ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
দীর্ঘমেয়াদি ও স্নায়ুজনিত রোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীদের সর্বাধুনিক চিকিৎসাসেবা দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে দেশের প্রথম সর্বাধুনিক রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে এ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান ও রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টারের প্রধান ডা. আব্দুস শাকুর বলেছেন, রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টার দক্ষিণ এশিয়াতেই খুব একটা নেই বললেই চলে। এই সেণ্টারে রয়েছে ৫৭টি রোবট। এআই বেসইসড বোরটের সংখ্যা ২২টি। এরমধ্যে নিখুঁত ভাবে ফিজিওথেরাপিসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্ভব হবে।
এই কেন্দ্র পরিচালনার জন্য চীনের সাত সদস্যবিশিষ্ট বায়োমেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদল ইতোমধ্যে ২৯ জন দেশীয় চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। জুলাই ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছে তাদেরকে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা দরকার। তারা এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদেরকে বিনামূল্যে এই রোবটিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে।
পরবর্তীতে এই চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম সাধারণ রোগীদের জন্যও উন্মুক্ত করা হবে। আর সেবার খরচ রোগীদের সামর্থের মধ্যে রাখা হবে।
উন্নত বিশ্বে ব্যবহ্নত প্রযুক্তি অনুসরণ করে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই সেণ্টারটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।এই সেণ্টারে চীন সরকার ৩০ কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক রোবটিক যন্ত্রপাতি দিয়েছে। যা এই কেন্দ্রকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাব সেণ্টারে পরিণত করছে।এই রোবোটিক সেন্টার চালু হওয়ায় দেশের চিকিৎসা খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এই প্রযুক্তি অগ্রগতিতো বটেই, একই সঙ্গে পক্ষাঘাত ও স্নায়ুবিক সমস্যায় ভোগা অসংখ্য মানুষের জীবনে আশার আলো হয়ে উঠবে।
চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য যে সব রোগীরা বিদেশে যায়, তারা এখানে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এতে করে দেশের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
## রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারকে অবশ্যই টেকসই হতে হবে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম বলেছেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারকে অবশ্যই টেকসই হতে হবে, এই সেন্টারকে যতটা সম্ভব বিকেন্দ্রীকরণ করা দরকার। আরও ৩ থেকে ৪টি জেলায় যাতে এটা ছড়িয়ে পড়ে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন বলেন, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে চীন সরকার সবধরনের সহায়তা করে যাবে। এতে চীন বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিএমইউর ভিসি ডা. শাহিনুল আলম বলেছেন, রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টার উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশে এআই ভিত্তিক চিকিৎসা সেবা শুরু হলো। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ডাক্তার ও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
দীর্ঘমেয়াদি ও স্নায়ুজনিত রোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীদের সর্বাধুনিক চিকিৎসাসেবা দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে দেশের প্রথম সর্বাধুনিক রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে এ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান ও রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টারের প্রধান ডা. আব্দুস শাকুর বলেছেন, রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টার দক্ষিণ এশিয়াতেই খুব একটা নেই বললেই চলে। এই সেণ্টারে রয়েছে ৫৭টি রোবট। এআই বেসইসড বোরটের সংখ্যা ২২টি। এরমধ্যে নিখুঁত ভাবে ফিজিওথেরাপিসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্ভব হবে।
এই কেন্দ্র পরিচালনার জন্য চীনের সাত সদস্যবিশিষ্ট বায়োমেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদল ইতোমধ্যে ২৯ জন দেশীয় চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। জুলাই ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছে তাদেরকে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা দরকার। তারা এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদেরকে বিনামূল্যে এই রোবটিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে।
পরবর্তীতে এই চিকিৎসাসেবার কার্যক্রম সাধারণ রোগীদের জন্যও উন্মুক্ত করা হবে। আর সেবার খরচ রোগীদের সামর্থের মধ্যে রাখা হবে।
উন্নত বিশ্বে ব্যবহ্নত প্রযুক্তি অনুসরণ করে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই সেণ্টারটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।এই সেণ্টারে চীন সরকার ৩০ কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক রোবটিক যন্ত্রপাতি দিয়েছে। যা এই কেন্দ্রকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাব সেণ্টারে পরিণত করছে।এই রোবোটিক সেন্টার চালু হওয়ায় দেশের চিকিৎসা খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এই প্রযুক্তি অগ্রগতিতো বটেই, একই সঙ্গে পক্ষাঘাত ও স্নায়ুবিক সমস্যায় ভোগা অসংখ্য মানুষের জীবনে আশার আলো হয়ে উঠবে।
চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য যে সব রোগীরা বিদেশে যায়, তারা এখানে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এতে করে দেশের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
## রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারকে অবশ্যই টেকসই হতে হবে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম বলেছেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারকে অবশ্যই টেকসই হতে হবে, এই সেন্টারকে যতটা সম্ভব বিকেন্দ্রীকরণ করা দরকার। আরও ৩ থেকে ৪টি জেলায় যাতে এটা ছড়িয়ে পড়ে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন বলেন, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে চীন সরকার সবধরনের সহায়তা করে যাবে। এতে চীন বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিএমইউর ভিসি ডা. শাহিনুল আলম বলেছেন, রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেণ্টার উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশে এআই ভিত্তিক চিকিৎসা সেবা শুরু হলো। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ডাক্তার ও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।