alt

সারাদেশ

হাতির ভয় দেখিয়ে মাহুতের চাঁদাবাজি

প্রতিনিধি, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) : শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) : দোকানে গিয়ে মাহুতের ইঙ্গিতে চাঁদা আদায় করছে বিশালদেহী হাতি। ছবিটি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরবাজার থেকে তোলা -সংবাদ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দোকানে দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশালদেহী একটি হাতি। পিছু পিছু হাঁটছে ছোট্ট আকৃতির আরেকটি হাতি। দোকানসহ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া শিক্ষার্থী, পথচারীসহ কোনো যানবাহনই ছাড় পাচ্ছে না। পিঠে ভাব নিয়ে বসে আছেন মাহুত। আর এই মাহুতের নির্দেশেই এক দোকান থেকে আরেক দোকানে যাচ্ছে হাতি দুটি। তারপর শুঁড় এগিয়ে দিচ্ছে দোকানির কাছে। শুঁড়ের মাথায় টাকা গুঁজে না দেওয়া পর্যন্ত শুঁড় সরাচ্ছে না হাতিটি। টাকা না দিলে উল্টো ভয় দেখাচ্ছে মাহুত। এভাবেই অভিনব কৌশলে হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে দুটো হাতি দিয়ে টাকা তুলছেন মাহুত। সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে শুরু করে দোকানের ধরণ অনুযায়ী ১০০-১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। শুধু দোকানেই সীমাবদ্ধ নয়, সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের পথ রোধ করেও টাকা তুলতে দেখা যায় এই মাহুতকে। পৌর কালীবাড়ী বাজারের একটি মুদি দোকানে হঠাৎ বিশাল দেহের হাতিটি মাহুতের ইশারা ইঙ্গিতে শুঁড় এগিয়ে দিল দোকানের মধ্যে। সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার ২০ টাকা হাতিটির শুঁড়ে গুঁজে দিলেন।

টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই দোকানদার বলেন, টাকা না দিলে হাতিটি যাবে না। তাছাড়া অনেক সময় ভাঙচুরও করে। এজন্য ঝামেলা হওয়ার আগেই টাকা দিয়ে বিদায় করলাম।

ব্যবসায়ী শঙ্কর মজুমদার, দুলাল সাহা, রতন শীলসহ ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝে-মধ্যেই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাতি নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করেন তারা। প্রতিটি দোকান থেকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত দোকান থেকে হাতি সরিয়ে নেওয়া হয় না। অনেক সময় সাধারণ মানুষ, শিশু বাচ্চাসহ মহিলা ক্রেতারা হাতি দেখে ভয় পান। এতে ব্যবসায়ের ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। স্থানীয় বাসিন্দা চন্দ্রনাথ গুপ্ত বলেন, দোকান থেকে চাঁদা উঠানো শেষ হলে হাতিগুলো রাস্তায় নামে। শুধু দোকানই না এরা চলন্ত গাড়ি থামিয়ে দিয়ে চাঁদা আদায় করেন। এতে করে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

হাতির মাহুত বলেন, হাতির ভরণপোষণের জন্য সবাই খুশি হয়ে কিছু টাকা দেয়। কেউ খুশি হয়ে টাকা দিলে তা আবার চাঁদাবাজি হয় কীভাবে? তবে আমরা কারো উপর কোনো ধরনের জোর করি না; যার ইচ্ছে দেয় মন না চাইলে দেয় না।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাতি দিয়ে টাকা তোলার বিষয়ে এখনো কেউ আমাদের কিছু জানায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছবি

১০০ মিনিটের নদীপথ পদ্মা সেতু পার ৬ মিনিটে

ছবি

টাঙ্গাইলে শিশু হত্যা: ময়নাতদন্তে মিললো শ্বাসরোধে হত্যার আলামত

ছবি

উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই

ছবি

পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ

ছবি

অচেনা পাটুরিয়া ঘাট: কোলাহল নেই, যানবাহনের সারিও নেই

ছবি

পদ্মা সেতু জাদুঘর: বৈচিত্র্যময় প্রাণীর এক বিরল সংগ্রহশালা

সংক্রমণ, চতুর্থ ঢেউয়ের পথে

হজ প্রতিনিধি দল সৌদি যাচ্ছেন ৩ জুলাই

ছবি

পদ্মা সেতুর প্রথম লেডি বাইকার রুবায়াত রুবা

ছবি

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘন্টায় ১৫ হাজার ২০০ গাড়ি পারাপার

ছবি

শহর পর্যায়ে বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সেমিনার

ছবি

ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে

ছবি

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ১৫ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন

ছবি

আম সংকটে বন্ধ রাজশাহী-ঢাকা ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন

