alt

সারাদেশ

কালীগঞ্জ : মা ও শিশু হাসপাতালে নার্স দিয়েই চলছে চিকিৎসাসেবা

সাবজাল হোসেন, কালীগঞ্জ : বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২

হাসপাতালের সবকিছুই চকচকে ঝকঝকে। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় সিজারের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক বেড ও যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, রোগীদের জন্য রয়েছে বেশ বড়সড় ওয়েটিং রুম। এখানে যা কিছু আছে তা দিয়ে মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্ভব। কিন্তু চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় যা, সেই চিকিৎসকই নেই। অথচ প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে সকাল হলেই চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছে মা শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী রোগী। এভাবে কোন ডাক্তার ছাড়াই চলছে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল। অগত্যার পরে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এফডব্লিউভি নার্স রেহানা নাসরিন দিনভর রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছাড়ছেন। আর রোগীর পরিস্থিতি একটু জটিল মনে করলে পাঠিয়ে দিচ্ছেন অন্য হাসপাতালে।

হাসপাতালের একমাত্র ভরসা পরিশ্রমী রেহানা নাসরিন ব্যবস্থাপত্র দিতে না পারলেও আগত রোগীদের মুখে শুনেই জ্বর, ঠাণ্ডা কাশির প্রাথমিক ব্যবস্থাপত্র দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন। অথচ হাসপাতালটিতে মা ও শিশু বিশেষজ্ঞ দুইজন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে একজন ভিজিটর, একজন পিয়ন ও একজন (চুক্তিভিত্তিক) দায় দিয়েই চলছে কর্মকাণ্ড। যে কারণে আগত রোগীরা কাক্সিক্ষত সেবা না পেয়ে হয়ে বিমুখ ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ডাক্তারের অভাবে রোগী ভর্তি না হওয়ায় হাসপাতালের আধুনিক যন্ত্রাংশ ও অব্যবহৃত বেড ধুলাবালি জমে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

জানা গেছে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত কালীগঞ্জ পৌর এলাকার শিবনগর কেডিসি সংলগ্ন স্থানে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি প্রতিষ্টিত হয়। এ বছরের ২ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। সেখানে মা ও শিশু বিশেষজ্ঞ দুইজন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও শুরুতেই অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে ডাক্তার কামাল হোসেন ও তরিকুল ইসলাম নামে দুইজন মেডিকেল অফিসার সেবা প্রদান শুরু করেন। কিন্তু গত ৭ জুলাই তারাও ডেপুটেশনে হাসপাতাল ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। সেই থেকেই হাসপাতালটি ডাক্তার শূন্য হয়ে পড়েছে। হাসপাতালটিতে প্রসূতি মায়েদের জন্য নরমাল ও সিজারিয়ান ডেলিভারি, স্থায়ী/অস্থায়ী বন্ধাত্বকরণ ছাড়াও শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের কথা।

হাসপাতালে আগত রোগীদের সেবা প্রদানকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এফডব্লিউভি নার্স রেহানা নাসরিন জানান, প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত রোগী এখানে সেবা নিতে আসেন। কিন্তু তার ব্যবস্থাপত্র দেয়ার কোন অনুমতি নেই। তাই রোগীদের মুখে শুনেই শুধুমাত্র জ্বর, ঠাণ্ডা কাঁশির ওষুধ দিয়ে থাকেন। তিনি আরও জানান, এখানে আধুনিক মানের অপারেশন থিয়েটার থাকলেও ডাক্তার পোস্টিং না হওয়াতে প্রসূতি মায়েদের ডেলিভারি বা অন্য সেবা প্রদান সম্ভব হয় না।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ডাক্তার না পেয়ে ভুক্তভোগী আকলিমা খাতুন জানান, যদি ডাক্তারের অভাবে সেবা না পায়, তাহলে এত সুন্দর হাসপাতাল থেকেই বা লাভ কী। তিনি ভিজিটরের মাধ্যমে কিছু ওষুধ পেলেও কাক্সিক্ষত সেবা না পাওয়াতে বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সেবা নিতে আসা শিবনগর গ্রামের ডেইজি বেগম জানান, তিনি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা কাঁশি নিয়ে হাসপাতালটিতে এসেছিলেন। ডাক্তার নেই। তবে হাসপাতালের এক আপা তাকে ভালো করে দেখে ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। তিনি বলেন, গত মাসেও তিনি জ¦রে আক্রান্ত হয়ে এসেছিলেন। এটি একটি ছোট হাসপাতাল হলেও প্রতিদিন সকালে রোগীর ভিড় পড়ে যায়। সব রোগী নার্স আপায় দেখে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। তবে জটিল রোগের লক্ষণ দেখলেন তিনি অন্যত্র পাঠিয়ে দেন।

