ্রহণ করেন।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া বলেছেন, আমরা বাইরের বিশেষজ্ঞদের উপর নির্ভর করতে চাই না। বরং আমাদের অঞ্চল ভিত্তিক যে কৃষি গবেষক ও কর্মকর্তা আছেন তাদের উপর নির্ভর করতে চাই। তারা সিদ্ধান্ত নেবেন কোন অঞ্চলে কোন ফসল ফলানো সম্ভব।
গতকাল শনিবার সকালে রাজশাহী পিটিআই মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার আউটলুক-২০৫০ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
এমদাদ উল্লাহ বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জানাবে কোন অঞ্চলে, কীভাবে, কোন ফসল ফলাতে হবে। যদি সারা দেশে আলুর উৎপাদন বেশি হয় তাহলে কৃষকের লাভ হবে না। এর বিপরীতে পেঁয়াজ উৎপাদন করলে কৃষক লাভবান হতে পারে সেটা তাকে বুঝাতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদেরকে আলু চাষে নিরুৎসাহিত করতে হবে এবং পেঁয়াজ চাষে আগ্রহীদের প্রণোদনা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার(অতিরিক্ত সচিব) খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। অনুষ্ঠানে রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলের বিভিন্ন কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তাগন অংশগ্রহণ করেন।