ছবি

তালার সরকারি ৪টি গুরুত্বপূর্ন দপ্তর বিভিন্ন স্থানে: ভোগান্তীতে মানুষ

ছবি

চার মাস পর সিলেটে করোনা শনাক্ত ছাড়াল ৯ শতাংশ

ছবি

৮ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৮২ লাখ টাকা

ছবি

চরভদ্রাসনে বাঁধ ভাঙ্গন: হুমকিতে বিদ্যালয়সহ ৪০ পরিবার

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

ঘের মালিকের হামলায় ৩ আহত

ছবি

হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খোলা যুবক বায়েজিদ আটক

কৃষক পরিবারকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা

ছবি

বরিশাল-ঢাকা সাড়ে ৩ ঘণ্টা, ৫ মিনিটে সেতু পার

ছবি

‘সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে’ কিশোর খুন, গ্রেফতার ২

জমি নিয়ে বিরোধে মসজিদে তালা

সড়কে ঝরল দুই চালক

পাকুন্দিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একযুগ পর অস্ত্রোপচার

বন্যা : আট দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই হবিগঞ্জের ২০০ গ্রামে

ছবি

ক্রস বাঁধে ভাঙন : বিলীন দুই শতাধিক ঘরবাড়ি

ছবি

দুই নবজাতকের নাম রাখা হলো পদ্মা-সেতু

ছবি

পাসপোর্ট অফিসে ২০০ দালাল ! অতিষ্ঠ গ্রাহক

বন্যা : হতাশ নবীনগরের পশু খামারিরা

ছবি

কাল থেকে পদ্মা সেতুতে নেমে ছবি তুললেই জরিমানা

ছবি

রংপুরের চাহিদা মিটিয়েও অতিরিক্ত ১ লাখ ৩২ হাজার কোরবানির পশু

ছবি

পদ্মা সেতু: সাক্ষী হতে এসে নিজেরাই ইতিহাসের অংশ হলেন তারা

ছবি

সরকারের নির্দেশনা পেলে সুনামগঞ্জে কোস্টগার্ড জোন হবে : মহাপরিচালক

tab

সারাদেশ

হাতির ভয় দেখিয়ে মাহুতের চাঁদাবাজি

প্রতিনিধি, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর)

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) : দোকানে গিয়ে মাহুতের ইঙ্গিতে চাঁদা আদায় করছে বিশালদেহী হাতি। ছবিটি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরবাজার থেকে তোলা -সংবাদ

শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দোকানে দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশালদেহী একটি হাতি। পিছু পিছু হাঁটছে ছোট্ট আকৃতির আরেকটি হাতি। দোকানসহ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া শিক্ষার্থী, পথচারীসহ কোনো যানবাহনই ছাড় পাচ্ছে না। পিঠে ভাব নিয়ে বসে আছেন মাহুত। আর এই মাহুতের নির্দেশেই এক দোকান থেকে আরেক দোকানে যাচ্ছে হাতি দুটি। তারপর শুঁড় এগিয়ে দিচ্ছে দোকানির কাছে। শুঁড়ের মাথায় টাকা গুঁজে না দেওয়া পর্যন্ত শুঁড় সরাচ্ছে না হাতিটি। টাকা না দিলে উল্টো ভয় দেখাচ্ছে মাহুত। এভাবেই অভিনব কৌশলে হাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে দুটো হাতি দিয়ে টাকা তুলছেন মাহুত। সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে শুরু করে দোকানের ধরণ অনুযায়ী ১০০-১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। শুধু দোকানেই সীমাবদ্ধ নয়, সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের পথ রোধ করেও টাকা তুলতে দেখা যায় এই মাহুতকে। পৌর কালীবাড়ী বাজারের একটি মুদি দোকানে হঠাৎ বিশাল দেহের হাতিটি মাহুতের ইশারা ইঙ্গিতে শুঁড় এগিয়ে দিল দোকানের মধ্যে। সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার ২০ টাকা হাতিটির শুঁড়ে গুঁজে দিলেন।

টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই দোকানদার বলেন, টাকা না দিলে হাতিটি যাবে না। তাছাড়া অনেক সময় ভাঙচুরও করে। এজন্য ঝামেলা হওয়ার আগেই টাকা দিয়ে বিদায় করলাম।

ব্যবসায়ী শঙ্কর মজুমদার, দুলাল সাহা, রতন শীলসহ ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝে-মধ্যেই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাতি নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করেন তারা। প্রতিটি দোকান থেকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হয়। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত দোকান থেকে হাতি সরিয়ে নেওয়া হয় না। অনেক সময় সাধারণ মানুষ, শিশু বাচ্চাসহ মহিলা ক্রেতারা হাতি দেখে ভয় পান। এতে ব্যবসায়ের ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। স্থানীয় বাসিন্দা চন্দ্রনাথ গুপ্ত বলেন, দোকান থেকে চাঁদা উঠানো শেষ হলে হাতিগুলো রাস্তায় নামে। শুধু দোকানই না এরা চলন্ত গাড়ি থামিয়ে দিয়ে চাঁদা আদায় করেন। এতে করে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

হাতির মাহুত বলেন, হাতির ভরণপোষণের জন্য সবাই খুশি হয়ে কিছু টাকা দেয়। কেউ খুশি হয়ে টাকা দিলে তা আবার চাঁদাবাজি হয় কীভাবে? তবে আমরা কারো উপর কোনো ধরনের জোর করি না; যার ইচ্ছে দেয় মন না চাইলে দেয় না।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাতি দিয়ে টাকা তোলার বিষয়ে এখনো কেউ আমাদের কিছু জানায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

back to top