কাশিপুরের আকলিমা বেগম জানান, মা ও শিশু চিকিৎসায় এ হাসপাতালটি সরকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখানকার সব কিছু ঠিকঠাক আছে। তবে উদ্বোধনের প্রায় বছর পার হলেও ডাক্তার নেই। তিনি বলেন, প্রথমদিকে একজন ডাক্তার নিয়মিত রোগী দেখেছেন কিন্তু এখন নেই। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে থাকা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ বারী জানান, ৩ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ১০ শয্যার মা ও শিশু হাসপাতালটিতে রোগীদের জন্য আধুনিক অপারেশন থিয়েটার ও শয্যা রয়েছে। হাসপাতালটিতে দুইজন ডাক্তার, ৪ জন এফডব্লিউভি নার্স, ১ জন ক্লিনার, ১ জন নিরাপত্তাকর্মী ও ১ জন পিয়ন পোস্টিং হওয়ার কথা। কিন্তু শুরুতে দুইজন ডাক্তার পোস্টিং নিলেও তারা ডেপুটেশনে চলে গেছেন। বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব নিয়ে সপ্তাহে একদিন বুধবার হাসপাতালে এসে ক্যাম্প করে থাকেন। তিনি আরও জানান, দেশের অন্য স্থানেও স্থাপিত মা ও শিশু হাসপাতাল গুলির কোথাও এখনও সরকারিভাবে ডাক্তার বা জনবল নিয়োগ হয়নি। এসব কারণেই ডাক্তার জনবল সমস্যাই হাসপাতালটিতে সেবা প্রদানে সমস্যা রয়েই গেছে। এমন বিষয়টি সমাধানে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্তাদের অবহিত করে আসছেন বলে জানান তিনি।

নড়াইল মাইজপাড়া ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ

চৌগাছার সেই প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

ছবি

সিরাজগঞ্জে আরও ৬০২টি ঘর পাচ্ছেন ভূমিহীনরা

ইকোনমিক জোনে কোরিয়ান কোম্পানির বিনিয়োগে কর্মসংস্থান হবে ৫ লাখ মানুষের

ছবি

দেশীয় লৌহজাত শিল্প বাঁচিয়ে রাখার দাবি

সদরপুরে সর. বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকসহ নানা সংকটে ভুগছে

নিয়ামতপুরে কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

পূর্বধলায় সেলাই মেশিন বিতরণ

মির্জাগঞ্জে ডোবায় ডুবে শিশুর মৃত্যু

ছবি

নড়বড়ে কাঠের সাঁকোই পারাপারের একমাত্র ভরসা

কর্মস্থলে অনুপস্থিত দপ্তরির বেতন হচ্ছে নিয়মিত

শ্রীনগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসন নির্বাচন : ভোটের পরদিন আসিফের খোঁজ দিল পুলিশ

ছবি

আশুগঞ্জে সিঁধ কেটে মা ও দুই সন্তানকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা

ছবি

তামার তার চুরি ১০ মাসে আটক ৩৮

ছবি

৭০ বছর পর পৈতৃক ভিটায় এসে আপ্লুত শামছুল হকের দুই মেয়ে

ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘরের সিঁধ কেটে মা-দুই সন্তানকে কুপিয়ে জখম

ছবি

বগুড়া-৬ আসনে হিরো আলমসহ আরো আটজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন

