২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৫৬৮ জন
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩১ হাজার ৪৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে মোট ১২২ জন। এভাবে প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১১৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮২ জন, খুলনা বিভাগে ৪২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৯ জন, সিলেট বিভাগে ৩ জন।
২৪ ঘণ্টায় নিহত ৪ জনই ঢাকা দক্ষিণ সিটির। তাদের মধ্যে দুই জনের বয়স ১৬ বছর থেকে ২০ বছর হবে। ১ জনের বয়স ৪১-৪৫ বছর ও ১ জনের বয়স ৫৬-৬০ বছর হবে।
বয়স ভেদে : আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছর বয়সের ১৯ জন, ৬-১০ বছর বয়সের ২৬ জন, ১১-১৫ বছর বয়সের ৩৪ জন, ১৬-২০ বছর বয়সের ৭৭ জন, ২১-২৫ বছর বয়সের ৮৪ জন, ২৬-৩০ বছর বয়সের ৭৪ জন, ৮০ বছর বয়সের ২ জন, ৭৬-৮০ বছর বয়সের ২ জন। ৭১-৭৫ বছর বয়সের ৩ জন।
হাসপাতালের তথ্য: আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৬ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৩৬ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ১০ জন, সোহ্রাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২ জন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৩৭ জন, মহাখালী ডিএনসিসি ডেডিকেটে কোভিড-১৯ হাসপাতালে ৪৯ জন ।
এভাবে রাজধানীর ১৮ হাসপাতালে ৩৪৬ জন ভর্তি আছে। সারাদেশের জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালে এখনও ১৪৮৬ জন ভর্তি আছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেঙ্গু গবেষক কবিরুল বাসার তার এক প্রতিবেদনে বলেছেন, ঢাকায় প্রথম ডেঙ্গু দেখা দেয় ১৯৬৩ সালে। তখন এ রোগকে ঢাকা ফিভার হিসেবে চিহ্নিত করে নাম দেয়া হয়েছে। এরপর ২০০০ সালে বিজ্ঞানীরা একে ডেঙ্গু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ওই বছর বাংলাদেশে ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৩ জন মারা যান। এরপর থেকে দেশে প্রতি বছরই কমবেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এখনও মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছেন।
২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম চিকুনগুনিয়া ধরা পড়ে। যা ডেঙ্গুর মতো একটি রোগ। এ রোগটি এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর বাংলাদেশে চিকুনগুনিয়া শনাক্ত হয়।
ঢাকায় সবচেয়ে বেশি চিকুনগুনিয়া শনাক্ত হয় ২০১৬ ও ২০১৭ সালে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে সম্প্রতি চিকুনগুনিয়া পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডেঙ্গু গবেষকদের মতে, মশাবাহিত রোগ মানুষের জীবন বাঁচানো, জনদুর্ভোগ ও আর্থিক ক্ষতি ঠেকাতে টেকসই পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন দরকার।
২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৫৬৮ জন
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার,(৩১ আগস্ট ২০২৫) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩১ হাজার ৪৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে মোট ১২২ জন। এভাবে প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১১৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৬৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮২ জন, খুলনা বিভাগে ৪২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৯ জন, সিলেট বিভাগে ৩ জন।
২৪ ঘণ্টায় নিহত ৪ জনই ঢাকা দক্ষিণ সিটির। তাদের মধ্যে দুই জনের বয়স ১৬ বছর থেকে ২০ বছর হবে। ১ জনের বয়স ৪১-৪৫ বছর ও ১ জনের বয়স ৫৬-৬০ বছর হবে।
বয়স ভেদে : আক্রান্তদের মধ্যে ৫ বছর বয়সের ১৯ জন, ৬-১০ বছর বয়সের ২৬ জন, ১১-১৫ বছর বয়সের ৩৪ জন, ১৬-২০ বছর বয়সের ৭৭ জন, ২১-২৫ বছর বয়সের ৮৪ জন, ২৬-৩০ বছর বয়সের ৭৪ জন, ৮০ বছর বয়সের ২ জন, ৭৬-৮০ বছর বয়সের ২ জন। ৭১-৭৫ বছর বয়সের ৩ জন।
হাসপাতালের তথ্য: আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৬ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৩৬ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ১০ জন, সোহ্রাওয়ার্দী হাসপাতালে ২২ জন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৩৭ জন, মহাখালী ডিএনসিসি ডেডিকেটে কোভিড-১৯ হাসপাতালে ৪৯ জন ।
এভাবে রাজধানীর ১৮ হাসপাতালে ৩৪৬ জন ভর্তি আছে। সারাদেশের জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালে এখনও ১৪৮৬ জন ভর্তি আছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেঙ্গু গবেষক কবিরুল বাসার তার এক প্রতিবেদনে বলেছেন, ঢাকায় প্রথম ডেঙ্গু দেখা দেয় ১৯৬৩ সালে। তখন এ রোগকে ঢাকা ফিভার হিসেবে চিহ্নিত করে নাম দেয়া হয়েছে। এরপর ২০০০ সালে বিজ্ঞানীরা একে ডেঙ্গু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ওই বছর বাংলাদেশে ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৩ জন মারা যান। এরপর থেকে দেশে প্রতি বছরই কমবেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এখনও মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছেন।
২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম চিকুনগুনিয়া ধরা পড়ে। যা ডেঙ্গুর মতো একটি রোগ। এ রোগটি এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর বাংলাদেশে চিকুনগুনিয়া শনাক্ত হয়।
ঢাকায় সবচেয়ে বেশি চিকুনগুনিয়া শনাক্ত হয় ২০১৬ ও ২০১৭ সালে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে সম্প্রতি চিকুনগুনিয়া পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডেঙ্গু গবেষকদের মতে, মশাবাহিত রোগ মানুষের জীবন বাঁচানো, জনদুর্ভোগ ও আর্থিক ক্ষতি ঠেকাতে টেকসই পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন দরকার।