ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় একটি বসতবাড়ীতে পুলিশ পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২ জন কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো নরসিংদী জেলার মাধবদী উপজেলার তারা মিয়ার ছেলে ডাকাত দলের প্রধান রিয়াজ (৩০) ও গাজীপুর সদর উপজেলার সাইদুর রহমানের ছেলে আল আমীন (৪০)। এ সময় তাদের ব্যবহ্নত একটি মাইক্রো বাস ও গাড়িতে থাকা শক্তিশালী একটি মোবাইল জ্যামার ডিভাইস জব্দ করা হয়। এ ছাড়া পুলিশের ৪ সেট পোশাক, ২ টি ককটেল, ২ সেট গ্রীল ও গ্যাস কাটার, ডাকাতি করা নগদ ৫ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, দেশীয় দা ৩ টি, বড় ছোরা ১ টি, অক্সিজেন গ্যাস ১ টি, গ্যাস সিলিন্ডার ১ টি, মুখে মারার স্প্রে ১ টিসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়।
রামপাল থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, গত শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের চিত্রা গ্রামের আসাদ সেখের বসত বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে ভোরেই পুলিশের একটি টিম নিয়ে অভিযান শুরু করা হয় । প্রযুক্তির ব্যবহার করে গতকাল শনিবার বাগেরহাটের মোল্লাহাট এলাকায় মাইক্রোসহ দুই আসামীকে হাতেনাতে ধরা হয়।
এ সময় মোবাইল জ্যামার ডিভাইস সহ বিপুল পরিমাণ টাকা, স্বর্ণালংকার, ককটেল, দেশীয় অস্ত্র, পুলিশের পোশাক, গ্যাস কাটার সরঞ্জামদি, গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন প্রকার মালামাল জব্দ করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে সাথে থাকা অন্য সহযোগীরা চম্পট দেয়। এদের সাথে আর কারা জড়িত আছে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোরে পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় ৭/৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল রামপালে চিত্রা এলাকায় আসাদ সেখের বাড়ীর প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে।
পরে তারা পুলিশ পরিচয়ে দরজা খুলতে বলে। এক পর্যায়ে গৃহকর্তা মো. আসাদ শেখ দরজা খোলেন। সাথে সাথে আরো অন্তত ৭/৮ জন ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলে। ডাকাতরা ঘর তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা, বিপুল পরিমান স্বর্ণালঙ্কার এবং বেশ কয়েকটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে মাইক্রোবাসে করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় একটি বসতবাড়ীতে পুলিশ পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২ জন কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো নরসিংদী জেলার মাধবদী উপজেলার তারা মিয়ার ছেলে ডাকাত দলের প্রধান রিয়াজ (৩০) ও গাজীপুর সদর উপজেলার সাইদুর রহমানের ছেলে আল আমীন (৪০)। এ সময় তাদের ব্যবহ্নত একটি মাইক্রো বাস ও গাড়িতে থাকা শক্তিশালী একটি মোবাইল জ্যামার ডিভাইস জব্দ করা হয়। এ ছাড়া পুলিশের ৪ সেট পোশাক, ২ টি ককটেল, ২ সেট গ্রীল ও গ্যাস কাটার, ডাকাতি করা নগদ ৫ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, দেশীয় দা ৩ টি, বড় ছোরা ১ টি, অক্সিজেন গ্যাস ১ টি, গ্যাস সিলিন্ডার ১ টি, মুখে মারার স্প্রে ১ টিসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়।
রামপাল থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, গত শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের চিত্রা গ্রামের আসাদ সেখের বসত বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে ভোরেই পুলিশের একটি টিম নিয়ে অভিযান শুরু করা হয় । প্রযুক্তির ব্যবহার করে গতকাল শনিবার বাগেরহাটের মোল্লাহাট এলাকায় মাইক্রোসহ দুই আসামীকে হাতেনাতে ধরা হয়।
এ সময় মোবাইল জ্যামার ডিভাইস সহ বিপুল পরিমাণ টাকা, স্বর্ণালংকার, ককটেল, দেশীয় অস্ত্র, পুলিশের পোশাক, গ্যাস কাটার সরঞ্জামদি, গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন প্রকার মালামাল জব্দ করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে সাথে থাকা অন্য সহযোগীরা চম্পট দেয়। এদের সাথে আর কারা জড়িত আছে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোরে পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় ৭/৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল রামপালে চিত্রা এলাকায় আসাদ সেখের বাড়ীর প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে।
পরে তারা পুলিশ পরিচয়ে দরজা খুলতে বলে। এক পর্যায়ে গৃহকর্তা মো. আসাদ শেখ দরজা খোলেন। সাথে সাথে আরো অন্তত ৭/৮ জন ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলে। ডাকাতরা ঘর তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা, বিপুল পরিমান স্বর্ণালঙ্কার এবং বেশ কয়েকটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে মাইক্রোবাসে করে দ্রুত পালিয়ে যায়।