ছবি

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ২

ছবি

ফলাফল প্রত্যাখ্যান, রিট করবেন হিরো আলম

ছবি

সিরাজগঞ্জে সরিষার দামে সন্তুষ্ট ক্রেতা-বিক্রেতা

চারঘাটে সর্বপ্রথম সমন্বিত শিক্ষাকেন্দ্র কৃষক স্কুল উদ্বোধন

কালিয়াকৈরে আগুনে পুড়ে বাড়ি ছাই

শাহজাদপুরে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ঘরে অগ্নিসংযোগ টাকা চুরি

ছবি

এলজিইডির কর্মকর্তাকে মারধরের প্রতিবাদে নড়াইলে মানববন্ধন

ছবি

অবশেষে অপসারণ করা হচ্ছে পায়রা বন্দরে হেলে পড়া গাইডওয়াল

বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার

বেলাবতে ইভটিজিং প্রতিরোধে ইউএনওর সাঁড়াশি অভিযান

ছবি

মাত্র ৮৩৪ ভোটে হেরে গেলেন হিরো আলম

ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: ৭৭টি কেন্দ্রে আবদুস সাত্তার এগিয়ে

রোগীর কুড়ালের কোপে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার

অবৈধভাবে মাটি কাটায় ভূমিদস্যুকে জরিমানা

ছবি

গোয়ালন্দে পাঠাভ্যাস উদ্বুদ্ধকরণে কর্মশালা

ছবি

সেচ সুবিধার আওতায় আসায় লাভবান খালের দুই পাড়ের ৫ শতাধিক কৃষক

tab

সারাদেশ

কালীগঞ্জ : মা ও শিশু হাসপাতালে নার্স দিয়েই চলছে চিকিৎসাসেবা

সাবজাল হোসেন, কালীগঞ্জ

বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২

হাসপাতালের সবকিছুই চকচকে ঝকঝকে। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় সিজারের জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক বেড ও যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, রোগীদের জন্য রয়েছে বেশ বড়সড় ওয়েটিং রুম। এখানে যা কিছু আছে তা দিয়ে মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্ভব। কিন্তু চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় যা, সেই চিকিৎসকই নেই। অথচ প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে সকাল হলেই চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছে মা শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী রোগী। এভাবে কোন ডাক্তার ছাড়াই চলছে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল। অগত্যার পরে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এফডব্লিউভি নার্স রেহানা নাসরিন দিনভর রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছাড়ছেন। আর রোগীর পরিস্থিতি একটু জটিল মনে করলে পাঠিয়ে দিচ্ছেন অন্য হাসপাতালে।

হাসপাতালের একমাত্র ভরসা পরিশ্রমী রেহানা নাসরিন ব্যবস্থাপত্র দিতে না পারলেও আগত রোগীদের মুখে শুনেই জ্বর, ঠাণ্ডা কাশির প্রাথমিক ব্যবস্থাপত্র দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন। অথচ হাসপাতালটিতে মা ও শিশু বিশেষজ্ঞ দুইজন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে একজন ভিজিটর, একজন পিয়ন ও একজন (চুক্তিভিত্তিক) দায় দিয়েই চলছে কর্মকাণ্ড। যে কারণে আগত রোগীরা কাক্সিক্ষত সেবা না পেয়ে হয়ে বিমুখ ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ডাক্তারের অভাবে রোগী ভর্তি না হওয়ায় হাসপাতালের আধুনিক যন্ত্রাংশ ও অব্যবহৃত বেড ধুলাবালি জমে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

জানা গেছে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত কালীগঞ্জ পৌর এলাকার শিবনগর কেডিসি সংলগ্ন স্থানে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটি প্রতিষ্টিত হয়। এ বছরের ২ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। সেখানে মা ও শিশু বিশেষজ্ঞ দুইজন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও শুরুতেই অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে ডাক্তার কামাল হোসেন ও তরিকুল ইসলাম নামে দুইজন মেডিকেল অফিসার সেবা প্রদান শুরু করেন। কিন্তু গত ৭ জুলাই তারাও ডেপুটেশনে হাসপাতাল ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। সেই থেকেই হাসপাতালটি ডাক্তার শূন্য হয়ে পড়েছে। হাসপাতালটিতে প্রসূতি মায়েদের জন্য নরমাল ও সিজারিয়ান ডেলিভারি, স্থায়ী/অস্থায়ী বন্ধাত্বকরণ ছাড়াও শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের কথা।

