চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) : আউশ ধান কেটে বাসায় নিতেছেন কৃষকরা -সংবাদ
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে আউশ ধানে বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশা হয়ে পড়েছে কৃষকেরা। পাওয়া তথ্য মতে, উপজেলার সর্বত্র আউশ ধান কাটা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে আমন রোপনে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু অধিক মজুরীতে শ্রমিক সংগ্রহ করায় প্রতি মন ধান গোলা পর্যন্ত পৌঁছাতে কৃষকদের খরচ হচ্ছে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। সেই ধান বাজারে বিক্রয় করতে গেলে ৩ থেকে ৪ শত টাকার বেশি মজুরী পাচ্ছেন না। এই ঘাটতির ফলে কৃষকরা পড়েছেন মহা বিপাকে। সঠিক ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অনেকেই দাদন ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুদে টাকা এনে এখন ফেরত দিতে হিমসীম খাচ্ছেন। এই অবস্থা চলতে থাকলে কৃষকেরা আগামীতে আউশ ধান চাষ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলায় আউশ ধান ৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। কৃষি অফিস পর্যাপ্ত পরামর্শ দিচ্ছে। এ বছর রোদ বৃষ্টি, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় আউশ ধানের ফলনও ভালো হয়েছে।
চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) : আউশ ধান কেটে বাসায় নিতেছেন কৃষকরা -সংবাদ
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে আউশ ধানে বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশা হয়ে পড়েছে কৃষকেরা। পাওয়া তথ্য মতে, উপজেলার সর্বত্র আউশ ধান কাটা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে আমন রোপনে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু অধিক মজুরীতে শ্রমিক সংগ্রহ করায় প্রতি মন ধান গোলা পর্যন্ত পৌঁছাতে কৃষকদের খরচ হচ্ছে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা। সেই ধান বাজারে বিক্রয় করতে গেলে ৩ থেকে ৪ শত টাকার বেশি মজুরী পাচ্ছেন না। এই ঘাটতির ফলে কৃষকরা পড়েছেন মহা বিপাকে। সঠিক ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অনেকেই দাদন ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুদে টাকা এনে এখন ফেরত দিতে হিমসীম খাচ্ছেন। এই অবস্থা চলতে থাকলে কৃষকেরা আগামীতে আউশ ধান চাষ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলায় আউশ ধান ৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। কৃষি অফিস পর্যাপ্ত পরামর্শ দিচ্ছে। এ বছর রোদ বৃষ্টি, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় আউশ ধানের ফলনও ভালো হয়েছে।