হাসপাতালে আগত রোগীদের সেবা প্রদানকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এফডব্লিউভি নার্স রেহানা নাসরিন জানান, প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত রোগী এখানে সেবা নিতে আসেন। কিন্তু তার ব্যবস্থাপত্র দেয়ার কোন অনুমতি নেই। তাই রোগীদের মুখে শুনেই শুধুমাত্র জ্বর, ঠাণ্ডা কাঁশির ওষুধ দিয়ে থাকেন। তিনি আরও জানান, এখানে আধুনিক মানের অপারেশন থিয়েটার থাকলেও ডাক্তার পোস্টিং না হওয়াতে প্রসূতি মায়েদের ডেলিভারি বা অন্য সেবা প্রদান সম্ভব হয় না।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ডাক্তার না পেয়ে ভুক্তভোগী আকলিমা খাতুন জানান, যদি ডাক্তারের অভাবে সেবা না পায়, তাহলে এত সুন্দর হাসপাতাল থেকেই বা লাভ কী। তিনি ভিজিটরের মাধ্যমে কিছু ওষুধ পেলেও কাক্সিক্ষত সেবা না পাওয়াতে বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সেবা নিতে আসা শিবনগর গ্রামের ডেইজি বেগম জানান, তিনি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা কাঁশি নিয়ে হাসপাতালটিতে এসেছিলেন। ডাক্তার নেই। তবে হাসপাতালের এক আপা তাকে ভালো করে দেখে ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। তিনি বলেন, গত মাসেও তিনি জ¦রে আক্রান্ত হয়ে এসেছিলেন। এটি একটি ছোট হাসপাতাল হলেও প্রতিদিন সকালে রোগীর ভিড় পড়ে যায়। সব রোগী নার্স আপায় দেখে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। তবে জটিল রোগের লক্ষণ দেখলেন তিনি অন্যত্র পাঠিয়ে দেন।

কাশিপুরের আকলিমা বেগম জানান, মা ও শিশু চিকিৎসায় এ হাসপাতালটি সরকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখানকার সব কিছু ঠিকঠাক আছে। তবে উদ্বোধনের প্রায় বছর পার হলেও ডাক্তার নেই। তিনি বলেন, প্রথমদিকে একজন ডাক্তার নিয়মিত রোগী দেখেছেন কিন্তু এখন নেই। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে থাকা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ বারী জানান, ৩ তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ১০ শয্যার মা ও শিশু হাসপাতালটিতে রোগীদের জন্য আধুনিক অপারেশন থিয়েটার ও শয্যা রয়েছে। হাসপাতালটিতে দুইজন ডাক্তার, ৪ জন এফডব্লিউভি নার্স, ১ জন ক্লিনার, ১ জন নিরাপত্তাকর্মী ও ১ জন পিয়ন পোস্টিং হওয়ার কথা। কিন্তু শুরুতে দুইজন ডাক্তার পোস্টিং নিলেও তারা ডেপুটেশনে চলে গেছেন। বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব নিয়ে সপ্তাহে একদিন বুধবার হাসপাতালে এসে ক্যাম্প করে থাকেন। তিনি আরও জানান, দেশের অন্য স্থানেও স্থাপিত মা ও শিশু হাসপাতাল গুলির কোথাও এখনও সরকারিভাবে ডাক্তার বা জনবল নিয়োগ হয়নি। এসব কারণেই ডাক্তার জনবল সমস্যাই হাসপাতালটিতে সেবা প্রদানে সমস্যা রয়েই গেছে। এমন বিষয়টি সমাধানে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্তাদের অবহিত করে আসছেন বলে জানান তিনি।

back to top